ঢাকা বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজায় তাঁবুতে বসবাস করছেন ৮ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
  • 17
blank

গাজা উপত্যকাজুড়ে ২১ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি অত্যন্ত মানবেতর পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের মধ্যে ৮ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি মানুষ বসবাসের অনুপযোগী অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নিয়েছেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) গাজার সরকারি তথ্য দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

শীতকাল ঘনিয়ে আসায় তাঁবুতে থাকা এসব মানুষের মধ্যে নতুন করে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাদের মধ্যে ৫ লাখের বেশি শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

গাজার সরকারি তথ্য দপ্তর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে আবহাওয়া প্রতিরোধী তাঁবু, অন্তরণ সামগ্রী, ক্রেন ও অন্যান্য আশ্রয় সরঞ্জাম গাজায় প্রবেশের সুযোগ দিতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টির দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পরিস্থিতি সংকটের চরম সীমায় পৌঁছেছে।’ পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপ অপসারণ, অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং সবচেয়ে অসহায় মানুষদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে গাজার বাসিন্দারা খাদ্য, পানি ও চিকিৎসাসেবার তীব্র সংকটে রয়েছেন বলে বিভিন্ন ত্রাণ সংস্থা সতর্ক করে আসছে।

গাজার তথ্য দপ্তরের পূর্ববর্তী তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে ইসরায়েলি বাহিনী গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করেছে। জাতিসংঘের হিসাবে, এসব ধ্বংসপ্রাপ্ত এলাকা পুনর্নির্মাণে আনুমানিক ৭০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।

জনপ্রিয় খবর
blank

বিয়ে বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

গাজায় তাঁবুতে বসবাস করছেন ৮ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি

প্রকাশের সময় : ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
blank

গাজা উপত্যকাজুড়ে ২১ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি অত্যন্ত মানবেতর পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের মধ্যে ৮ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি মানুষ বসবাসের অনুপযোগী অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নিয়েছেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) গাজার সরকারি তথ্য দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

শীতকাল ঘনিয়ে আসায় তাঁবুতে থাকা এসব মানুষের মধ্যে নতুন করে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাদের মধ্যে ৫ লাখের বেশি শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

গাজার সরকারি তথ্য দপ্তর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে আবহাওয়া প্রতিরোধী তাঁবু, অন্তরণ সামগ্রী, ক্রেন ও অন্যান্য আশ্রয় সরঞ্জাম গাজায় প্রবেশের সুযোগ দিতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টির দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পরিস্থিতি সংকটের চরম সীমায় পৌঁছেছে।’ পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপ অপসারণ, অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং সবচেয়ে অসহায় মানুষদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে গাজার বাসিন্দারা খাদ্য, পানি ও চিকিৎসাসেবার তীব্র সংকটে রয়েছেন বলে বিভিন্ন ত্রাণ সংস্থা সতর্ক করে আসছে।

গাজার তথ্য দপ্তরের পূর্ববর্তী তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে ইসরায়েলি বাহিনী গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করেছে। জাতিসংঘের হিসাবে, এসব ধ্বংসপ্রাপ্ত এলাকা পুনর্নির্মাণে আনুমানিক ৭০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।