ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ২২

blank

আফগানিস্তানের হেলমান্দ ও কুনার প্রদেশে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোপন আস্তানা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র লক্ষ্য করে পৃথক দুটি স্থানে চালানো ওই হামলায় প্রাথমিকভাবে ২২ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। হামলায় অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুতও ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হামলাগুলো পরিকল্পিতভাবে পরিচালনা করা হয় এবং এতে বেসামরিক হতাহত এড়াতে সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

এর আগে বুধবার রাতে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার দাবি করে, হেলমান্দ ও কুনার প্রদেশে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত নয়জন নিহত এবং আরও ১১ জন আহত হয়েছেন। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, হামলায় তিনটি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মুজাহিদ হামলার নিন্দা জানিয়ে এটিকে আগ্রাসন এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন। আফগান কর্তৃপক্ষের দাবি, হামলার কয়েকটি স্থানে বেসামরিক বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত কয়েক মাস তুলনামূলক শান্ত থাকার পর সাম্প্রতিক সময়ে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বেড়েছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে অবস্থানকারী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। বিশেষ করে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)সহ বিভিন্ন গোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ করে আসছে ইসলামাবাদ। তালেবান সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

সাম্প্রতিক হামলায় হতাহতের সংখ্যা নিয়েও দুই দেশের বক্তব্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। পাকিস্তান ২২ সশস্ত্র যোদ্ধা নিহতের দাবি করলেও আফগানিস্তান বলছে, হামলায় নারী ও শিশুসহ নয়জন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, উভয় পক্ষের এসব দাবি এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

blank

পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ২২

পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ২২

প্রকাশের সময় : ৩ মিনিট আগে
blank

আফগানিস্তানের হেলমান্দ ও কুনার প্রদেশে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোপন আস্তানা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র লক্ষ্য করে পৃথক দুটি স্থানে চালানো ওই হামলায় প্রাথমিকভাবে ২২ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। হামলায় অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুতও ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হামলাগুলো পরিকল্পিতভাবে পরিচালনা করা হয় এবং এতে বেসামরিক হতাহত এড়াতে সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

এর আগে বুধবার রাতে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার দাবি করে, হেলমান্দ ও কুনার প্রদেশে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত নয়জন নিহত এবং আরও ১১ জন আহত হয়েছেন। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, হামলায় তিনটি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মুজাহিদ হামলার নিন্দা জানিয়ে এটিকে আগ্রাসন এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন। আফগান কর্তৃপক্ষের দাবি, হামলার কয়েকটি স্থানে বেসামরিক বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত কয়েক মাস তুলনামূলক শান্ত থাকার পর সাম্প্রতিক সময়ে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বেড়েছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে অবস্থানকারী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। বিশেষ করে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)সহ বিভিন্ন গোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ করে আসছে ইসলামাবাদ। তালেবান সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

সাম্প্রতিক হামলায় হতাহতের সংখ্যা নিয়েও দুই দেশের বক্তব্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। পাকিস্তান ২২ সশস্ত্র যোদ্ধা নিহতের দাবি করলেও আফগানিস্তান বলছে, হামলায় নারী ও শিশুসহ নয়জন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, উভয় পক্ষের এসব দাবি এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।