ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার ঘটনায় ছোট ভাই ও ভাবীসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার

blank

নওগাঁর ধামইরহাটে হালিমা বেগম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর ছোট ভাই মজনু রহমান ও ভাবী হোসনে আরাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রশি ও ওড়নাও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত ২০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ধামইরহাট উপজেলার ছিলিমপুর (তালবোনা) গ্রামের বসতবাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে একটি বাঁশঝাড়ের পাশে ধানখেতের আইলে হালিমা বেগমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে তাঁকে হত্যার শিকার বলে ধারণা করে। তাঁর এক কানের লতি কাটা এবং অন্য কানের লতি ছেঁড়া ছিল।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে ধামইরহাট থানায় হত্যা মামলা করা হয়। পরে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে পত্নীতলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরিফুল ইসলাম ও ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়।

blank

তদন্তের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রথমে হালিমার ছোট ভাই মজনু রহমান (৫৬) ও তাঁর স্ত্রী হোসনে আরাকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে বস্তাবর গ্রামের রবিউল ইসলাম (৩৯) এবং ছিলিমপুর গ্রামের হামিদুর রহমান (৫৫) ও মোশারফ হোসেনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে হত্যার কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত বিষয়ে তদন্ত চলছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার ঘটনায় ছোট ভাই ও ভাবীসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার

নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার ঘটনায় ছোট ভাই ও ভাবীসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ২ ঘন্টা আগে
blank

নওগাঁর ধামইরহাটে হালিমা বেগম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর ছোট ভাই মজনু রহমান ও ভাবী হোসনে আরাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রশি ও ওড়নাও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত ২০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ধামইরহাট উপজেলার ছিলিমপুর (তালবোনা) গ্রামের বসতবাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে একটি বাঁশঝাড়ের পাশে ধানখেতের আইলে হালিমা বেগমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে তাঁকে হত্যার শিকার বলে ধারণা করে। তাঁর এক কানের লতি কাটা এবং অন্য কানের লতি ছেঁড়া ছিল।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে ধামইরহাট থানায় হত্যা মামলা করা হয়। পরে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে পত্নীতলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরিফুল ইসলাম ও ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়।

blank

তদন্তের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রথমে হালিমার ছোট ভাই মজনু রহমান (৫৬) ও তাঁর স্ত্রী হোসনে আরাকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে বস্তাবর গ্রামের রবিউল ইসলাম (৩৯) এবং ছিলিমপুর গ্রামের হামিদুর রহমান (৫৫) ও মোশারফ হোসেনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে হত্যার কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত বিষয়ে তদন্ত চলছে।