ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘বিদেশি পাত্র’ পেয়ে চলছিল কিশোরীর বিয়ের আয়োজন, বন্ধ করল প্রশাসন

blank

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। এ ঘটনায় বাল্যবিবাহ দেওয়ার অপরাধে কিশোরীর বাবাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গতকাল রোববার বিকেলে মেঘনা উপজেলার একটি গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিয়ে বন্ধ ও জরিমানা আদায় করা হয়। আদালতের নেতৃত্ব দেন মেঘনা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃতা শারলীন। অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার এবং মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃতা শারলীন প্রথম আলোকে বলেন, কিশোরীর বাবা একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন। বিদেশি পাত্র পাওয়ায় কিশোরীকে বিয়েতে রাজি করানো হয়েছিল। পরিবারের সবার সম্মতিতে বিয়ের আয়োজন চলছিল। এ সময় স্থানীয় এক বাসিন্দা মুঠোফোনে উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা খাদিজা আক্তারকে বিষয়টি জানান। পরে খাদিজা আক্তার বিষয়টি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করেন।

খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ ও মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাল্যবিবাহ দেওয়ার অপরাধে কিশোরীর বাবাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও বলেন, কিশোরীকে আগে থেকেই বিয়েতে রাজি করানো হয়েছিল। এ কারণে সে বিয়েতে অসম্মতির কথা প্রশাসনকে জানায়নি বা জানাতে চায়নি। তার লেখাপড়া সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে জন্মনিবন্ধন সনদ অনুযায়ী, তার বয়স ১৫ বছর।

তিনি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

জনপ্রিয় খবর
blank

আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, পদত্যাগের ঘোষণায় ইশরাক

‘বিদেশি পাত্র’ পেয়ে চলছিল কিশোরীর বিয়ের আয়োজন, বন্ধ করল প্রশাসন

প্রকাশের সময় : ৬০ মিনিট আগে
blank

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। এ ঘটনায় বাল্যবিবাহ দেওয়ার অপরাধে কিশোরীর বাবাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গতকাল রোববার বিকেলে মেঘনা উপজেলার একটি গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিয়ে বন্ধ ও জরিমানা আদায় করা হয়। আদালতের নেতৃত্ব দেন মেঘনা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃতা শারলীন। অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার এবং মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃতা শারলীন প্রথম আলোকে বলেন, কিশোরীর বাবা একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন। বিদেশি পাত্র পাওয়ায় কিশোরীকে বিয়েতে রাজি করানো হয়েছিল। পরিবারের সবার সম্মতিতে বিয়ের আয়োজন চলছিল। এ সময় স্থানীয় এক বাসিন্দা মুঠোফোনে উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা খাদিজা আক্তারকে বিষয়টি জানান। পরে খাদিজা আক্তার বিষয়টি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করেন।

খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ ও মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাল্যবিবাহ দেওয়ার অপরাধে কিশোরীর বাবাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও বলেন, কিশোরীকে আগে থেকেই বিয়েতে রাজি করানো হয়েছিল। এ কারণে সে বিয়েতে অসম্মতির কথা প্রশাসনকে জানায়নি বা জানাতে চায়নি। তার লেখাপড়া সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে জন্মনিবন্ধন সনদ অনুযায়ী, তার বয়স ১৫ বছর।

তিনি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।