ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক উপাচার্যের ছবি মুখের সামনে ধরে শিক্ষার্থীদের মিছিল

blank

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের ছবি মুখের সামনে ধরে ব্যতিক্রমী মিছিল করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সাবেক উপাচার্যের প্রতি সম্মান ও সমর্থন জানাতেই এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকায় এ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা মুখের সামনে অধ্যাপক সায়েমের মুখাবয়বের ছবি ধরে সারিবদ্ধভাবে হাঁটেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে স্বাধীনতা চত্বর পর্যন্ত গিয়ে আবার একই স্থানে ফিরে আসে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘তোমার ভিসি, আমার ভিসি—সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’ এবং ‘এক দফা, এক দাবি—সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিল শেষে তারা শহীদ মিনারে অবস্থান নেন। সেখানে শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক সায়েমের ছবি সরিয়ে নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করেন। পরে তাঁকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

মিছিলের সময় শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধভাবে ছবি হাতে নিয়ে হাঁটতে দেখা যায়। কর্মসূচি ঘিরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসাহও দেখা যায়। শিক্ষার্থীরা বলেন, অধ্যাপক সায়েম চুয়েটে মাত্র ৫৬ দিন দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছেন। এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন। তাদের ভাষায়, অধ্যাপক সায়েম এখন শিক্ষার্থীদের কাছে একজন ‘আইকন’। তাঁর প্রতি সম্মান ও সমর্থনের প্রতীক হিসেবেই ছবি হাতে নিয়ে মিছিলে অংশ নিয়েছেন তারা।

পরে অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বিশেষ বার্তা পাঠ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী কাজী নাবিলা রাইসা। তিনি বলেন, চুয়েটের প্রায় ৯৯ শতাংশ শিক্ষার্থীর দাবি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তারা আবেদন জানাচ্ছেন।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, তাদের আন্দোলনে ক্যাম্পাসের বহিরাগতরা প্রবেশ করেছে—এমন অভিযোগ সঠিক নয়। নিজেদের পরিচয় প্রমাণ করতেই তারা কর্মসূচির সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করেছেন।

গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। দায়িত্ব নেওয়ার ৫৬ দিনের মাথায় ২১ সেপ্টেম্বর তাঁকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এর পর থেকেই অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের অংশ হিসেবে কমপ্লিট শাটডাউন, মশালমিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন তারা।

blank

মেয়েকে গাড়ি চালানো শেখাতে গিয়ে গাড়ির ধাক্কায় বাংলাদেশি বাবার মৃত্যু

সাবেক উপাচার্যের ছবি মুখের সামনে ধরে শিক্ষার্থীদের মিছিল

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
blank

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের ছবি মুখের সামনে ধরে ব্যতিক্রমী মিছিল করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সাবেক উপাচার্যের প্রতি সম্মান ও সমর্থন জানাতেই এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকায় এ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা মুখের সামনে অধ্যাপক সায়েমের মুখাবয়বের ছবি ধরে সারিবদ্ধভাবে হাঁটেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে স্বাধীনতা চত্বর পর্যন্ত গিয়ে আবার একই স্থানে ফিরে আসে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘তোমার ভিসি, আমার ভিসি—সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’ এবং ‘এক দফা, এক দাবি—সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিল শেষে তারা শহীদ মিনারে অবস্থান নেন। সেখানে শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক সায়েমের ছবি সরিয়ে নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করেন। পরে তাঁকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

মিছিলের সময় শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধভাবে ছবি হাতে নিয়ে হাঁটতে দেখা যায়। কর্মসূচি ঘিরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসাহও দেখা যায়। শিক্ষার্থীরা বলেন, অধ্যাপক সায়েম চুয়েটে মাত্র ৫৬ দিন দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছেন। এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন। তাদের ভাষায়, অধ্যাপক সায়েম এখন শিক্ষার্থীদের কাছে একজন ‘আইকন’। তাঁর প্রতি সম্মান ও সমর্থনের প্রতীক হিসেবেই ছবি হাতে নিয়ে মিছিলে অংশ নিয়েছেন তারা।

পরে অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বিশেষ বার্তা পাঠ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী কাজী নাবিলা রাইসা। তিনি বলেন, চুয়েটের প্রায় ৯৯ শতাংশ শিক্ষার্থীর দাবি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তারা আবেদন জানাচ্ছেন।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, তাদের আন্দোলনে ক্যাম্পাসের বহিরাগতরা প্রবেশ করেছে—এমন অভিযোগ সঠিক নয়। নিজেদের পরিচয় প্রমাণ করতেই তারা কর্মসূচির সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করেছেন।

গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। দায়িত্ব নেওয়ার ৫৬ দিনের মাথায় ২১ সেপ্টেম্বর তাঁকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এর পর থেকেই অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের অংশ হিসেবে কমপ্লিট শাটডাউন, মশালমিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন তারা।