ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রায়গঞ্জে জেলি পুশ করা ৪৫০ কেজি চিংড়ি জব্দ, পরে ধ্বংস

blank

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জেলি পুশ করা প্রায় ৪৫০ কেজি চিংড়ি জব্দ করে ধ্বংস করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার সলঙ্গার কুতুবের চর মৎস্য আড়তে অভিযান চালিয়ে এসব চিংড়ি জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো ধ্বংস করে মাটিচাপা দেওয়া হয়।

জেলা মৎস্য অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, রায়গঞ্জের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান ও রায়গঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, চিংড়িতে জেলি পুশ করে ওজন বাড়ানো ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। এ ধরনের চিংড়ি বিক্রি ও বাজারজাতকরণ প্রতিরোধে অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং মাছের বাজারে অনিয়ম বন্ধে মৎস্য অধিদপ্তরের তদারকি অব্যাহত থাকবে।

রায়গঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, অভিযানে প্রায় ৪৫০ কেজি জেলি পুশ করা চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। পরে জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তাস্বার্থ রক্ষায় জব্দ করা চিংড়িগুলো ধ্বংস করে মাটিচাপা দেওয়া হয়। এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, চিংড়িতে জেলি পুশ করে ওজন বাড়ানোর প্রবণতা রোধে নিয়মিত তদারকি এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এতে ভোক্তাদের প্রতারণা থেকে রক্ষা করার পাশাপাশি নিরাপদ মাছের বাজার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

 

blank

রায়গঞ্জে জেলি পুশ করা ৪৫০ কেজি চিংড়ি জব্দ, পরে ধ্বংস

রায়গঞ্জে জেলি পুশ করা ৪৫০ কেজি চিংড়ি জব্দ, পরে ধ্বংস

প্রকাশের সময় : ৩ মিনিট আগে
blank

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জেলি পুশ করা প্রায় ৪৫০ কেজি চিংড়ি জব্দ করে ধ্বংস করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার সলঙ্গার কুতুবের চর মৎস্য আড়তে অভিযান চালিয়ে এসব চিংড়ি জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো ধ্বংস করে মাটিচাপা দেওয়া হয়।

জেলা মৎস্য অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, রায়গঞ্জের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান ও রায়গঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, চিংড়িতে জেলি পুশ করে ওজন বাড়ানো ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। এ ধরনের চিংড়ি বিক্রি ও বাজারজাতকরণ প্রতিরোধে অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং মাছের বাজারে অনিয়ম বন্ধে মৎস্য অধিদপ্তরের তদারকি অব্যাহত থাকবে।

রায়গঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, অভিযানে প্রায় ৪৫০ কেজি জেলি পুশ করা চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। পরে জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তাস্বার্থ রক্ষায় জব্দ করা চিংড়িগুলো ধ্বংস করে মাটিচাপা দেওয়া হয়। এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, চিংড়িতে জেলি পুশ করে ওজন বাড়ানোর প্রবণতা রোধে নিয়মিত তদারকি এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এতে ভোক্তাদের প্রতারণা থেকে রক্ষা করার পাশাপাশি নিরাপদ মাছের বাজার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।