ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা

‘ধর্ম যার যার-নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার, নিশ্চিন্তে দুর্গাপূজা উদযাপন করুন’

blank

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের হিন্দু সম্প্রদায় তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানাই।”

তিনি বলেন, হিন্দুধর্মমতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন এবং ভক্তদের কল্যাণ সাধনের পাশাপাশি শত্রুর বিনাশ ও সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের এই আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।

সরকারপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রতিটি গোষ্ঠী, গোত্র ও সম্প্রদায়ের নিজ নিজ ধর্ম ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে পালন করবেন। ধর্মীয় উৎসব পালন করা বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে একজন বাংলাদেশি হিসেবে বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র ও সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়ে ওঠে।

সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, মানবতার কল্যাণ সব ধর্মের অন্যতম প্রধান শিক্ষা। তাই নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ বহাল রাখা সবার জন্য জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই তাঁদের অঙ্গীকার।

সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করে তারেক রহমান বলেন, “ধর্ম যার যার—রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার—নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।”

তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারা দেশে উৎসবের আনন্দ উদ্‌যাপন করুন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আবারও শুভেচ্ছা জানান।

এর আগে, গতকাল সকালে মন্দিরে মন্দিরে কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজার মধ্য দিয়ে এবারের দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। বুধবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

জনপ্রিয় খবর
blank

দামুড়হুদায় ইউএনও লাভলী ইয়াসমিনের নেতৃত্বে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা

‘ধর্ম যার যার-নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার, নিশ্চিন্তে দুর্গাপূজা উদযাপন করুন’

প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে
blank

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের হিন্দু সম্প্রদায় তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানাই।”

তিনি বলেন, হিন্দুধর্মমতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন এবং ভক্তদের কল্যাণ সাধনের পাশাপাশি শত্রুর বিনাশ ও সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের এই আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।

সরকারপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রতিটি গোষ্ঠী, গোত্র ও সম্প্রদায়ের নিজ নিজ ধর্ম ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে পালন করবেন। ধর্মীয় উৎসব পালন করা বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে একজন বাংলাদেশি হিসেবে বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র ও সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়ে ওঠে।

সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, মানবতার কল্যাণ সব ধর্মের অন্যতম প্রধান শিক্ষা। তাই নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ বহাল রাখা সবার জন্য জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই তাঁদের অঙ্গীকার।

সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করে তারেক রহমান বলেন, “ধর্ম যার যার—রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার—নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।”

তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারা দেশে উৎসবের আনন্দ উদ্‌যাপন করুন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আবারও শুভেচ্ছা জানান।

এর আগে, গতকাল সকালে মন্দিরে মন্দিরে কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজার মধ্য দিয়ে এবারের দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। বুধবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।