ঢাকা শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পূর্বঘোষণা ছাড়াই রমনা থানায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: দিলেন যেসব কড়া বার্তা

blank

শনিবার (২ মে) সকালে কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই রাজধানীর রমনা মডেল থানায় উপস্থিত হন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আকস্মিক এই পরিদর্শনে গিয়ে তিনি থানার সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন এবং সারা দেশের সব থানাকে সম্পূর্ণ ‘দালালমুক্ত’ করার কড়া নির্দেশ দেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান এই আকস্মিক পরিদর্শনের তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মন্ত্রী সোজা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) রুমে ঢুকে পড়েন। সে সময় ওই কক্ষে উপস্থিত চার-পাঁচজন ব্যক্তি এবং অন্য থানা থেকে আসা দুই পুলিশ সদস্যের পরিচয় ও সেখানে আসার কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে তিনি ডিউটি অফিসারের কক্ষ, হাজতখানা এবং পুলিশ সদস্যদের থাকার মেসও ঘুরে দেখেন। হাজতখানার ধারণক্ষমতা, সার্বিক পরিবেশ, ফ্যান ও ওয়াশরুমের সুবিধার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি সেখানে থাকা এক বন্দির খাবারও তিনি নিজে যাচাই করে দেখেন।

প্রায় ১০ থেকে ১১ মিনিটের এই সংক্ষিপ্ত অবস্থানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের নানা সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তবে থানার ওসিকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করে দেন, “বিএনপি বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি থানা থেকে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে, তবে এর দায়ভার আপনাকেই নিতে হবে।”

সবশেষে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে সাধারণ মানুষকে সেবা প্রদানের নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে, কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা কর্তব্যে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

blank

গুরুদাসপুরে প্রবীণ সেবায় নতুন দিগন্ত: কেয়ারগিভিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

পূর্বঘোষণা ছাড়াই রমনা থানায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: দিলেন যেসব কড়া বার্তা

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
blank

শনিবার (২ মে) সকালে কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই রাজধানীর রমনা মডেল থানায় উপস্থিত হন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আকস্মিক এই পরিদর্শনে গিয়ে তিনি থানার সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন এবং সারা দেশের সব থানাকে সম্পূর্ণ ‘দালালমুক্ত’ করার কড়া নির্দেশ দেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান এই আকস্মিক পরিদর্শনের তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মন্ত্রী সোজা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) রুমে ঢুকে পড়েন। সে সময় ওই কক্ষে উপস্থিত চার-পাঁচজন ব্যক্তি এবং অন্য থানা থেকে আসা দুই পুলিশ সদস্যের পরিচয় ও সেখানে আসার কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে তিনি ডিউটি অফিসারের কক্ষ, হাজতখানা এবং পুলিশ সদস্যদের থাকার মেসও ঘুরে দেখেন। হাজতখানার ধারণক্ষমতা, সার্বিক পরিবেশ, ফ্যান ও ওয়াশরুমের সুবিধার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি সেখানে থাকা এক বন্দির খাবারও তিনি নিজে যাচাই করে দেখেন।

প্রায় ১০ থেকে ১১ মিনিটের এই সংক্ষিপ্ত অবস্থানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের নানা সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তবে থানার ওসিকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করে দেন, “বিএনপি বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি থানা থেকে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে, তবে এর দায়ভার আপনাকেই নিতে হবে।”

সবশেষে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে সাধারণ মানুষকে সেবা প্রদানের নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে, কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা কর্তব্যে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।