ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষক হত্যা মামলায় ছেলের ফাঁসি, বাবার যাবজ্জীবন

blank

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর নায়েব আলী হত্যা মামলায় বাবা-ছেলেকে দণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাসুদ আলী এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে ছেলে আলামিনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তার বাবা ইউনুস আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত দুজনই কালীগঞ্জ উপজেলার মালিয়াট গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৮ মে জমিতে কৃষিকাজ শেষে স্থানীয় একটি দোকানে পানি পান করতে গেলে নায়েব আলীর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। হামলায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার প্রধান আসামি আলামিন গ্রেপ্তারের পর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে পুলিশ বাবা-ছেলেকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নিহতের ছেলে বিল্লাল হোসেন দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় খবর
blank

মির্জা ফখরুল, অভিনন্দন জানালেন জামায়াত আমির

কৃষক হত্যা মামলায় ছেলের ফাঁসি, বাবার যাবজ্জীবন

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
blank

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর নায়েব আলী হত্যা মামলায় বাবা-ছেলেকে দণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাসুদ আলী এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে ছেলে আলামিনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তার বাবা ইউনুস আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত দুজনই কালীগঞ্জ উপজেলার মালিয়াট গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৮ মে জমিতে কৃষিকাজ শেষে স্থানীয় একটি দোকানে পানি পান করতে গেলে নায়েব আলীর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। হামলায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার প্রধান আসামি আলামিন গ্রেপ্তারের পর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে পুলিশ বাবা-ছেলেকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নিহতের ছেলে বিল্লাল হোসেন দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন।