ঢাকা বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কামাল দিয়ে শুরু হবেঃ প্রেস সচিব

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৩:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • 122
blank

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং জুলাই গণহত্যায় অভিযুক্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার মুখোমুখি করা হবে বলে আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি। ভারত ইতোমধ্যেই জানিয়েছে, জুলাই গণহত্যার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য তারা আমাদের অনুরোধ পরীক্ষা করছে।

পাশাপাশি ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে তার বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যার মামলায় হওয়া বিচারের রায় কার্যকর করা যাবে বলে আশা করছেন তিনি।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম লিখেছেন, শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং জুলাই গণহত্যায় অভিযুক্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার মুখোমুখি করা হবে বলে আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি। ভারত ইতোমধ্যেই জানিয়েছে, জুলাই গণহত্যার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য তারা আমাদের অনুরোধ পরীক্ষা করছে।

তিনি লিখেছেন, আমরা জানি হাসিনার জন্য শক্তিশালী সহানুভূতিশীল ব্যক্তিরা আছেন। তবুও, আমি ক্রমশ বিশ্বাসী হচ্ছি, ‘ঢাকার কসাই’ আসাদুজ্জামান খান কামালকে খুব শিগগিরই বিচারের মুখোমুখি করার জন্য বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা হবে। হাসিনার প্রায় ১৬ বছরের শাসনামলে সংঘটিত অপরাধের ওপর আরও আলোকপাত হওয়ার সাথে সাথে, গণহত্যা এবং জোরপূর্বক গুমের ঘটনায় কামালের ভূমিকা সম্ভবত বিশ্বব্যাপী মিডিয়ার মনোযোগ আকর্ষণ করবে।

প্রেস সচিব লিখেছেন, কামাল বা অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতারা যতই অর্থ ব্যয় করুক না কেন, জবাবদিহি থেকে চিরতরে পালানোর কোনো সুযোগ থাকবে না। আমরা যদি একটি জাতি হিসেবে জুলাই গণহত্যার শিকারদের জন্য এবং হাসিনার আমলে সংঘটিত সমস্ত মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং মনোনিবেশ করি, তাহলে দায়ীদের জন্য পরিণতি এড়ানো ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠবে।

উল্লেখ্য যে, ১৭ নভেম্বর জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যার মামলায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

 

জনপ্রিয় খবর
blank

পত্নীতলায় র‍্যাবের অভিযানে ১৪২ লিটার চোলাই মদসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

কামাল দিয়ে শুরু হবেঃ প্রেস সচিব

প্রকাশের সময় : ০৩:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
blank

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং জুলাই গণহত্যায় অভিযুক্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার মুখোমুখি করা হবে বলে আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি। ভারত ইতোমধ্যেই জানিয়েছে, জুলাই গণহত্যার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য তারা আমাদের অনুরোধ পরীক্ষা করছে।

পাশাপাশি ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে তার বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যার মামলায় হওয়া বিচারের রায় কার্যকর করা যাবে বলে আশা করছেন তিনি।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম লিখেছেন, শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং জুলাই গণহত্যায় অভিযুক্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার মুখোমুখি করা হবে বলে আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি। ভারত ইতোমধ্যেই জানিয়েছে, জুলাই গণহত্যার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য তারা আমাদের অনুরোধ পরীক্ষা করছে।

তিনি লিখেছেন, আমরা জানি হাসিনার জন্য শক্তিশালী সহানুভূতিশীল ব্যক্তিরা আছেন। তবুও, আমি ক্রমশ বিশ্বাসী হচ্ছি, ‘ঢাকার কসাই’ আসাদুজ্জামান খান কামালকে খুব শিগগিরই বিচারের মুখোমুখি করার জন্য বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা হবে। হাসিনার প্রায় ১৬ বছরের শাসনামলে সংঘটিত অপরাধের ওপর আরও আলোকপাত হওয়ার সাথে সাথে, গণহত্যা এবং জোরপূর্বক গুমের ঘটনায় কামালের ভূমিকা সম্ভবত বিশ্বব্যাপী মিডিয়ার মনোযোগ আকর্ষণ করবে।

প্রেস সচিব লিখেছেন, কামাল বা অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতারা যতই অর্থ ব্যয় করুক না কেন, জবাবদিহি থেকে চিরতরে পালানোর কোনো সুযোগ থাকবে না। আমরা যদি একটি জাতি হিসেবে জুলাই গণহত্যার শিকারদের জন্য এবং হাসিনার আমলে সংঘটিত সমস্ত মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং মনোনিবেশ করি, তাহলে দায়ীদের জন্য পরিণতি এড়ানো ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠবে।

উল্লেখ্য যে, ১৭ নভেম্বর জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যার মামলায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।