ঢাকা রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবা-মা অনলাইন গেম বন্ধ করায় একসঙ্গে ৩ বোনের আত্মহত্যা!

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 127
blank

বাবা-মা অনলাইন গেমিং নিষিদ্ধ করায় নিজেদের অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের ৯ তলা থেকে তিন বোন একসঙ্গে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছে। 

 

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদের আবাসিক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

 

নিহত কিশোরীরা হলো- পাখি (১২), প্রাচী (১৪) এবং বিশিকা (১৬)। কাছাকাছি বয়সী তিন বোন গোসল, খাওয়া, স্কুলে যাওয়া, ঘুমানো এবং অন্যান্য দৈনন্দিন কাজকর্মসহ সবকিছু একসঙ্গে করতেন বলে জানিয়েছে তাদের পরিবার।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কোভিড-১৯ মহামারীর সময় তারা অনলাইন গেমের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন। তারা অনলাইন টাস্ক-ভিত্তিক একটি ‘কোরিয়ান লাভ গেম’ খেলতেন বলে জানা গেছে। তারা স্কুলে অনিয়মিত হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তারা স্কুলে যাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়।

 

পুলিশের ভাষ্যমতে, তারা নিয়মিত স্কুলে যেতেন না। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় খবর
blank

বৃদ্ধ মা-বাবাকে ভিটেবাড়ি থেকে উচ্ছেদ ও মারধরের প্রতিবাদ করায় ববি শিক্ষার্থীর ওপরে হামলা

বাবা-মা অনলাইন গেম বন্ধ করায় একসঙ্গে ৩ বোনের আত্মহত্যা!

প্রকাশের সময় : ০৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
blank

বাবা-মা অনলাইন গেমিং নিষিদ্ধ করায় নিজেদের অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের ৯ তলা থেকে তিন বোন একসঙ্গে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছে। 

 

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদের আবাসিক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

 

নিহত কিশোরীরা হলো- পাখি (১২), প্রাচী (১৪) এবং বিশিকা (১৬)। কাছাকাছি বয়সী তিন বোন গোসল, খাওয়া, স্কুলে যাওয়া, ঘুমানো এবং অন্যান্য দৈনন্দিন কাজকর্মসহ সবকিছু একসঙ্গে করতেন বলে জানিয়েছে তাদের পরিবার।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কোভিড-১৯ মহামারীর সময় তারা অনলাইন গেমের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন। তারা অনলাইন টাস্ক-ভিত্তিক একটি ‘কোরিয়ান লাভ গেম’ খেলতেন বলে জানা গেছে। তারা স্কুলে অনিয়মিত হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তারা স্কুলে যাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়।

 

পুলিশের ভাষ্যমতে, তারা নিয়মিত স্কুলে যেতেন না। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন।