ঢাকা শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

blank

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হত্যাকাণ্ডের শিকার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে।

শনিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছে। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সময় বিমানবন্দরে বৃষ্টির পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে মরদেহটি মাদারীপুরের চরগোবিন্দপুর গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানে দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে বলে পরিবার জানিয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় ৯ মাস আগে পিএইচডি করতে যুক্তরাষ্ট্রে যান নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। গত ১৬ এপ্রিল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন ১৭ এপ্রিল তার এক বন্ধু বিষয়টি পরিবারকে জানালে স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা জানতে পারেন, বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।

বৃষ্টির মামা, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী চিকিৎসক ডা. মনিরুজ্জামান বলেন, “মরদেহ পুরোপুরি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের পর মরদেহ দেশে পাঠানো হয়েছে।”

এর আগে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহটি বাংলাদেশের উদ্দেশে পাঠানো হয়। মায়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল থোয়িং এ পুরো প্রক্রিয়া তদারকি করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ১ মে হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ’স অফিস বৃষ্টির মরদেহ শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে। এরপর ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মায়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করে।

গত বুধবার টাম্পা বে এলাকার একটি মসজিদে বৃষ্টির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন।

জনপ্রিয় খবর
blank

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

প্রকাশের সময় : ২১ মিনিট আগে
blank

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হত্যাকাণ্ডের শিকার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে।

শনিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছে। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সময় বিমানবন্দরে বৃষ্টির পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে মরদেহটি মাদারীপুরের চরগোবিন্দপুর গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানে দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে বলে পরিবার জানিয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় ৯ মাস আগে পিএইচডি করতে যুক্তরাষ্ট্রে যান নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। গত ১৬ এপ্রিল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন ১৭ এপ্রিল তার এক বন্ধু বিষয়টি পরিবারকে জানালে স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা জানতে পারেন, বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।

বৃষ্টির মামা, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী চিকিৎসক ডা. মনিরুজ্জামান বলেন, “মরদেহ পুরোপুরি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের পর মরদেহ দেশে পাঠানো হয়েছে।”

এর আগে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহটি বাংলাদেশের উদ্দেশে পাঠানো হয়। মায়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল থোয়িং এ পুরো প্রক্রিয়া তদারকি করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ১ মে হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ’স অফিস বৃষ্টির মরদেহ শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে। এরপর ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মায়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করে।

গত বুধবার টাম্পা বে এলাকার একটি মসজিদে বৃষ্টির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন।