ঢাকা শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাহিদের মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে জাবি ছাত্রদলের মানববন্ধন

blank

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক শিক্ষার্থী, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গালিব ইমতিয়াজ নাহিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও তার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় শাখা ছাত্রদলের সাবেক নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন এলাকায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জাবি ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সাবেক ছাত্রদল নেতা সালাউদ্দিন (সাকা), ফেরদৌস আলম অপু, শরিফুল ইসলাম সাইফুল, নাজমুল হক ও মির বিটু; জাবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজমল হোসেন তমাল, সেলিম রেজা, শফিকুল ইসলাম শফিক, নাইমুল হাসান কৌশিক, মুহিবুল্লাহ মুহিব ও রফিকুল ইসলাম; সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম শামীম, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সদস্য বেনজির আহমেদ, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাহের উদ্দিন হীরা এবং ছাত্রদলের সদস্য জাহিদ হাসান, মো. হাসান, এস. এম. তানিম হাসান, মো. সাজ্জাদউল ইসলাম, পিয়াস আহম্মেদ শিশির, সিয়াম আহম্মেদ ও মাহাদী হাসান তরুসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সাবেক জাবি ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, “গালিব ইমতিয়াজ নাহিদের মতো ত্যাগী তরুণ নেতারাই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের প্রকৃত ধারক ও বাহক। এসব পরীক্ষিত নেতাকে রাজনৈতিকভাবে ধ্বংস কিংবা নেতৃত্ব থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারলেই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করা সম্ভব—এমন গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই তাঁকে হয়রানি করা হচ্ছে।”

ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সদস্য ও সাবেক জাবি ছাত্রদল নেতা বেনজির আহমেদ বলেন, “দেশের কোনো তরুণ জাতীয়তাবাদী নেতা যেন ভবিষ্যতে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার শিকার হয়ে কারাবরণ না করেন, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করতে হবে। একজন নিরপরাধ ও ত্যাগী রাজনৈতিক কর্মীর কারাবাস শুধু তাঁর ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ওপর আঘাত নয়; এটি ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র এবং রাজনৈতিক অধিকারের ওপরও আঘাত।”

ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম রেজা বলেন, “গালিব ইমতিয়াজ নাহিদ দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে রাজপথে থেকে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির সংগ্রাম এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক মামলার প্রতিবাদে তিনি সবসময় রাজপথে ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটি কঠিন সময়ে তিনি দল ও আদর্শের প্রতি অবিচল থেকেছেন।”

মানববন্ধন থেকে বক্তারা গালিব ইমতিয়াজ নাহিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার এবং তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণারও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

উল্লেখ্য, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সাভারের চাপাইন রোডের তালতলা এলাকায় একটি বাড়িতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গালিব ইমতিয়াজ নাহিদসহ তিনজনকে আটক করা হয়। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তখন বলা হয়, নাহিদের কাছ থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ১৩টি দেশীয় অস্ত্র ও বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

নাহিদের মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে জাবি ছাত্রদলের মানববন্ধন

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
blank

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক শিক্ষার্থী, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গালিব ইমতিয়াজ নাহিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও তার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় শাখা ছাত্রদলের সাবেক নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন এলাকায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জাবি ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সাবেক ছাত্রদল নেতা সালাউদ্দিন (সাকা), ফেরদৌস আলম অপু, শরিফুল ইসলাম সাইফুল, নাজমুল হক ও মির বিটু; জাবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজমল হোসেন তমাল, সেলিম রেজা, শফিকুল ইসলাম শফিক, নাইমুল হাসান কৌশিক, মুহিবুল্লাহ মুহিব ও রফিকুল ইসলাম; সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম শামীম, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সদস্য বেনজির আহমেদ, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাহের উদ্দিন হীরা এবং ছাত্রদলের সদস্য জাহিদ হাসান, মো. হাসান, এস. এম. তানিম হাসান, মো. সাজ্জাদউল ইসলাম, পিয়াস আহম্মেদ শিশির, সিয়াম আহম্মেদ ও মাহাদী হাসান তরুসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সাবেক জাবি ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, “গালিব ইমতিয়াজ নাহিদের মতো ত্যাগী তরুণ নেতারাই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের প্রকৃত ধারক ও বাহক। এসব পরীক্ষিত নেতাকে রাজনৈতিকভাবে ধ্বংস কিংবা নেতৃত্ব থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারলেই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করা সম্ভব—এমন গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই তাঁকে হয়রানি করা হচ্ছে।”

ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সদস্য ও সাবেক জাবি ছাত্রদল নেতা বেনজির আহমেদ বলেন, “দেশের কোনো তরুণ জাতীয়তাবাদী নেতা যেন ভবিষ্যতে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার শিকার হয়ে কারাবরণ না করেন, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করতে হবে। একজন নিরপরাধ ও ত্যাগী রাজনৈতিক কর্মীর কারাবাস শুধু তাঁর ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ওপর আঘাত নয়; এটি ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র এবং রাজনৈতিক অধিকারের ওপরও আঘাত।”

ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম রেজা বলেন, “গালিব ইমতিয়াজ নাহিদ দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে রাজপথে থেকে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির সংগ্রাম এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক মামলার প্রতিবাদে তিনি সবসময় রাজপথে ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটি কঠিন সময়ে তিনি দল ও আদর্শের প্রতি অবিচল থেকেছেন।”

মানববন্ধন থেকে বক্তারা গালিব ইমতিয়াজ নাহিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার এবং তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণারও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

উল্লেখ্য, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সাভারের চাপাইন রোডের তালতলা এলাকায় একটি বাড়িতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গালিব ইমতিয়াজ নাহিদসহ তিনজনকে আটক করা হয়। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তখন বলা হয়, নাহিদের কাছ থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ১৩টি দেশীয় অস্ত্র ও বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।