ঢাকা শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

blank

নাটোরের গুরুদাসপুরে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে (১৫) অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফিরোজুল ইসলাম ফিরোজ (৪৮) কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল।

 

মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মহিদুজ্জামান মুহিত এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অপহরণের ঘটনায় পৃথক ধারায় আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

সরকারি কৌঁসুলি মুন্সি আবুল কালাম আজাদ জানান, ২০২২ সালের ১ অক্টোবর এসএসসি’র ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে বিদ্যালয়ে এসে ওই শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের ফটকের সামনে থেকে অপহরণ করেন শিক্ষক ফিরোজ। পরে রাজশাহীর একটি হোটেলে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পিতা বাদী হয়ে মামলা করেন। পরবর্তীতে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে গাজীপুর থেকে শিক্ষক ফিরোজকে গ্রেপ্তার করে।

 

রায় ঘোষণার পর নির্যাতিত শিক্ষার্থীর পরিবার ও এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, দীর্ঘ তিন বছর হুমকি ও প্রলোভনের মধ্যেও ন্যায়বিচারের আশায় মামলা চালিয়ে গেছেন তারা। অবশেষে আদালতের রায়ে তারা স্বস্তি পেয়েছেন।

blank

বড়াইগ্রামে পাওয়ার গ্রিড উপকেন্দ্রে ডাকাতি: ১৩ ডাকাত গ্রেপ্তার, কোটি টাকার সরঞ্জাম উদ্ধার

ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৭:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
blank

নাটোরের গুরুদাসপুরে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে (১৫) অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফিরোজুল ইসলাম ফিরোজ (৪৮) কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল।

 

মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মহিদুজ্জামান মুহিত এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অপহরণের ঘটনায় পৃথক ধারায় আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

সরকারি কৌঁসুলি মুন্সি আবুল কালাম আজাদ জানান, ২০২২ সালের ১ অক্টোবর এসএসসি’র ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে বিদ্যালয়ে এসে ওই শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের ফটকের সামনে থেকে অপহরণ করেন শিক্ষক ফিরোজ। পরে রাজশাহীর একটি হোটেলে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পিতা বাদী হয়ে মামলা করেন। পরবর্তীতে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে গাজীপুর থেকে শিক্ষক ফিরোজকে গ্রেপ্তার করে।

 

রায় ঘোষণার পর নির্যাতিত শিক্ষার্থীর পরিবার ও এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, দীর্ঘ তিন বছর হুমকি ও প্রলোভনের মধ্যেও ন্যায়বিচারের আশায় মামলা চালিয়ে গেছেন তারা। অবশেষে আদালতের রায়ে তারা স্বস্তি পেয়েছেন।