ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে কি জারি হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রপতি শাসন?

blank

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পরও আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় মেনে নিতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এখনো রাজভবনে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন না বলে জানিয়েছেন।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর সাংবিধানিকভাবে বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টা পশ্চিমবঙ্গে সাংবিধানিক জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মত দিয়েছেন ভারতের একাধিক প্রবীণ আইনজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

অন্যদিকে বিজেপি ইতোমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছে, আগামী ৯ মে রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীর দিন নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে। কিন্তু তার আগে যদি বিদায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ না করে, তাহলে শুক্রবারের জন্য পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে বলে আলোচনা চলছে।

ভারতের সাংবিধানিক রীতি অনুযায়ী, নির্বাচনে হার নিশ্চিত হওয়ার পর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরপর নতুন সরকার শপথ নেওয়া পর্যন্ত রাজ্যপাল তাকে কেয়ারটেকার সরকারের দায়িত্ব পালন করতে বলেন। তবে সেই সময়ে বড় কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকে না।

তামিলনাড়ুতেও বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে সেখানে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করায় রাজ্যপাল তাকেই অন্তর্বর্তী দায়িত্বে রেখেছেন। পশ্চিমবঙ্গে এখনো সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি বলেই জটিলতা তৈরি হয়েছে।

ভারতীয় সংবিধানের ১৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বিদায়ী সরকার আর দায়িত্বে থাকতে পারে না। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পদত্যাগ না হলে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি শাসনের প্রশ্ন সামনে আসতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

ইতোমধ্যে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিক নির্বাচিত বিধায়কদের তালিকা রাজ্যপালের হাতে তুলে দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানানো হবে এবং নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে।

জনপ্রিয় খবর

পশ্চিমবঙ্গে কি জারি হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রপতি শাসন?

প্রকাশের সময় : ২ মিনিট আগে
blank

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পরও আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় মেনে নিতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এখনো রাজভবনে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন না বলে জানিয়েছেন।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর সাংবিধানিকভাবে বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টা পশ্চিমবঙ্গে সাংবিধানিক জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মত দিয়েছেন ভারতের একাধিক প্রবীণ আইনজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

অন্যদিকে বিজেপি ইতোমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছে, আগামী ৯ মে রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীর দিন নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে। কিন্তু তার আগে যদি বিদায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ না করে, তাহলে শুক্রবারের জন্য পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে বলে আলোচনা চলছে।

ভারতের সাংবিধানিক রীতি অনুযায়ী, নির্বাচনে হার নিশ্চিত হওয়ার পর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরপর নতুন সরকার শপথ নেওয়া পর্যন্ত রাজ্যপাল তাকে কেয়ারটেকার সরকারের দায়িত্ব পালন করতে বলেন। তবে সেই সময়ে বড় কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকে না।

তামিলনাড়ুতেও বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে সেখানে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করায় রাজ্যপাল তাকেই অন্তর্বর্তী দায়িত্বে রেখেছেন। পশ্চিমবঙ্গে এখনো সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি বলেই জটিলতা তৈরি হয়েছে।

ভারতীয় সংবিধানের ১৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বিদায়ী সরকার আর দায়িত্বে থাকতে পারে না। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পদত্যাগ না হলে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি শাসনের প্রশ্ন সামনে আসতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

ইতোমধ্যে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিক নির্বাচিত বিধায়কদের তালিকা রাজ্যপালের হাতে তুলে দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানানো হবে এবং নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে।