ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সালিসে নারীকে জুতাপেটা, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উঠল প্রশ্ন

blank

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের বলাকিয়া গ্রামে কথিত পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সালিসে এক নারীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

ভিডিওতে ওই নারীর চুলের খোঁপা ধরে পিঠে জুতা দিয়ে আঘাত করতে দেখা যায় মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিনকে। স্থানীয়দের দাবি, এক যুবকের সঙ্গে ওই নারীর কথিত অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সালিস বসানো হয়েছিল।

চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন দাবি করেন, স্থানীয়রা ওই নারী ও এক যুবককে রাতে আটক করার পর পরদিন সালিস বসে। সেখানে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে তাদের রক্ষায় স্থানীয় মুরুব্বিদের পরামর্শে শাস্তি দেওয়া হয়।

তবে প্রশাসন জানিয়েছে, সালিসের নামে এ ধরনের শারীরিক শাস্তি দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি মো. ফারুক হোসেন জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্রাহ্মণপাড়ার ইউএনও মুন্নী ইসলামও বলেছেন, গ্রাম আদালতের নির্ধারিত এখতিয়ারের বাইরে কেউ বিচারের নামে এমন ঘটনা ঘটাতে পারেন না।

ঘটনার নিন্দা জানিয়ে মানবাধিকার সংগঠক দিলনাশি মোহসেন বলেন, কেউ অপরাধ করলে তাকে আইনের আওতায় দেওয়া উচিত; একজন জনপ্রতিনিধির এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় খবর
blank

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ শীর্ষ নেতারা

সালিসে নারীকে জুতাপেটা, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উঠল প্রশ্ন

প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে
blank

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের বলাকিয়া গ্রামে কথিত পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সালিসে এক নারীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

ভিডিওতে ওই নারীর চুলের খোঁপা ধরে পিঠে জুতা দিয়ে আঘাত করতে দেখা যায় মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিনকে। স্থানীয়দের দাবি, এক যুবকের সঙ্গে ওই নারীর কথিত অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সালিস বসানো হয়েছিল।

চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন দাবি করেন, স্থানীয়রা ওই নারী ও এক যুবককে রাতে আটক করার পর পরদিন সালিস বসে। সেখানে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে তাদের রক্ষায় স্থানীয় মুরুব্বিদের পরামর্শে শাস্তি দেওয়া হয়।

তবে প্রশাসন জানিয়েছে, সালিসের নামে এ ধরনের শারীরিক শাস্তি দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি মো. ফারুক হোসেন জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্রাহ্মণপাড়ার ইউএনও মুন্নী ইসলামও বলেছেন, গ্রাম আদালতের নির্ধারিত এখতিয়ারের বাইরে কেউ বিচারের নামে এমন ঘটনা ঘটাতে পারেন না।

ঘটনার নিন্দা জানিয়ে মানবাধিকার সংগঠক দিলনাশি মোহসেন বলেন, কেউ অপরাধ করলে তাকে আইনের আওতায় দেওয়া উচিত; একজন জনপ্রতিনিধির এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।