ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়ায় পাম বাগানে বজ্রপাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবাসীর মৃত্যু

blank

মালয়েশিয়ায় পাম বাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মো. হিরন মিয়া (৪০) নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হিরন মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খাড়েরা ইউনিয়নের মনকাশাইর গ্রামের মৃত সামছুল হকের ছোট ছেলে। পরিবারের আর্থিক সংকট ও জীবিকার তাগিদে প্রায় তিন বছর আগে ঋণ করে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান তিনি। সেখানে একটি পাম তেল বাগানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।

নিহতের বড় ভাই মো. খোকন মিয়া জানান, সোমবার সন্ধ্যার দিকে পাম বাগানে কাজ করার সময় হিরন বজ্রপাতের শিকার হন। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। বর্তমানে তার মরদেহ দেশে আনার জন্য সহকর্মীরা প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া জানান, হিরন অনেক ঋণ করে কষ্টের মধ্যে বিদেশে গিয়েছিলেন। এর আগে তার ছোট মেয়ে নিহা মনিও মারা যায়। একের পর এক শোকাবহ ঘটনায় পরিবারটি এখন গভীর শোকের মধ্যে রয়েছে।

চার ভাইয়ের মধ্যে হিরন ছিলেন সবার ছোট। বিদেশ যাওয়ার আগে তিনি দেশে গাছ কাটার কাজ করতেন। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের বাবা। ছেলে ইকরাম হোসেন আমির দশম শ্রেণিতে, মেয়ে হিমু আক্তার ষষ্ঠ শ্রেণিতে এবং রিমু আক্তার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে।

হিরনের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার স্ত্রী হ্যাপি আক্তার। ৭৫ বছর বয়সী মা জাহানারা বেগম ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে বারবার মাটিতে লুটিয়ে পড়ছেন। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

blank

রাজের সঙ্গে বিয়ের সিদ্ধান্ত ‘ভুল’ ছিল না: পরীমণি

মালয়েশিয়ায় পাম বাগানে বজ্রপাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবাসীর মৃত্যু

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
blank

মালয়েশিয়ায় পাম বাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মো. হিরন মিয়া (৪০) নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হিরন মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খাড়েরা ইউনিয়নের মনকাশাইর গ্রামের মৃত সামছুল হকের ছোট ছেলে। পরিবারের আর্থিক সংকট ও জীবিকার তাগিদে প্রায় তিন বছর আগে ঋণ করে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান তিনি। সেখানে একটি পাম তেল বাগানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।

নিহতের বড় ভাই মো. খোকন মিয়া জানান, সোমবার সন্ধ্যার দিকে পাম বাগানে কাজ করার সময় হিরন বজ্রপাতের শিকার হন। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। বর্তমানে তার মরদেহ দেশে আনার জন্য সহকর্মীরা প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া জানান, হিরন অনেক ঋণ করে কষ্টের মধ্যে বিদেশে গিয়েছিলেন। এর আগে তার ছোট মেয়ে নিহা মনিও মারা যায়। একের পর এক শোকাবহ ঘটনায় পরিবারটি এখন গভীর শোকের মধ্যে রয়েছে।

চার ভাইয়ের মধ্যে হিরন ছিলেন সবার ছোট। বিদেশ যাওয়ার আগে তিনি দেশে গাছ কাটার কাজ করতেন। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের বাবা। ছেলে ইকরাম হোসেন আমির দশম শ্রেণিতে, মেয়ে হিমু আক্তার ষষ্ঠ শ্রেণিতে এবং রিমু আক্তার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে।

হিরনের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার স্ত্রী হ্যাপি আক্তার। ৭৫ বছর বয়সী মা জাহানারা বেগম ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে বারবার মাটিতে লুটিয়ে পড়ছেন। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।