ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনার বেড়ায় ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষ, উভয় পক্ষে আহত অর্ধশতাধিক

blank

পাবনার বেড়া পৌর এলাকায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষের লোকজন টর্চলাইট জ্বালিয়ে হামলায় অংশ নেন বলে জানা গেছে। এ সময় একাধিক দোকানে অগ্নিসংযোগ এবং অন্তত ১৫টি বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ চলে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেড়া থানার পুলিশের পাশাপাশি সাঁথিয়া ও সুজানগর থানা এবং পাবনা পুলিশ লাইনসের পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। এ সময় পুলিশ কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেড়া পৌর এলাকার সরকারি বেড়া বিবি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে কয়েক দিন ধরে ওয়ার্ডভিত্তিক ফুটবল খেলা চলছিল। রোববার ২ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সময়ে খেলা ১-১ গোলে ড্র হলে ফল নির্ধারণে টাইব্রেকার অনুষ্ঠিত হয়। এ নিয়ে দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়।

এর জের ধরে ২ নম্বর ওয়ার্ডের সওদাগরপাড়া ও বনগ্রামের খাঁপাড়া মহল্লার বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরে মৈত্রবাঁধা, সান্দিয়ালপাড়া ও বনগ্রাম মহল্লার লোকজনও এতে জড়িয়ে পড়েন। দুই পক্ষের লোকজন শক্তিশালী টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আহত ব্যক্তিদের বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংঘর্ষের সময় একাধিক দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, অন্তত ১৫টি বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার সরকার। রোববার রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণভাবে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। আর কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি যাতে না হয়, সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক আছি।’

বেড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনাল্ট চাকমা বলেন, ‘সংঘর্ষের সময় আমি নিজেও ঘটনাস্থলে থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছি। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তবে পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনে ১৪৪ ধারা জারির চিন্তাভাবনা করা হবে।’

blank

প্রবীণদের সেবায় ‘আগামীকাল নয়, আজই’-আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের মতবিনিময় সভায় আহ্বান

পাবনার বেড়ায় ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষ, উভয় পক্ষে আহত অর্ধশতাধিক

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
blank

পাবনার বেড়া পৌর এলাকায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষের লোকজন টর্চলাইট জ্বালিয়ে হামলায় অংশ নেন বলে জানা গেছে। এ সময় একাধিক দোকানে অগ্নিসংযোগ এবং অন্তত ১৫টি বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ চলে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেড়া থানার পুলিশের পাশাপাশি সাঁথিয়া ও সুজানগর থানা এবং পাবনা পুলিশ লাইনসের পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। এ সময় পুলিশ কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেড়া পৌর এলাকার সরকারি বেড়া বিবি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে কয়েক দিন ধরে ওয়ার্ডভিত্তিক ফুটবল খেলা চলছিল। রোববার ২ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সময়ে খেলা ১-১ গোলে ড্র হলে ফল নির্ধারণে টাইব্রেকার অনুষ্ঠিত হয়। এ নিয়ে দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়।

এর জের ধরে ২ নম্বর ওয়ার্ডের সওদাগরপাড়া ও বনগ্রামের খাঁপাড়া মহল্লার বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরে মৈত্রবাঁধা, সান্দিয়ালপাড়া ও বনগ্রাম মহল্লার লোকজনও এতে জড়িয়ে পড়েন। দুই পক্ষের লোকজন শক্তিশালী টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আহত ব্যক্তিদের বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সংঘর্ষের সময় একাধিক দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, অন্তত ১৫টি বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার সরকার। রোববার রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণভাবে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। আর কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি যাতে না হয়, সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক আছি।’

বেড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনাল্ট চাকমা বলেন, ‘সংঘর্ষের সময় আমি নিজেও ঘটনাস্থলে থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছি। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তবে পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনে ১৪৪ ধারা জারির চিন্তাভাবনা করা হবে।’