ঢাকা সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেন্ডার পেলেও কাজ শুরু করেনি ঠিকাদার, দুর্ভোগে বিজয়নগরের মানুষ

blank

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা থেকে আখাউড়া এবং মির্জাপুর থেকে হরষপুর রাস্তাটি স্থানীয় সরকার বিভাগ সংস্কারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে,২৮ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ২৮ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে রাস্তাটি ৭জন ঠিকাদার কে দেওয়া হয়েছে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য,শুধু মাত্র ১জন টিকাদার তার দায়িত্বে থাকা কাজ শেষ করেছেন কিন্তু বাকী ৬জন টিকাদার কাজ শুরুই করেনি।

ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে পথচারী ও যাত্রীদের, তেমনি স্থবির হয়ে পড়েছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য। আগে যেখানে এই পথ পাড়ি দিতে এক ঘণ্টা লাগত, এখন লাগছে তিন থেকে ৪ঘণ্টা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও পণ্যবাহী পরিবহন।

এই রাস্তাটি দিয়ে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের চান্দুরা থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর,আখাউড়া থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর এবং চান্দুরা থেকে বিজয়নগর হয়ে জেলা শহরে যাতায়াত।
রাস্তায় অসংখ্য গর্ত বা খাদ তৈরি হয়েছে, যা যানবাহন চলাচল কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ,বিশেষ করে বৃষ্টি হলে পানি জমে পরিস্থিতি খারাপ হয় এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয়,স্কুল কলেজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী,অসুস্থ রোগীসহ প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে ৩থেকে ৪লাখ মানুষের যাতায়াত।

এর আগে ৫০লক্ষ টাকার বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয় রাস্তাটি সংস্কারের জন্য কিন্তু দৃশ্যমান কোনো কাজ না হওয়ায় স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তাসহ টিকাদারদের নিয়ে লেখালেখি করেন।

এবিষয়ে বিজয়নগর উপজেলার প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশিকুর রহমান ভূঁইয়া জানান,আমরা বার বার যোগাযোগ করছি,দ্রুত কাজ শুরু করবেন বলে টিকাদার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।আশা করি খুব শিগগিরই কাজ শেষ করবেন।

জনপ্রিয় খবর
blank

সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

টেন্ডার পেলেও কাজ শুরু করেনি ঠিকাদার, দুর্ভোগে বিজয়নগরের মানুষ

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
blank

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা থেকে আখাউড়া এবং মির্জাপুর থেকে হরষপুর রাস্তাটি স্থানীয় সরকার বিভাগ সংস্কারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে,২৮ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ২৮ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে রাস্তাটি ৭জন ঠিকাদার কে দেওয়া হয়েছে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য,শুধু মাত্র ১জন টিকাদার তার দায়িত্বে থাকা কাজ শেষ করেছেন কিন্তু বাকী ৬জন টিকাদার কাজ শুরুই করেনি।

ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে পথচারী ও যাত্রীদের, তেমনি স্থবির হয়ে পড়েছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য। আগে যেখানে এই পথ পাড়ি দিতে এক ঘণ্টা লাগত, এখন লাগছে তিন থেকে ৪ঘণ্টা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও পণ্যবাহী পরিবহন।

এই রাস্তাটি দিয়ে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের চান্দুরা থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর,আখাউড়া থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর এবং চান্দুরা থেকে বিজয়নগর হয়ে জেলা শহরে যাতায়াত।
রাস্তায় অসংখ্য গর্ত বা খাদ তৈরি হয়েছে, যা যানবাহন চলাচল কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ,বিশেষ করে বৃষ্টি হলে পানি জমে পরিস্থিতি খারাপ হয় এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয়,স্কুল কলেজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী,অসুস্থ রোগীসহ প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে ৩থেকে ৪লাখ মানুষের যাতায়াত।

এর আগে ৫০লক্ষ টাকার বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয় রাস্তাটি সংস্কারের জন্য কিন্তু দৃশ্যমান কোনো কাজ না হওয়ায় স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তাসহ টিকাদারদের নিয়ে লেখালেখি করেন।

এবিষয়ে বিজয়নগর উপজেলার প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশিকুর রহমান ভূঁইয়া জানান,আমরা বার বার যোগাযোগ করছি,দ্রুত কাজ শুরু করবেন বলে টিকাদার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।আশা করি খুব শিগগিরই কাজ শেষ করবেন।