ঢাকা শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ শহীদ ডা. মিলন দিবস

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৮:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • 121
blank

আজ ২৭ নভেম্বর, শহীদ ডা. মিলন দিবস। ১৯৯০ সালের এই দিনে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সামনে গুলিতে নিহত হন চিকিৎসক নেতা শামসুল আলম খান মিলন। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম মহাসচিব মিলনের আত্মদানের মাধ্যমে সেদিনের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চারিত হয়। ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পতন ঘটে স্বৈরতন্ত্রের।

প্রতি বছরের মতো এবারো দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা আয়োজনে দিবসটি পালন করছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে ডা. মিলনের কবর জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ এবং বিশেষ দোয়া।

দিবসটি উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক বাণীতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে ডা. মিলনের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

গতকাল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের এক সাহসী সৈনিক ছিলেন। তার সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করেছিল। তার আত্মোৎসর্গের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ নয় বছরের এরশাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়।’

blank

বিশ্ব বদলানো ১০০ মুখ: প্রকাশ পেল ‘টাইম ১০০’ তালিকা

আজ শহীদ ডা. মিলন দিবস

প্রকাশের সময় : ০৮:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
blank

আজ ২৭ নভেম্বর, শহীদ ডা. মিলন দিবস। ১৯৯০ সালের এই দিনে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সামনে গুলিতে নিহত হন চিকিৎসক নেতা শামসুল আলম খান মিলন। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম মহাসচিব মিলনের আত্মদানের মাধ্যমে সেদিনের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চারিত হয়। ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পতন ঘটে স্বৈরতন্ত্রের।

প্রতি বছরের মতো এবারো দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা আয়োজনে দিবসটি পালন করছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে ডা. মিলনের কবর জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ এবং বিশেষ দোয়া।

দিবসটি উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক বাণীতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে ডা. মিলনের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

গতকাল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের এক সাহসী সৈনিক ছিলেন। তার সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করেছিল। তার আত্মোৎসর্গের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ নয় বছরের এরশাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়।’