ঢাকা বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়ায় আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

blank

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীন ৮ বীর ইউনিটের গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় গিয়ে তিনি মহড়ার বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টা ২০ মিনিটে প্রশিক্ষণ এলাকায় পৌঁছে মহড়ার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও ইউনিটের কমান্ডিং অফিসারের (সিও) কাছ থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং কৌশলগত সক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন।

পরিদর্শনকালে তিনি একজন কমান্ডারের মৌখিক অপারেশনাল নির্দেশনা (ভার্বাল অর্ডার) শোনেন এবং সেনাসদস্যদের পরিচালিত একটি ‘রেইড’ মহড়া প্রত্যক্ষ করেন। পাশাপাশি যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থান গ্রহণ, রণকৌশল, সমরাস্ত্রের ব্যবহার এবং বাস্তবধর্মী প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী সেনা বাংকারে নেমে মহড়ায় অংশ নেওয়া কর্মকর্তা ও সেনাসদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ছদ্মবেশে অবস্থানরত সেনাসদস্যদের কাছেও গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে উৎসাহ দেন।

একপর্যায়ে তিনি মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য প্রস্তুত করা খাবার গ্রহণ করেন এবং তাদের সঙ্গে চা পান করেন। মাঠপর্যায়ে সেনাসদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটানোয় উপস্থিত সদস্যরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর গভীর আস্থা রাখে। তিনি জাতীয় সংকট মোকাবিলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে পেশাদারিত্ব, কঠোর প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিকসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, “দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় সশরীরে উপস্থিত হন।” এ ধরনের ‘প্রথম’ দাবির ক্ষেত্রে প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্য বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে বিষয়টি যাচাই করে নেওয়া উচিত।

জনপ্রিয় খবর
blank

পল্লী সমৃদ্ধির প্রত্যয়ে তাড়াশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়ায় আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১০ ঘন্টা আগে
blank

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীন ৮ বীর ইউনিটের গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় গিয়ে তিনি মহড়ার বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টা ২০ মিনিটে প্রশিক্ষণ এলাকায় পৌঁছে মহড়ার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও ইউনিটের কমান্ডিং অফিসারের (সিও) কাছ থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং কৌশলগত সক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন।

পরিদর্শনকালে তিনি একজন কমান্ডারের মৌখিক অপারেশনাল নির্দেশনা (ভার্বাল অর্ডার) শোনেন এবং সেনাসদস্যদের পরিচালিত একটি ‘রেইড’ মহড়া প্রত্যক্ষ করেন। পাশাপাশি যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থান গ্রহণ, রণকৌশল, সমরাস্ত্রের ব্যবহার এবং বাস্তবধর্মী প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী সেনা বাংকারে নেমে মহড়ায় অংশ নেওয়া কর্মকর্তা ও সেনাসদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ছদ্মবেশে অবস্থানরত সেনাসদস্যদের কাছেও গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে উৎসাহ দেন।

একপর্যায়ে তিনি মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য প্রস্তুত করা খাবার গ্রহণ করেন এবং তাদের সঙ্গে চা পান করেন। মাঠপর্যায়ে সেনাসদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটানোয় উপস্থিত সদস্যরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর গভীর আস্থা রাখে। তিনি জাতীয় সংকট মোকাবিলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে পেশাদারিত্ব, কঠোর প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিকসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, “দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় সশরীরে উপস্থিত হন।” এ ধরনের ‘প্রথম’ দাবির ক্ষেত্রে প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্য বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে বিষয়টি যাচাই করে নেওয়া উচিত।