ঢাকা শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একক এখতিয়ারে গোপনীয়তার সঙ্গে মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন তারেক রহমান

blank

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশের পর থেকেই সম্ভাব্য মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের নাম নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক তালিকা ভেসে বেড়াচ্ছে। এসব তালিকা ঘিরে চলছে আলোচনা, বিশ্লেষণ ও নানা জল্পনা। তবে বিএনপির সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, প্রকাশিত তালিকাগুলোর অধিকাংশই অনুমাননির্ভর, বাস্তবতার সঙ্গে এর মিল নেই।

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে মন্ত্রিসভার তালিকা চূড়ান্ত করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ বিষয়ে তিনি দলের স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ নেতার সঙ্গেও কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা করেননি। দু–একজন সিনিয়র নেতার সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক পরামর্শ হলেও তারা এ সিদ্ধান্ত এককভাবে নেওয়ার জন্য দলীয় চেয়ারম্যানকেই অনুরোধ জানিয়েছেন।

এর ফলে মন্ত্রিসভা গঠন প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি তারেক রহমানের নিয়ন্ত্রণেই থাকছে এবং বিষয়টি চরম গোপনীয়তায় রক্ষা করা হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলনির্বাচন কমিশন ঘোষিত ফল অনুযায়ী এখন পর্যন্ত দলটি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়েছে। দুটি আসনের ফল প্রকাশ স্থগিত রয়েছে এবং একটি আসনে নির্বাচন হয়নি। দীর্ঘ দুই দশক পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পথে হাঁটছে বিএনপি। ফলে আসন্ন মন্ত্রিসভায় কারা স্থান পাচ্ছেন—তা নিয়ে জনমনে আগ্রহ তুঙ্গে।

দলের নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো আরও জানায়, বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বড় একটি অংশই মন্ত্রী হওয়ার বিষয়ে আগ্রহী। অনেকেই নিজেকে যোগ্য মনে করে বিভিন্নভাবে তৎপরতা চালাচ্ছেন। কেউ কেউ নীরবে লবিং–তদবিরে ব্যস্ত থাকলেও সরাসরি তারেক রহমানের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার সাহস বা সুযোগ কারও নেই। বরং সিনিয়র নেতাদের মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন–সংগ্রামে ভূমিকা এবং অতীতের জেল–জুলুমের কথা তুলে ধরছেন তারা।

দলীয়ভাবে এটাও স্বীকার করা হচ্ছে যে, বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতা মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হবেন—এটি প্রায় নিশ্চিত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ–২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, “মন্ত্রিসভায় কারা আসছেন—এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমাকে এখনো ফোন দেওয়া হয়নি। ফোন দিলে তখন বলতে পারব।”
তিনি আরও বলেন, “গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব তালিকার কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো অনুমাননির্ভর বলেই মনে করি।”

সব মিলিয়ে বলা যায়, সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে চলমান আলোচনা যতই জোরালো হোক না কেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যে পুরোপুরি তারেক রহমানের হাতেই—সে বিষয়ে দলীয় অঙ্গনে আর তেমন কোনো সন্দেহ নেই।

blank

পারস্য উপসাগরে ইরানের অবরোধ: সংকটে ২ সহস্রাধিক জাহাজ ও ২০ হাজার নাবিক

একক এখতিয়ারে গোপনীয়তার সঙ্গে মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন তারেক রহমান

প্রকাশের সময় : ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
blank

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশের পর থেকেই সম্ভাব্য মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের নাম নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক তালিকা ভেসে বেড়াচ্ছে। এসব তালিকা ঘিরে চলছে আলোচনা, বিশ্লেষণ ও নানা জল্পনা। তবে বিএনপির সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, প্রকাশিত তালিকাগুলোর অধিকাংশই অনুমাননির্ভর, বাস্তবতার সঙ্গে এর মিল নেই।

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে মন্ত্রিসভার তালিকা চূড়ান্ত করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ বিষয়ে তিনি দলের স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ নেতার সঙ্গেও কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা করেননি। দু–একজন সিনিয়র নেতার সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক পরামর্শ হলেও তারা এ সিদ্ধান্ত এককভাবে নেওয়ার জন্য দলীয় চেয়ারম্যানকেই অনুরোধ জানিয়েছেন।

এর ফলে মন্ত্রিসভা গঠন প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি তারেক রহমানের নিয়ন্ত্রণেই থাকছে এবং বিষয়টি চরম গোপনীয়তায় রক্ষা করা হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলনির্বাচন কমিশন ঘোষিত ফল অনুযায়ী এখন পর্যন্ত দলটি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়েছে। দুটি আসনের ফল প্রকাশ স্থগিত রয়েছে এবং একটি আসনে নির্বাচন হয়নি। দীর্ঘ দুই দশক পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পথে হাঁটছে বিএনপি। ফলে আসন্ন মন্ত্রিসভায় কারা স্থান পাচ্ছেন—তা নিয়ে জনমনে আগ্রহ তুঙ্গে।

দলের নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো আরও জানায়, বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বড় একটি অংশই মন্ত্রী হওয়ার বিষয়ে আগ্রহী। অনেকেই নিজেকে যোগ্য মনে করে বিভিন্নভাবে তৎপরতা চালাচ্ছেন। কেউ কেউ নীরবে লবিং–তদবিরে ব্যস্ত থাকলেও সরাসরি তারেক রহমানের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার সাহস বা সুযোগ কারও নেই। বরং সিনিয়র নেতাদের মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন–সংগ্রামে ভূমিকা এবং অতীতের জেল–জুলুমের কথা তুলে ধরছেন তারা।

দলীয়ভাবে এটাও স্বীকার করা হচ্ছে যে, বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতা মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হবেন—এটি প্রায় নিশ্চিত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ–২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, “মন্ত্রিসভায় কারা আসছেন—এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমাকে এখনো ফোন দেওয়া হয়নি। ফোন দিলে তখন বলতে পারব।”
তিনি আরও বলেন, “গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব তালিকার কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো অনুমাননির্ভর বলেই মনে করি।”

সব মিলিয়ে বলা যায়, সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে চলমান আলোচনা যতই জোরালো হোক না কেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যে পুরোপুরি তারেক রহমানের হাতেই—সে বিষয়ে দলীয় অঙ্গনে আর তেমন কোনো সন্দেহ নেই।