ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে নারী-শিশুসহ আটজনের মৃত্যু

blank

কক্সবাজারের উখিয়ার তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টানা ভারী বৃষ্টির কারণে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এ দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/৬ ব্লকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, কয়েকদিনের টানা বর্ষণে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে পড়ায় গভীর রাতে হঠাৎ করেই পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে একাধিক বসতঘরের ওপর আছড়ে পড়ে। এতে ঘুমন্ত অবস্থায় অনেকেই মাটিচাপা পড়েন।

ঘটনার পরপরই ক্যাম্পজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে খবর পেয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট, ক্যাম্প প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান চালায়।

দীর্ঘ সময়ের চেষ্টার পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এক নারী ও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে হুমায়ারা বেগম ও আনাসের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। বাকি নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। একই পরিবারের আরও একজন সদস্য নিখোঁজ থাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার ডলার ত্রিপুরা জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা এখনও কাজ করছেন।

ক্যাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, টানা বর্ষণের কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে ভূমিধসের ঝুঁকি অনেক বেড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি দেখা দেয়। এ কারণে বাসিন্দাদের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, ক্যাম্প প্রশাসন ও রোহিঙ্গাদের সহযোগিতায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

blank

সম্মানী ভাতাভোগী ও সঞ্জীবন প্রকল্পের সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে নারী-শিশুসহ আটজনের মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
blank

কক্সবাজারের উখিয়ার তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টানা ভারী বৃষ্টির কারণে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এ দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/৬ ব্লকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, কয়েকদিনের টানা বর্ষণে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে পড়ায় গভীর রাতে হঠাৎ করেই পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে একাধিক বসতঘরের ওপর আছড়ে পড়ে। এতে ঘুমন্ত অবস্থায় অনেকেই মাটিচাপা পড়েন।

ঘটনার পরপরই ক্যাম্পজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে খবর পেয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট, ক্যাম্প প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান চালায়।

দীর্ঘ সময়ের চেষ্টার পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এক নারী ও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে হুমায়ারা বেগম ও আনাসের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। বাকি নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। একই পরিবারের আরও একজন সদস্য নিখোঁজ থাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার ডলার ত্রিপুরা জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা এখনও কাজ করছেন।

ক্যাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, টানা বর্ষণের কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে ভূমিধসের ঝুঁকি অনেক বেড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি দেখা দেয়। এ কারণে বাসিন্দাদের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, ক্যাম্প প্রশাসন ও রোহিঙ্গাদের সহযোগিতায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।