ঢাকা বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই শর্তে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিল ইরান

blank

দীর্ঘ উত্তেজনার পর অবশেষে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। তবে এই জলপথ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে দুটি কঠোর শর্ত মেনে চলতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।

আইআরজিসি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরান ও লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রেক্ষিতে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি বাণিজ্যিক চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই সুযোগ শুধুমাত্র বেসামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য। কোনো ধরনের সামরিক জাহাজ এই জলপথ দিয়ে চলাচল করতে পারবে না।

বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের দুটি শর্ত হলো:

  • নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ: বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে কেবল প্রণালির পূর্বনির্ধারিত রুট বা লেন ব্যবহার করেই যাতায়াত করতে হবে।

  • আইআরজিসি-র অনুমতি: এই জলপথ অতিক্রম করার আগে অবশ্যই আইআরজিসি নৌবাহিনীর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমতি নিতে হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই জলপথে অন্তত ১৯টি বেসামরিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলা ও উত্তেজনার জেরে এই ব্যস্ততম রুটটি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছিল। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র যেন শক্তি প্রয়োগ করে এই পথ উন্মুক্ত করতে না পারে, সেজন্য ইরান সেখানে নৌ-মাইন স্থাপন করেছিল।

গত ৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর প্রণালিটি খোলার গুঞ্জন ওঠে। তবে লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসন অব্যাহত থাকায় তখন ইরান এই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসে। অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য প্রণালিটি খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেন।

blank

বাংলাদেশ-কোরিয়া শিক্ষায় সুংসিল ও অতীশ দীপঙ্করের সমঝোতা

দুই শর্তে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিল ইরান

প্রকাশের সময় : ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
blank

দীর্ঘ উত্তেজনার পর অবশেষে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। তবে এই জলপথ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে দুটি কঠোর শর্ত মেনে চলতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।

আইআরজিসি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরান ও লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রেক্ষিতে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি বাণিজ্যিক চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই সুযোগ শুধুমাত্র বেসামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য। কোনো ধরনের সামরিক জাহাজ এই জলপথ দিয়ে চলাচল করতে পারবে না।

বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের দুটি শর্ত হলো:

  • নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ: বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে কেবল প্রণালির পূর্বনির্ধারিত রুট বা লেন ব্যবহার করেই যাতায়াত করতে হবে।

  • আইআরজিসি-র অনুমতি: এই জলপথ অতিক্রম করার আগে অবশ্যই আইআরজিসি নৌবাহিনীর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমতি নিতে হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই জলপথে অন্তত ১৯টি বেসামরিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলা ও উত্তেজনার জেরে এই ব্যস্ততম রুটটি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছিল। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র যেন শক্তি প্রয়োগ করে এই পথ উন্মুক্ত করতে না পারে, সেজন্য ইরান সেখানে নৌ-মাইন স্থাপন করেছিল।

গত ৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর প্রণালিটি খোলার গুঞ্জন ওঠে। তবে লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসন অব্যাহত থাকায় তখন ইরান এই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসে। অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য প্রণালিটি খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেন।