ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৃহত্তর রাজশাহী সমিতির উদ্যোগে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছয় সচিবকে সংবর্ধনা

blank

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজশাহী বিভাগের পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছয় কৃতি সচিবকে সংবর্ধনা ও স্মারক সম্মাননা প্রদান করেছে বৃহত্তর রাজশাহী সমিতি, ঢাকা। বুধবার (১৪ অক্টোবর)  রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি।

বৃহত্তর রাজশাহী সমিতি, ঢাকার সভাপতি ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সমিতির সদস্য এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেন, রাজশাহী বিভাগের কৃতি কর্মকর্তাদের সচিব পদে পদোন্নতি তাঁদের ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি বৃহত্তর রাজশাহীবাসীর জন্যও গর্বের বিষয়। দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে সচিবদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি সংবর্ধিত সচিবদের সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দেশের সামগ্রিক কল্যাণের পাশাপাশি বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে বিশেষ অবদান রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার একটি সমৃদ্ধ, আধুনিক ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় ডিজিটাল ভূমিসেবা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে নিরলসভাবে কাজ করা হচ্ছে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সৎ, দক্ষ ও কর্মঠ কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রাজশাহী অঞ্চলের ঐতিহ্য ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর রাজশাহী বরাবরই মেধা, মনন, শিক্ষা ও সংস্কৃতির উর্বর ক্ষেত্র। দেশের প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের মানুষ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পদোন্নতিপ্রাপ্ত সচিবেরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণের পাশাপাশি রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন।

রাজশাহী নগরীর উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রসঙ্গে ভূমিমন্ত্রী বলেন, শহরের সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়ন অব্যাহত রাখতে বিভিন্ন মেয়াদে মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ, ছয়টি আপ-ডাউন ট্রেন লাইন, চার লেনের সড়ক, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল এবং ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালের কার্যক্রম দ্রুত শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছয় সচিবকে সম্মাননা ও সংবর্ধনা স্মারক প্রদান করা হয়। সংবর্ধিত অতিথিরা হলেন—রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জন বিভাগের সচিব এ.জে.এম. সালাহউদ্দিন নাগরী, বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর (সচিব) ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল আলম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম, দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ.কে.এম. বেনজামিন রিয়াজী।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাজশাহী জেলা সমিতি, ঢাকার সাধারণ সম্পাদক ও অতিরিক্ত ডিআইজি আহম্মদ মুঈদ। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বৃহত্তর রাজশাহী সমিতি, ঢাকার সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার আবুল কাসেম।

জনপ্রিয় খবর
blank

বৃহত্তর রাজশাহী সমিতির উদ্যোগে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছয় সচিবকে সংবর্ধনা

বৃহত্তর রাজশাহী সমিতির উদ্যোগে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছয় সচিবকে সংবর্ধনা

প্রকাশের সময় : ১৫ মিনিট আগে
blank

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজশাহী বিভাগের পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছয় কৃতি সচিবকে সংবর্ধনা ও স্মারক সম্মাননা প্রদান করেছে বৃহত্তর রাজশাহী সমিতি, ঢাকা। বুধবার (১৪ অক্টোবর)  রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি।

বৃহত্তর রাজশাহী সমিতি, ঢাকার সভাপতি ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সমিতির সদস্য এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেন, রাজশাহী বিভাগের কৃতি কর্মকর্তাদের সচিব পদে পদোন্নতি তাঁদের ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি বৃহত্তর রাজশাহীবাসীর জন্যও গর্বের বিষয়। দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে সচিবদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি সংবর্ধিত সচিবদের সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দেশের সামগ্রিক কল্যাণের পাশাপাশি বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে বিশেষ অবদান রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার একটি সমৃদ্ধ, আধুনিক ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় ডিজিটাল ভূমিসেবা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে নিরলসভাবে কাজ করা হচ্ছে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সৎ, দক্ষ ও কর্মঠ কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রাজশাহী অঞ্চলের ঐতিহ্য ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর রাজশাহী বরাবরই মেধা, মনন, শিক্ষা ও সংস্কৃতির উর্বর ক্ষেত্র। দেশের প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের মানুষ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পদোন্নতিপ্রাপ্ত সচিবেরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণের পাশাপাশি রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন।

রাজশাহী নগরীর উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রসঙ্গে ভূমিমন্ত্রী বলেন, শহরের সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়ন অব্যাহত রাখতে বিভিন্ন মেয়াদে মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ, ছয়টি আপ-ডাউন ট্রেন লাইন, চার লেনের সড়ক, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল এবং ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালের কার্যক্রম দ্রুত শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছয় সচিবকে সম্মাননা ও সংবর্ধনা স্মারক প্রদান করা হয়। সংবর্ধিত অতিথিরা হলেন—রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জন বিভাগের সচিব এ.জে.এম. সালাহউদ্দিন নাগরী, বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর (সচিব) ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল আলম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম, দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ.কে.এম. বেনজামিন রিয়াজী।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাজশাহী জেলা সমিতি, ঢাকার সাধারণ সম্পাদক ও অতিরিক্ত ডিআইজি আহম্মদ মুঈদ। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বৃহত্তর রাজশাহী সমিতি, ঢাকার সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার আবুল কাসেম।