ঢাকা রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেন আলফার বিক্ষোভে উত্তাল ভারত

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০২:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 15
blank

জেনারেশন জির বিক্ষোভের পর এবার শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবিতে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে রাজপথে নেমেছে জেন আলফা বা স্কুল শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের সমূহি ভাটপুরওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ১০টি রাজ্যের গ্রামীণ এলাকার শিক্ষার্থীরা জরাজীর্ণ স্কুল ভবন, শিক্ষক সংকট, বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানির অভাব এবং নিম্নমানের মধ্যাহ্নভোজনের প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন ও বিক্ষোভ করেছে।

সম্প্রতি প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বেকারত্বের অভিযোগে জেন জি-র নেতৃত্বে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের পর শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ধারাবাহিকতায় নতুন এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

গত ১৫ আগস্ট থেকে ‘স্কুল ঠিক করো’ কর্মসূচির মাধ্যমে সিজেপি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে।

শিক্ষাবিদ ও অধিকারকর্মীদের মতে, ২০০৯ সালের বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার আইন (আরটিই) থাকা সত্ত্বেও ভারতের বহু সরকারি বিদ্যালয়ে এখনো মৌলিক সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিশু ও তরুণ শিক্ষার্থীদের এই গণবিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। কারণ, এসব তরুণের একটি বড় অংশ ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে নতুন ভোটার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জেন আলফার বিক্ষোভে উত্তাল ভারত

প্রকাশের সময় : ০২:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
blank

জেনারেশন জির বিক্ষোভের পর এবার শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবিতে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে রাজপথে নেমেছে জেন আলফা বা স্কুল শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের সমূহি ভাটপুরওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ১০টি রাজ্যের গ্রামীণ এলাকার শিক্ষার্থীরা জরাজীর্ণ স্কুল ভবন, শিক্ষক সংকট, বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানির অভাব এবং নিম্নমানের মধ্যাহ্নভোজনের প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন ও বিক্ষোভ করেছে।

সম্প্রতি প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বেকারত্বের অভিযোগে জেন জি-র নেতৃত্বে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের পর শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ধারাবাহিকতায় নতুন এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

গত ১৫ আগস্ট থেকে ‘স্কুল ঠিক করো’ কর্মসূচির মাধ্যমে সিজেপি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে।

শিক্ষাবিদ ও অধিকারকর্মীদের মতে, ২০০৯ সালের বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার আইন (আরটিই) থাকা সত্ত্বেও ভারতের বহু সরকারি বিদ্যালয়ে এখনো মৌলিক সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিশু ও তরুণ শিক্ষার্থীদের এই গণবিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। কারণ, এসব তরুণের একটি বড় অংশ ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে নতুন ভোটার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।