ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ: ১ মাসেও ব্যবস্থা না পেয়ে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

blank

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর রাবাইতাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আমিনের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগের বিষয়ে এক মাস আট দিনেও কার্যকর কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, অভিযোগের পর সরেজমিন তদন্ত হলেও এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন করেন বিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় এলাকাবাসী। মানববন্ধন থেকে প্রধান শিক্ষককে অপসারণসহ বিভিন্ন দাবিতে প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আমিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগের পর কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়টি সরেজমিন পরিদর্শনও করেছে। তবে পরিদর্শনের এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হয়নি।
বক্তারা বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর তদন্ত হলেও দীর্ঘ সময় ধরে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া দুঃখজনক। প্রশাসনের কাছে তাঁরা দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
মানববন্ধন থেকে আয়োজকেরা বলেন, শুধু আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করা হলে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নেওয়া হলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রদল নেতা রনি সরকার, ভাঙামোড় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মাসুম রানা ও উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান, শিক্ষার্থী আশিক, মমিনুল ও স্থানীয় সুজন ও সোহাগসহ অনেকে।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, উত্তর রাবাইতাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আমিনকে দ্রুত অপসারণ; তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ; বিদ্যালয়ে দ্রুত নিয়মতান্ত্রিক ও বৈধ পরিচালনা কমিটি গঠন এবং মো. আতিক ইসলামের নিয়োগ ও চাকরির বৈধতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে অনিয়ম প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আমিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

blank

হৃদপিণ্ডের টুকিটাকি

কুড়িগ্রামে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ: ১ মাসেও ব্যবস্থা না পেয়ে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

প্রকাশের সময় : ৬ ঘন্টা আগে
blank

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর রাবাইতাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আমিনের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগের বিষয়ে এক মাস আট দিনেও কার্যকর কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, অভিযোগের পর সরেজমিন তদন্ত হলেও এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন করেন বিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় এলাকাবাসী। মানববন্ধন থেকে প্রধান শিক্ষককে অপসারণসহ বিভিন্ন দাবিতে প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আমিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগের পর কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়টি সরেজমিন পরিদর্শনও করেছে। তবে পরিদর্শনের এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হয়নি।
বক্তারা বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর তদন্ত হলেও দীর্ঘ সময় ধরে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া দুঃখজনক। প্রশাসনের কাছে তাঁরা দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
মানববন্ধন থেকে আয়োজকেরা বলেন, শুধু আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করা হলে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নেওয়া হলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রদল নেতা রনি সরকার, ভাঙামোড় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মাসুম রানা ও উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান, শিক্ষার্থী আশিক, মমিনুল ও স্থানীয় সুজন ও সোহাগসহ অনেকে।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, উত্তর রাবাইতাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আমিনকে দ্রুত অপসারণ; তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ; বিদ্যালয়ে দ্রুত নিয়মতান্ত্রিক ও বৈধ পরিচালনা কমিটি গঠন এবং মো. আতিক ইসলামের নিয়োগ ও চাকরির বৈধতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে অনিয়ম প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আমিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।