ঢাকা শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পত্নীতলায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন চকদোচাই-বাবনাবাজ পরিবার

blank

অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন হিসেবে নওগাঁর পত্নীতলা চকদোচাই-বাবনাবাজ পরিবার “তরুণরা লড়বে যুব সমাজ গড়বে” এই স্লোগান নিয়ে ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 

সংগঠনটি তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গরীব শিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপ সহযোগিতা করা, খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ, অসহায় দুঃস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রীসহ ঈদবস্ত্র বিতরণ, শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী, মাদক-সন্ত্রাস-বাল্যবিবাহ ও সামাজিক অপরাধবিরোধী সচেতনতামূলক সভা, রক্তদান কর্মসূচিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ড সফলভাবে সম্পন্ন করে বেশ সুনাম অর্জন করেছে।

এই সংগঠনটির ব্যতিক্রমী একটি বৈশিষ্ট্য হলো- সদস্য ব্যাতীত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে কোন ধরনের দান বা চাদা গ্রহণ না করে শুধুমাত্র সদস্যদের স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণের মাধ্যমে মানবিক ও সামাজিক নানা ধরনের কর্মকান্ড ও সাহায্য সহযোগীতা করে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এনজিও কর্মী, লেখক কলামিস্ট এবং সমাজসেবক মোঃ সাজেদুর রহমান বলেন, সামাজিক জীব হিসেবে সমাজের জন্য এবং আমাদের আশেপাশের মানুষদের জন্য সামান্য কিছু করার মাঝে তৃপ্তি খুজে পাওয়ার চেতনা নিয়ে এই সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আমাদের সংগঠনের সদস্যরা বিশ্বাস করে ভোগে সুখ নেই, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ এবং দান করার জন্য ধনী হবার প্রয়োজন নেই সুন্দর ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ট।

সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় সংগঠনটি সেবা ও মানবকল্যাণমুখী কর্মকান্ডে সবসময় সক্রিয় থাকবে মর্মে আমি আশা করি সংগঠনটি সুনির্দিষ্ট কতগুলো লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে গঠিত হয়েছে।

 

সংগঠনটির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ হলোঃ

১. সংগঠনটি সর্বদা অরাজনৈতিক ও সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে কাজ করবে।

২. গ্রামের গরীব ও মেধাবীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষা সহায়তা প্রদান করা।

৩. অসহায় ও দুস্থদের সার্বিক সহায়তা করা।

৪. দুরারোগ্য ও ব্যয়বহুল চিকিৎসার রোগে আক্রান্ত রোগীকে সহায়তা প্রদান।

৫. গরীবদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ।

৬. যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাঁড়ানো।

৭. মাদক, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ রোধসহ সামাজিক অপরাধসমূহের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন করা ও খেলাধুলা ও সামাজিক কাজকর্মে ছাত্র-যুবকদের অংশগ্রহণে সাহায্য করা।

৮. যেকোনো ধরনের বিরোধ বা বৈষম্যের ক্ষেত্রে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানে সহায়তা করা।

৯. বৃক্ষরোপণ, পরিছন্ন ও পরিবেশবান্ধব কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করা।

১০. সংগঠনের সকল সদস্যদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববন্ধন সৃষ্টি করে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠনটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা এবং কল্যাণময় সবকিছুতে নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করা।

blank

বিশ্ব বদলানো ১০০ মুখ: প্রকাশ পেল ‘টাইম ১০০’ তালিকা

পত্নীতলায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন চকদোচাই-বাবনাবাজ পরিবার

প্রকাশের সময় : ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
blank

অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন হিসেবে নওগাঁর পত্নীতলা চকদোচাই-বাবনাবাজ পরিবার “তরুণরা লড়বে যুব সমাজ গড়বে” এই স্লোগান নিয়ে ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 

সংগঠনটি তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গরীব শিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপ সহযোগিতা করা, খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ, অসহায় দুঃস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রীসহ ঈদবস্ত্র বিতরণ, শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী, মাদক-সন্ত্রাস-বাল্যবিবাহ ও সামাজিক অপরাধবিরোধী সচেতনতামূলক সভা, রক্তদান কর্মসূচিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ড সফলভাবে সম্পন্ন করে বেশ সুনাম অর্জন করেছে।

এই সংগঠনটির ব্যতিক্রমী একটি বৈশিষ্ট্য হলো- সদস্য ব্যাতীত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে কোন ধরনের দান বা চাদা গ্রহণ না করে শুধুমাত্র সদস্যদের স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণের মাধ্যমে মানবিক ও সামাজিক নানা ধরনের কর্মকান্ড ও সাহায্য সহযোগীতা করে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এনজিও কর্মী, লেখক কলামিস্ট এবং সমাজসেবক মোঃ সাজেদুর রহমান বলেন, সামাজিক জীব হিসেবে সমাজের জন্য এবং আমাদের আশেপাশের মানুষদের জন্য সামান্য কিছু করার মাঝে তৃপ্তি খুজে পাওয়ার চেতনা নিয়ে এই সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আমাদের সংগঠনের সদস্যরা বিশ্বাস করে ভোগে সুখ নেই, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ এবং দান করার জন্য ধনী হবার প্রয়োজন নেই সুন্দর ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ট।

সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় সংগঠনটি সেবা ও মানবকল্যাণমুখী কর্মকান্ডে সবসময় সক্রিয় থাকবে মর্মে আমি আশা করি সংগঠনটি সুনির্দিষ্ট কতগুলো লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে গঠিত হয়েছে।

 

সংগঠনটির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ হলোঃ

১. সংগঠনটি সর্বদা অরাজনৈতিক ও সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে কাজ করবে।

২. গ্রামের গরীব ও মেধাবীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষা সহায়তা প্রদান করা।

৩. অসহায় ও দুস্থদের সার্বিক সহায়তা করা।

৪. দুরারোগ্য ও ব্যয়বহুল চিকিৎসার রোগে আক্রান্ত রোগীকে সহায়তা প্রদান।

৫. গরীবদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ।

৬. যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাঁড়ানো।

৭. মাদক, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ রোধসহ সামাজিক অপরাধসমূহের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন করা ও খেলাধুলা ও সামাজিক কাজকর্মে ছাত্র-যুবকদের অংশগ্রহণে সাহায্য করা।

৮. যেকোনো ধরনের বিরোধ বা বৈষম্যের ক্ষেত্রে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানে সহায়তা করা।

৯. বৃক্ষরোপণ, পরিছন্ন ও পরিবেশবান্ধব কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করা।

১০. সংগঠনের সকল সদস্যদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববন্ধন সৃষ্টি করে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠনটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা এবং কল্যাণময় সবকিছুতে নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করা।