ঢাকা শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিকিৎসায় অবহেলায় কনিকার মৃত্যু: পরিবারের পাশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

blank
চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে মারা যাওয়া রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির কনিকা মণ্ডলের (৩৫) পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। শুক্রবার সকালে বালিয়াকান্দির বহরপুর ইউনিয়নের বাঘুটিয়া গ্রামে কনিকার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন ও তাদের সান্ত্বনা দেন। এ সময় ব্যক্তিগতভাবে পরিবারটিকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেন তিনি।

পরিবারের অভিযোগ, গত ২৯ জুন ফরিদপুরের একটি হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় কনিকার পেটে গজ রেখে সেলাই করে দেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। ৭ জুলাই পরীক্ষায় পেটে গজ থাকার বিষয়টি শনাক্ত হলে অস্ত্রোপচার করে তা বের করা হয়। প্রায় দেড় মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে কনিকার মৃত্যু হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসায় অবহেলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। অনিয়ম পাওয়া গেলে ক্লিনিক বন্ধ ও লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কনিকার স্বামী অশান্ত মণ্ডল জানান, স্ত্রীর চিকিৎসায় ২০ লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। স্ত্রীকে হারিয়ে তিন সন্তানকে নিয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।

জনপ্রিয় খবর
blank

বাহাদুর শাহ পার্কে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য ছাত্রদলের শিক্ষালয়

চিকিৎসায় অবহেলায় কনিকার মৃত্যু: পরিবারের পাশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
blank
চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে মারা যাওয়া রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির কনিকা মণ্ডলের (৩৫) পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। শুক্রবার সকালে বালিয়াকান্দির বহরপুর ইউনিয়নের বাঘুটিয়া গ্রামে কনিকার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন ও তাদের সান্ত্বনা দেন। এ সময় ব্যক্তিগতভাবে পরিবারটিকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেন তিনি।

পরিবারের অভিযোগ, গত ২৯ জুন ফরিদপুরের একটি হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় কনিকার পেটে গজ রেখে সেলাই করে দেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। ৭ জুলাই পরীক্ষায় পেটে গজ থাকার বিষয়টি শনাক্ত হলে অস্ত্রোপচার করে তা বের করা হয়। প্রায় দেড় মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে কনিকার মৃত্যু হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসায় অবহেলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। অনিয়ম পাওয়া গেলে ক্লিনিক বন্ধ ও লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কনিকার স্বামী অশান্ত মণ্ডল জানান, স্ত্রীর চিকিৎসায় ২০ লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। স্ত্রীকে হারিয়ে তিন সন্তানকে নিয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।