ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিন ঘণ্টা দেরিতে ট্রেন ছাড়ায় চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রীদের বিক্ষোভ

blank

নির্ধারিত সময়ে সিলেটের উদ্দেশে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ছেড়ে না যাওয়ায় চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে বিক্ষোভ করেছেন যাত্রীরা। বুধবার সকালে স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী বিক্ষোভ করেন। এ ছাড়া প্ল্যাটফর্মেও কয়েকজন যাত্রীকে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। প্রায় তিন ঘণ্টা বিলম্বের পর সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যায়।

যাত্রীদের অভিযোগ, পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন খুলে অন্য একটি ট্রেনে সংযুক্ত করা হয়। এতে নির্ধারিত সময়ে ট্রেনটি ছাড়তে পারেনি এবং কয়েক শ যাত্রী প্ল্যাটফর্মে আটকে পড়েন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ–সংক্রান্ত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে।

blank

রেলওয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইঞ্জিন-সংকটের কারণে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস প্রায়ই নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে পারছে না। সিলেট থেকে আসা ট্রেনের ইঞ্জিন প্রয়োজনীয় কাজ শেষে আবার সিলেটগামী ট্রেনে সংযুক্ত করতে হয়। এ কারণে ট্রেন ছাড়তে নিয়মিত বিলম্ব হচ্ছে।

রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের চট্টগ্রাম স্টেশন ছাড়ার নির্ধারিত সময় সকাল ৭টা ৫০ মিনিট। তবে বুধবার ট্রেনটি সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে যায়।

চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের মাস্টার আবু জাফর মজুমদার জানান, সিলেট থেকে আসা একটি ট্রেনের চট্টগ্রামে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় ছিল ভোর ৫টা ৩৫ মিনিট। কিন্তু ট্রেনটি প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছানোয় চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ছাড়তেও বিলম্ব হয়। ইঞ্জিন-সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার ঘটনায় ছোট ভাই ও ভাবীসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার

তিন ঘণ্টা দেরিতে ট্রেন ছাড়ায় চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রীদের বিক্ষোভ

প্রকাশের সময় : ২ ঘন্টা আগে
blank

নির্ধারিত সময়ে সিলেটের উদ্দেশে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ছেড়ে না যাওয়ায় চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে বিক্ষোভ করেছেন যাত্রীরা। বুধবার সকালে স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী বিক্ষোভ করেন। এ ছাড়া প্ল্যাটফর্মেও কয়েকজন যাত্রীকে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। প্রায় তিন ঘণ্টা বিলম্বের পর সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যায়।

যাত্রীদের অভিযোগ, পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন খুলে অন্য একটি ট্রেনে সংযুক্ত করা হয়। এতে নির্ধারিত সময়ে ট্রেনটি ছাড়তে পারেনি এবং কয়েক শ যাত্রী প্ল্যাটফর্মে আটকে পড়েন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ–সংক্রান্ত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে।

blank

রেলওয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইঞ্জিন-সংকটের কারণে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস প্রায়ই নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে পারছে না। সিলেট থেকে আসা ট্রেনের ইঞ্জিন প্রয়োজনীয় কাজ শেষে আবার সিলেটগামী ট্রেনে সংযুক্ত করতে হয়। এ কারণে ট্রেন ছাড়তে নিয়মিত বিলম্ব হচ্ছে।

রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের চট্টগ্রাম স্টেশন ছাড়ার নির্ধারিত সময় সকাল ৭টা ৫০ মিনিট। তবে বুধবার ট্রেনটি সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে যায়।

চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের মাস্টার আবু জাফর মজুমদার জানান, সিলেট থেকে আসা একটি ট্রেনের চট্টগ্রামে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় ছিল ভোর ৫টা ৩৫ মিনিট। কিন্তু ট্রেনটি প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছানোয় চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ছাড়তেও বিলম্ব হয়। ইঞ্জিন-সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।