ঢাকা শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের গৌরবোজ্জ্বল অগ্রযাত্রা

blank

বাংলাদেশের শিক্ষা অঙ্গনে কিছু প্রতিষ্ঠান কেবল পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি আদর্শ সমাজ ও আলোকিত প্রজন্ম গঠনের নিরন্তর কারিগর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল তেমনই একটি ঐতিহ্যবাহী ও মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যা দীর্ঘদিন ধরে শৃঙ্খলা, নৈতিকতা, গুণগত শিক্ষা ও দেশপ্রেমের অনন্য সমন্বয়ের মাধ্যমে নিজস্ব অবস্থান সুদৃঢ় করে রেখেছে। রাজধানীর সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত এই বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মেধাবী, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস অত্যন্ত গৌরবময় ও সমৃদ্ধ। ব্রিটেনের বিখ্যাত আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইটন কলেজের আদর্শ অনুসরণ করে গত শতকের পঞ্চাশের দশকে এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। তৎকালীন বিশিষ্ট শিল্পপতি গুল মুহাম্মদ আদমজীর স্বপ্ন ছিল এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, যেখানে কঠোর শৃঙ্খলা, উন্নত শিক্ষা ও চরিত্র গঠনের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি হবে। সেই লক্ষ্যেই ১৯৫৮ সালে বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় এবং পরবর্তীতে এটি পূর্ণাঙ্গ আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বিদ্যালয়টিতে ব্রিটিশ ধাঁচের শিক্ষা ব্যবস্থা, আবাসিক জীবনধারা ও কঠোর নিয়মশৃঙ্খলা চালু ছিল। শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব, দায়িত্ববোধ ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতে বিশেষ আবাসিক দলভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করা হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যালয়টি শুধু ফলাফলের দিক থেকেই নয়, বরং নৈতিক শিক্ষা, নেতৃত্ব বিকাশ ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের ক্ষেত্রেও দেশের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল আবারও তার শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। এই অর্জন প্রমাণ করে যে, গুণগত শিক্ষা, সুশৃঙ্খল পরিবেশ ও নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয়ই একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল ভিত্তি।

বর্তমানে বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য, সুনাম ও শৃঙ্খলার ধারাবাহিকতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জিয়াউর রহমান, পিএসসি, জি। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সুশৃঙ্খল প্রশাসন ও শিক্ষার্থীবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রায় নতুন গতি সঞ্চার করেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত সাফল্য কেবল পরীক্ষার ফলাফলে নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মানবিকতা, নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমে প্রতিফলিত হয়।

তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ে পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা, বিতর্ক, সাহিত্যচর্চা, স্কাউটিং ও নেতৃত্ব বিকাশমূলক কার্যক্রমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তোলা, যেন তারা আধুনিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন আদর্শ নাগরিক হিসেবে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিদ্যালয়ে আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক পাঠদান, গবেষণাগার ও ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা, পরিচ্ছন্নতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ অত্যন্ত দক্ষ, অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল। তাঁরা শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠদানই করেন না, বরং একজন অভিভাবকের মতো তাদের নৈতিক ও মানসিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার মাধ্যমে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন করা হচ্ছে, যা শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

সহশিক্ষা কার্যক্রমেও বিদ্যালয়ের সাফল্য প্রশংসনীয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিতর্ক, ক্রীড়া, বিজ্ঞান মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন সৃজনশীল প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত সাফল্য অর্জন করছে। এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বের গুণাবলি ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আজ আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; এটি শৃঙ্খলা, নৈতিকতা, আধুনিক শিক্ষা ও দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল প্রতীক। অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি নতুন প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি ভবিষ্যতেও দেশের শিক্ষা অঙ্গনে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সবার।

জনপ্রিয় খবর
blank

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের গৌরবোজ্জ্বল অগ্রযাত্রা

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের গৌরবোজ্জ্বল অগ্রযাত্রা

প্রকাশের সময় : ৭ মিনিট আগে
blank

বাংলাদেশের শিক্ষা অঙ্গনে কিছু প্রতিষ্ঠান কেবল পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি আদর্শ সমাজ ও আলোকিত প্রজন্ম গঠনের নিরন্তর কারিগর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল তেমনই একটি ঐতিহ্যবাহী ও মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যা দীর্ঘদিন ধরে শৃঙ্খলা, নৈতিকতা, গুণগত শিক্ষা ও দেশপ্রেমের অনন্য সমন্বয়ের মাধ্যমে নিজস্ব অবস্থান সুদৃঢ় করে রেখেছে। রাজধানীর সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত এই বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মেধাবী, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস অত্যন্ত গৌরবময় ও সমৃদ্ধ। ব্রিটেনের বিখ্যাত আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইটন কলেজের আদর্শ অনুসরণ করে গত শতকের পঞ্চাশের দশকে এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। তৎকালীন বিশিষ্ট শিল্পপতি গুল মুহাম্মদ আদমজীর স্বপ্ন ছিল এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, যেখানে কঠোর শৃঙ্খলা, উন্নত শিক্ষা ও চরিত্র গঠনের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি হবে। সেই লক্ষ্যেই ১৯৫৮ সালে বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় এবং পরবর্তীতে এটি পূর্ণাঙ্গ আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বিদ্যালয়টিতে ব্রিটিশ ধাঁচের শিক্ষা ব্যবস্থা, আবাসিক জীবনধারা ও কঠোর নিয়মশৃঙ্খলা চালু ছিল। শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব, দায়িত্ববোধ ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতে বিশেষ আবাসিক দলভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করা হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যালয়টি শুধু ফলাফলের দিক থেকেই নয়, বরং নৈতিক শিক্ষা, নেতৃত্ব বিকাশ ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের ক্ষেত্রেও দেশের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল আবারও তার শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। এই অর্জন প্রমাণ করে যে, গুণগত শিক্ষা, সুশৃঙ্খল পরিবেশ ও নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয়ই একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল ভিত্তি।

বর্তমানে বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য, সুনাম ও শৃঙ্খলার ধারাবাহিকতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জিয়াউর রহমান, পিএসসি, জি। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সুশৃঙ্খল প্রশাসন ও শিক্ষার্থীবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রায় নতুন গতি সঞ্চার করেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত সাফল্য কেবল পরীক্ষার ফলাফলে নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মানবিকতা, নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমে প্রতিফলিত হয়।

তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ে পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা, বিতর্ক, সাহিত্যচর্চা, স্কাউটিং ও নেতৃত্ব বিকাশমূলক কার্যক্রমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তোলা, যেন তারা আধুনিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন আদর্শ নাগরিক হিসেবে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিদ্যালয়ে আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক পাঠদান, গবেষণাগার ও ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা, পরিচ্ছন্নতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ অত্যন্ত দক্ষ, অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল। তাঁরা শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠদানই করেন না, বরং একজন অভিভাবকের মতো তাদের নৈতিক ও মানসিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার মাধ্যমে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন করা হচ্ছে, যা শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

সহশিক্ষা কার্যক্রমেও বিদ্যালয়ের সাফল্য প্রশংসনীয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিতর্ক, ক্রীড়া, বিজ্ঞান মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন সৃজনশীল প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত সাফল্য অর্জন করছে। এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বের গুণাবলি ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আজ আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; এটি শৃঙ্খলা, নৈতিকতা, আধুনিক শিক্ষা ও দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল প্রতীক। অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি নতুন প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি ভবিষ্যতেও দেশের শিক্ষা অঙ্গনে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সবার।