ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পর্যটনে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও এআই ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব

কুয়াকাটায় বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

blank

‘পর্যটনকে নতুন রূপ দিতে ডিজিটাল এজেন্ডা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক) ও কুয়াকাটা পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে প্রায় ৩০টি সংগঠনের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রা বের করা হয়। পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি কুয়াকাটা পর্যটন নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পর্যটন হলিডে হোমস চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

পরে হলিডে হোমসের পর্যটন ইয়ুথ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যসচিব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএমএম মোশাররফ হোসেন।

সভায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মহসিন তালুকদার, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজ মুসুল্লি, মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল হাওলাদার, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামি, প্রেসিডেন্স পার্কের চেয়ারম্যান ও পৌর যুবদল সভাপতি ফারুক মীর, পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সেক্রেটারি জেনারেল আসাদুজ্জামান মিরাজ এবং কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ফিন্যান্স সেক্রেটারি রাসেল খানসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বক্তব্য দেন।

এ ছাড়া কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়েজ অ্যাসোসিয়েশন, কুয়াকাটা বয়েজ ক্লাব, ফিশ ফ্রাই সমিতি, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগানো, পর্যটন এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা, পর্যটকদের সেবার মান বাড়ানো এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে এসব বিষয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএমএম মোশাররফ হোসেন।

কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, পর্যটন শুধু মানুষ, স্থান ও সংস্কৃতিকে কাছাকাছি আনে না; এটি কর্মসংস্থান ও জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি করে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের কুয়াকাটায় বেশি সময় ধরে রাখার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি সাফারি পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কুয়াকাটার উন্নয়নে সরকারও আন্তরিক। প্রায় ৮০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে কুয়াকাটাকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

blank

নিষিদ্ধ আ’লীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গুরুদাসপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

পর্যটনে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও এআই ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব

কুয়াকাটায় বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
blank

‘পর্যটনকে নতুন রূপ দিতে ডিজিটাল এজেন্ডা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক) ও কুয়াকাটা পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে প্রায় ৩০টি সংগঠনের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রা বের করা হয়। পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি কুয়াকাটা পর্যটন নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পর্যটন হলিডে হোমস চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

পরে হলিডে হোমসের পর্যটন ইয়ুথ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যসচিব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএমএম মোশাররফ হোসেন।

সভায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মহসিন তালুকদার, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজ মুসুল্লি, মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল হাওলাদার, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামি, প্রেসিডেন্স পার্কের চেয়ারম্যান ও পৌর যুবদল সভাপতি ফারুক মীর, পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সেক্রেটারি জেনারেল আসাদুজ্জামান মিরাজ এবং কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ফিন্যান্স সেক্রেটারি রাসেল খানসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বক্তব্য দেন।

এ ছাড়া কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়েজ অ্যাসোসিয়েশন, কুয়াকাটা বয়েজ ক্লাব, ফিশ ফ্রাই সমিতি, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগানো, পর্যটন এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা, পর্যটকদের সেবার মান বাড়ানো এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে এসব বিষয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএমএম মোশাররফ হোসেন।

কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, পর্যটন শুধু মানুষ, স্থান ও সংস্কৃতিকে কাছাকাছি আনে না; এটি কর্মসংস্থান ও জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি করে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের কুয়াকাটায় বেশি সময় ধরে রাখার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি সাফারি পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কুয়াকাটার উন্নয়নে সরকারও আন্তরিক। প্রায় ৮০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে কুয়াকাটাকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।