ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে নেওয়া হলো ইউরেনিয়ামের দ্বিতীয় চালান

blank

কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়ামের দ্বিতীয় চালান পৌঁছেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জ্বালানিবাহী গাড়িবহর প্রকল্প এলাকায় প্রবেশ করে। এর আগে ৩ অক্টোবর প্রথম চালানটি রূপপুরে নেওয়া হয়।

এর আগে ২ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাশিয়া থেকে ভারত হয়ে বিশেষ কার্গো উড়োজাহাজে ইউরেনিয়ামের চালানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে তা প্রকল্প এলাকায় নেওয়া হয়।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে গত ১১ অক্টোবর পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হয়। এর আগে ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। কেন্দ্রটির চুল্লিতে তৃতীয় প্রজন্মের ভিভিইআর-১২০০ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরের শেষদিকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বর ও ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ৯টি ফ্লাইটে প্রথম ইউনিটের জন্য ৪৮টি এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বল দেশে আনার কথা রয়েছে। রাশিয়া থেকে কয়েকটি দেশ হয়ে এসব চালান বাংলাদেশে পৌঁছাবে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প। এর উৎপাদনক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। কেন্দ্রটি বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতির পর্যায়ে রয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলে দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি কমাতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্পটির মূল মেয়াদ ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। দুই দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে তা ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। বর্তমানে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। কেন্দ্রটির প্রাথমিক আয়ুষ্কাল ৬০ বছর, যা পরবর্তী সময়ে আরও ২০ থেকে ৩০ বছর বাড়ানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় খবর
blank

মাগুরায় গুলিতে যুবদল নেতাকে হত্যা, সড়ক অবরোধ

কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে নেওয়া হলো ইউরেনিয়ামের দ্বিতীয় চালান

প্রকাশের সময় : ২ ঘন্টা আগে
blank

কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়ামের দ্বিতীয় চালান পৌঁছেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জ্বালানিবাহী গাড়িবহর প্রকল্প এলাকায় প্রবেশ করে। এর আগে ৩ অক্টোবর প্রথম চালানটি রূপপুরে নেওয়া হয়।

এর আগে ২ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাশিয়া থেকে ভারত হয়ে বিশেষ কার্গো উড়োজাহাজে ইউরেনিয়ামের চালানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে তা প্রকল্প এলাকায় নেওয়া হয়।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে গত ১১ অক্টোবর পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হয়। এর আগে ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। কেন্দ্রটির চুল্লিতে তৃতীয় প্রজন্মের ভিভিইআর-১২০০ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরের শেষদিকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বর ও ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ৯টি ফ্লাইটে প্রথম ইউনিটের জন্য ৪৮টি এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বল দেশে আনার কথা রয়েছে। রাশিয়া থেকে কয়েকটি দেশ হয়ে এসব চালান বাংলাদেশে পৌঁছাবে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প। এর উৎপাদনক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। কেন্দ্রটি বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতির পর্যায়ে রয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলে দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি কমাতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্পটির মূল মেয়াদ ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। দুই দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে তা ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। বর্তমানে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। কেন্দ্রটির প্রাথমিক আয়ুষ্কাল ৬০ বছর, যা পরবর্তী সময়ে আরও ২০ থেকে ৩০ বছর বাড়ানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা।