ঢাকা শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি, এবার বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল

blank

  ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্ম নেওয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল শিক্ষকতা পেশার মধ্য দিয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে পড়াশোনা শেষে তিনি শিক্ষকতায় যোগ দেন। পরে আশির দশকে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

১৯৯২ সালে তিনি বিএনপির ঠাকুরগাঁও জেলা সভাপতি নির্বাচিত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে ২০০৯ সালে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব এবং ২০১৬ সালে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পান।

২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রথমে কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে বগুড়া-৬ আসন থেকেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০১৩ সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচিতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির ঢাকা মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং একাধিক মামলার মুখোমুখি হতে হয়।

দলের কঠিন সময়ে মহাসচিব হিসেবে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দীর্ঘদিন রাজপথের আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন মির্জা ফখরুল। শিক্ষকতার শ্রেণিকক্ষ থেকে রাজনীতির রাজপথ, সংসদ ও মন্ত্রিত্ব পেরিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে তার মনোনয়ন নতুন এক রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

কবি ফররুক আহমেদের ‘ইসলামী রেনেসাঁ’: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও মূল্যায়ন

শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি, এবার বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল

প্রকাশের সময় : ৯ ঘন্টা আগে
blank

  ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্ম নেওয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল শিক্ষকতা পেশার মধ্য দিয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে পড়াশোনা শেষে তিনি শিক্ষকতায় যোগ দেন। পরে আশির দশকে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

১৯৯২ সালে তিনি বিএনপির ঠাকুরগাঁও জেলা সভাপতি নির্বাচিত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে ২০০৯ সালে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব এবং ২০১৬ সালে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পান।

২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রথমে কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে বগুড়া-৬ আসন থেকেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০১৩ সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচিতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির ঢাকা মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং একাধিক মামলার মুখোমুখি হতে হয়।

দলের কঠিন সময়ে মহাসচিব হিসেবে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দীর্ঘদিন রাজপথের আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন মির্জা ফখরুল। শিক্ষকতার শ্রেণিকক্ষ থেকে রাজনীতির রাজপথ, সংসদ ও মন্ত্রিত্ব পেরিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে তার মনোনয়ন নতুন এক রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করেছে।