সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার চরহামকুড়িয়া এলাকায় র্যাব-১২ এর পৃথক অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়।
র্যাব-১২, সদর কোম্পানী, সিরাজগঞ্জ সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৮ জুন ২০২৬) দুপুর ২টা ৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী একটি হলুদ রঙের পিকআপে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বহন করা হচ্ছে। সংবাদের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে র্যাবের একটি আভিযানিক দল তাড়াশ উপজেলার চরহামকুড়িয়া গ্রামের ৯ নম্বর সেতু সংলগ্ন ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে।
বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে সন্দেহভাজন চট্ট মেট্রো-ন-১১-০৮৯৪ নম্বরের একটি হলুদ রঙের পিকআপকে থামানোর সংকেত দেওয়া হয়। পরে গাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে পেছনের অংশে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বার থেকে স্কচটেপে মোড়ানো পাঁচটি বান্ডেল উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বান্ডেলে দুই কেজি করে মোট ১০ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়।
এ সময় পিকআপে থাকা আরবী মিয়া (৩৩), পিতা- মৃত আব্দুল খালেক, গ্রাম- গলগন্ডা, থানা- কোতোয়ালি, জেলা- ময়মনসিংহ এবং ফারুক (১৯), পিতা- আব্দুল কাদের, গ্রাম- খিলপাড়া, থানা- সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, উদ্ধার হওয়া গাঁজা জব্দ করার পাশাপাশি মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপটিও জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে র্যাব দাবি করেছে।
এ ঘটনায় র্যাব-১২, সদর কোম্পানীর পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যান) মো. শাহ আলম বাদী হয়ে তাড়াশ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১৯(খ)/৩৮/৪১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
র্যাব-১২ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবার নির্মূলে গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে।

রাশিদুল হাসান, তাড়াশ উপজেলা প্রতিনিধি 


















