ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শরীয়তপুরে খেলনা বল মনে করে ককটেল হাতে নিল কিশোর, মাটিতে ফেলতেই বিস্ফোরণ

blank

শরীয়তপুরের জাজিরায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকা কসটেপে মোড়ানো একটি ককটেলকে খেলনা বল মনে করে হাতে তুলে নেওয়ার পর মাটিতে ফেলে দিলে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মো. কামরুল (১৪) নামে এক কিশোর গুরুতর আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানাধীন পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের ফেদুল্লা বেপারী কান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত কামরুল ওই এলাকার রাজ্জাক বেপারীর ছেলে। বিস্ফোরণে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। পরে স্বজনরা তাকে ঢাকায় নিয়ে যান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্কুলে যাওয়ার পথে জুনায়েদ রাস্তার পাশে কসটেপ দিয়ে মোড়ানো একটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখে সেটিকে খেলনা বল মনে করে হাতে তুলে নেয়। বিষয়টি দেখে তার সহপাঠী কামরুল তার হাতে থাকা বস্তুটি সম্পর্কে জানতে চায়। পরে তারা দুজন বিষয়টি জুনায়েদের দাদি নাসিমা বেগমকে দেখায়। তিনি সেটিকে ককটেল বলে শনাক্ত করেন।

এতে আতঙ্কিত হয়ে জুনায়েদ ককটেলটি হাত থেকে মাটিতে ফেলে দেয়। মাটিতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে সেটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় কাছাকাছি অবস্থান করায় কামরুল গুরুতর আহত হয়।

বিস্ফোরণের খবর পেয়ে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তার পাশে অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকা আরও দুটি ককটেল উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে আরও কোনো ককটেল বা বিস্ফোরক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এদিকে বসতবাড়ির কাছাকাছি এলাকায় ককটেল পড়ে থাকা এবং বিস্ফোরণে এক কিশোর আহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুজ্জামান জানান, ককটেল বিস্ফোরণে এক কিশোর আহত হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে রাস্তার পাশে অরক্ষিত অবস্থায় আরও দুটি ককটেল পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে আরও কোনো বিস্ফোরক রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, আহত কিশোরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

নাটোরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

শরীয়তপুরে খেলনা বল মনে করে ককটেল হাতে নিল কিশোর, মাটিতে ফেলতেই বিস্ফোরণ

প্রকাশের সময় : ১২ ঘন্টা আগে
blank

শরীয়তপুরের জাজিরায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকা কসটেপে মোড়ানো একটি ককটেলকে খেলনা বল মনে করে হাতে তুলে নেওয়ার পর মাটিতে ফেলে দিলে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মো. কামরুল (১৪) নামে এক কিশোর গুরুতর আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানাধীন পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের ফেদুল্লা বেপারী কান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত কামরুল ওই এলাকার রাজ্জাক বেপারীর ছেলে। বিস্ফোরণে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। পরে স্বজনরা তাকে ঢাকায় নিয়ে যান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্কুলে যাওয়ার পথে জুনায়েদ রাস্তার পাশে কসটেপ দিয়ে মোড়ানো একটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখে সেটিকে খেলনা বল মনে করে হাতে তুলে নেয়। বিষয়টি দেখে তার সহপাঠী কামরুল তার হাতে থাকা বস্তুটি সম্পর্কে জানতে চায়। পরে তারা দুজন বিষয়টি জুনায়েদের দাদি নাসিমা বেগমকে দেখায়। তিনি সেটিকে ককটেল বলে শনাক্ত করেন।

এতে আতঙ্কিত হয়ে জুনায়েদ ককটেলটি হাত থেকে মাটিতে ফেলে দেয়। মাটিতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে সেটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় কাছাকাছি অবস্থান করায় কামরুল গুরুতর আহত হয়।

বিস্ফোরণের খবর পেয়ে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তার পাশে অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকা আরও দুটি ককটেল উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে আরও কোনো ককটেল বা বিস্ফোরক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এদিকে বসতবাড়ির কাছাকাছি এলাকায় ককটেল পড়ে থাকা এবং বিস্ফোরণে এক কিশোর আহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুজ্জামান জানান, ককটেল বিস্ফোরণে এক কিশোর আহত হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে রাস্তার পাশে অরক্ষিত অবস্থায় আরও দুটি ককটেল পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে আরও কোনো বিস্ফোরক রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, আহত কিশোরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।