জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ-সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়ে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ নুর বাবুর মতো জনপ্রিয় নেতাকে প্রাণ দিতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রথম রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ছিল বাবু হত্যা। প্রকাশ্য দিবালোকে তাঁকে হত্যার পর খুনিদের বিচারের পথও নানাভাবে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। ফলে ১৬ বছরেও এ হত্যা মামলার বিচার সম্পন্ন হয়নি। উল্টো শেখ হাসিনা খুনিদের বিনা ভোটে মেয়র ও চেয়ারম্যান বানিয়ে পুরস্কৃত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু বাবু নন, বিএনপিকে দুর্বল করতে আওয়ামী লীগ অসংখ্য নেতাকর্মীকে হত্যা ও গুম করেছে। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এখন গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায়। এই জনসমাবেশ থেকে ঘোষণা দিচ্ছি, বর্তমান সরকারের আমলেই আন্তর্জাতিক আদালতে বাবু হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচার করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বনপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি সানাউল্লাহ নুর বাবুর ১৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য হামলায় বাবু নিহত হয়েছিলেন বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।
বনপাড়া বাজারের শহীদ বাবু চত্বরে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সদস্য ও অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) এম লুৎফর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন সংসদ-সদস্য আব্দুল আজিজ।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন ও সাইফুল ইসলাম আফতাব, সানাউল্লাহ নুর বাবুর সহধর্মিণী মহুয়া নুর কচি, নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র কাজী শাহ আলম, জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল কাদের মিয়া, সাবেক মেয়র ইসাহাক আলী, জেলা বিএনপির সদস্য শরীফুল হক, অধ্যক্ষ আশরাফ আলী, সাবেক ছাত্রনেতা শামসুল আলম রনি, নাসিম উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান আলী আকবর, সরদার রফিকুল ইসলাম, এবিএম ইকবাল হোসেন রাজু, মোস্তাফিজুর রহমান পারভেল ও মোস্তাফিজুল হক বকুলসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

গাজী মখলেছ, বড়াইগ্রাম (নাটোর) 


















