ঢাকা বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাটির নিচে লুকানো ১১ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণ চুরি, টাইলস মিস্ত্রি গ্রেপ্তার

blank

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মুন্দা গ্রামে এক কুয়েতপ্রবাসীর বাড়ি থেকে মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা প্রায় ১১ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণালঙ্কার চুরির ঘটনায় আলাল খান (২২) নামে এক টাইলস মিস্ত্রিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় চুরি হওয়া স্বর্ণালঙ্কারের একটি বড় অংশও উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে গাংনী থানা ও বামন্দী পুলিশ ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বানিয়াপাড়া বারাদি এলাকা থেকে আলাল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কলেজপাড়া এলাকায় অপর অভিযুক্ত মোমিন খানের শ্বশুরবাড়ি থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণালঙ্কারের একটি বড় অংশ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার আলাল খান কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বানিয়াপাড়া বারাদি গ্রামের বাসিন্দা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মুন্দা গ্রামের বাসিন্দা শাহীন দীর্ঘদিন ধরে কুয়েতে কর্মরত। তার অনুপস্থিতিতে বাড়িতে থাকতেন বৃদ্ধা মা নার্গিস বানু ও দুই বোন। নিরাপত্তার জন্য নার্গিস বানু নিজের ও দুই মেয়ের নেকলেস, চুড়ি, কানের দুল, চেইন ও আংটিসহ মোট ১১ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণালঙ্কার একটি প্লাস্টিকের কৌটায় রেখে পলিথিনে মুড়ে ঘরের সিঁড়ির নিচে মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছিলেন।

সম্প্রতি ওই বাড়িতে পাঁচজন টাইলস মিস্ত্রি কাজ করছিলেন। রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে তারা কাজ শেষ করে চলে যাওয়ার পর নার্গিস বানু গয়না রাখা স্থান পরীক্ষা করে দেখেন, কৌটাটি নেই। পরে বিষয়টি তিনি প্রবাসী ছেলে শাহীনকে জানালে তিনি বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেন।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কাজ করার সময় এক মিস্ত্রি মাটি খুঁড়ে গয়নার কৌটাটি বের করে কৌশলে আরেকজনের হাতে তুলে দেন। এরপর দুজন দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ফুটেজ দেখে স্থানীয়রা কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাসিন্দা মোমিন খান (৩৬) ও আলাল খানকে শনাক্ত করেন।

ঘটনার পর নার্গিস বানু বাদী হয়ে গাংনী থানায় চুরির মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ আলাল খানকে গ্রেপ্তার করে এবং চুরি হওয়া স্বর্ণালঙ্কারের একটি বড় অংশ উদ্ধার করে।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ জানান, সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরেই দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক আসামি মোমিন খানকে গ্রেপ্তার এবং বাকি স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

পল্লী সমৃদ্ধির প্রত্যয়ে তাড়াশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

মাটির নিচে লুকানো ১১ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণ চুরি, টাইলস মিস্ত্রি গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ৫ ঘন্টা আগে
blank

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মুন্দা গ্রামে এক কুয়েতপ্রবাসীর বাড়ি থেকে মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা প্রায় ১১ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণালঙ্কার চুরির ঘটনায় আলাল খান (২২) নামে এক টাইলস মিস্ত্রিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় চুরি হওয়া স্বর্ণালঙ্কারের একটি বড় অংশও উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে গাংনী থানা ও বামন্দী পুলিশ ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বানিয়াপাড়া বারাদি এলাকা থেকে আলাল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কলেজপাড়া এলাকায় অপর অভিযুক্ত মোমিন খানের শ্বশুরবাড়ি থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণালঙ্কারের একটি বড় অংশ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার আলাল খান কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বানিয়াপাড়া বারাদি গ্রামের বাসিন্দা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মুন্দা গ্রামের বাসিন্দা শাহীন দীর্ঘদিন ধরে কুয়েতে কর্মরত। তার অনুপস্থিতিতে বাড়িতে থাকতেন বৃদ্ধা মা নার্গিস বানু ও দুই বোন। নিরাপত্তার জন্য নার্গিস বানু নিজের ও দুই মেয়ের নেকলেস, চুড়ি, কানের দুল, চেইন ও আংটিসহ মোট ১১ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণালঙ্কার একটি প্লাস্টিকের কৌটায় রেখে পলিথিনে মুড়ে ঘরের সিঁড়ির নিচে মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছিলেন।

সম্প্রতি ওই বাড়িতে পাঁচজন টাইলস মিস্ত্রি কাজ করছিলেন। রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে তারা কাজ শেষ করে চলে যাওয়ার পর নার্গিস বানু গয়না রাখা স্থান পরীক্ষা করে দেখেন, কৌটাটি নেই। পরে বিষয়টি তিনি প্রবাসী ছেলে শাহীনকে জানালে তিনি বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেন।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কাজ করার সময় এক মিস্ত্রি মাটি খুঁড়ে গয়নার কৌটাটি বের করে কৌশলে আরেকজনের হাতে তুলে দেন। এরপর দুজন দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ফুটেজ দেখে স্থানীয়রা কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাসিন্দা মোমিন খান (৩৬) ও আলাল খানকে শনাক্ত করেন।

ঘটনার পর নার্গিস বানু বাদী হয়ে গাংনী থানায় চুরির মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ আলাল খানকে গ্রেপ্তার করে এবং চুরি হওয়া স্বর্ণালঙ্কারের একটি বড় অংশ উদ্ধার করে।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ জানান, সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরেই দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক আসামি মোমিন খানকে গ্রেপ্তার এবং বাকি স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।