ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
অর্থ পাচার, ব্যাংক ও ফোন হ্যাকিং

অবসরপ্রাপ্ত ডিজিএফআই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও সাইবার অপরাধের অভিযোগ

blank

অবসরপ্রাপ্ত ডিজিএফআই কর্মকর্তা মেজর (অব.) মোহাম্মদ আশরাফুল আবেদিন নওশাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, সাইবার অপরাধ, অর্থ পাচার এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি অতীতে দায়িত্ব পালনকালে অর্জিত প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আর্থিক সুবিধা আদায়সহ নানা অনিয়মে জড়িত ছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি একসময় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি)-এ কর্মরত ছিলেন। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, সে সময় ব্যবহৃত একটি ইন্টিগ্রেটেড লফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম (আইএলআইএস) ডিভাইসের অপব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

নিউইয়র্কে বসবাসকারী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বন্ধুর সাথে দেখা করতে গিয়ে নওশাদ সেই বন্ধুর এবং তার স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেন। বিষয়টি জানাজানি হবার পর ভুক্তভোগী পুলিশের শরণাপন্ন হন। এই অপরাধে তার বিরুদ্ধে এফবিআইয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র পুলিশও তাকে খুঁজছে বলেও তারা দাবি করেন। যুক্তরাষ্ট্রে মোহাম্মদ আশরাফুল আবেদিন নওশাদের করা প্রতারণামূলক কার্যকলাপ সম্পর্কে বাংলাদেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসকে জানানো হয়েছে ।

আরও অভিযোগ রয়েছে, তিনি অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন এবং বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে হিসাব খুলেছেন।

অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, বর্তমানে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। কেউ বলছেন তিনি বিদেশে অবস্থান করছেন, আবার অন্য একটি সূত্রের দাবি তিনি বাংলাদেশেই রয়েছেন। তবে তার বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

তার অবস্থান সম্পর্কে জানতে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে বনানীর একটি ঠিকানায় যোগাযোগ করা হলেও সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের মাধ্যমে পাওয়া দুটি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেগুলো বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে মোহাম্মদ আশরাফুল আবেদিন নওশাদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় খবর

অর্থ পাচার, ব্যাংক ও ফোন হ্যাকিং

অবসরপ্রাপ্ত ডিজিএফআই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও সাইবার অপরাধের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
blank

অবসরপ্রাপ্ত ডিজিএফআই কর্মকর্তা মেজর (অব.) মোহাম্মদ আশরাফুল আবেদিন নওশাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, সাইবার অপরাধ, অর্থ পাচার এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি অতীতে দায়িত্ব পালনকালে অর্জিত প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আর্থিক সুবিধা আদায়সহ নানা অনিয়মে জড়িত ছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি একসময় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি)-এ কর্মরত ছিলেন। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, সে সময় ব্যবহৃত একটি ইন্টিগ্রেটেড লফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম (আইএলআইএস) ডিভাইসের অপব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

নিউইয়র্কে বসবাসকারী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বন্ধুর সাথে দেখা করতে গিয়ে নওশাদ সেই বন্ধুর এবং তার স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেন। বিষয়টি জানাজানি হবার পর ভুক্তভোগী পুলিশের শরণাপন্ন হন। এই অপরাধে তার বিরুদ্ধে এফবিআইয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র পুলিশও তাকে খুঁজছে বলেও তারা দাবি করেন। যুক্তরাষ্ট্রে মোহাম্মদ আশরাফুল আবেদিন নওশাদের করা প্রতারণামূলক কার্যকলাপ সম্পর্কে বাংলাদেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসকে জানানো হয়েছে ।

আরও অভিযোগ রয়েছে, তিনি অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন এবং বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে হিসাব খুলেছেন।

অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, বর্তমানে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। কেউ বলছেন তিনি বিদেশে অবস্থান করছেন, আবার অন্য একটি সূত্রের দাবি তিনি বাংলাদেশেই রয়েছেন। তবে তার বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

তার অবস্থান সম্পর্কে জানতে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে বনানীর একটি ঠিকানায় যোগাযোগ করা হলেও সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের মাধ্যমে পাওয়া দুটি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেগুলো বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে মোহাম্মদ আশরাফুল আবেদিন নওশাদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।