ঢাকা সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে নিমগাছি বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৭ দোকান

blank

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছি বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে দোকানগুলোর মালামাল, ব্যবসায়িক সরঞ্জামসহ বিভিন্ন সামগ্রী পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রাথমিক হিসাবে, ক্ষতির পরিমাণ ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা হতে পারে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়লে পুরো বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও আগুনের তীব্রতার কারণে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি।

খবর পেয়ে তাড়াশ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। এতে বাজারের অন্যান্য দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা পায়।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা হলেন—সোলেমান তালুকদার, হায়দার আলী, দিগেন্দ্রনাথ সরকার, সাধন কুমার সরকার, ক্ষুদিরাম সরকার, আতাউর ও আব্দুল্লাহ।

তাড়াশ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মনজুরুল আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পাওয়ার পর দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আগুন দ্রুত কয়েকটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, আগুনে তাদের দীর্ঘদিনের ব্যবসার পুঁজি ও বিপুল পরিমাণ মালামাল পুড়ে গেছে। এতে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নিরূপণ করে দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে বাজারের ব্যবসায়ীরা অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বৈদ্যুতিক সংযোগ ও পুরোনো তার নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি জরুরি সময়ে আগুন নেভানোর প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রাখারও দাবি জানান তারা।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যাচাই-বাছাই শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

জনপ্রিয় খবর
blank

সীমান্তে চোরাচালান-মাদকপাচার ও পুশইন ঠেকাতে বিজিবিকে আরও কার্যকর হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সিরাজগঞ্জে নিমগাছি বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৭ দোকান

প্রকাশের সময় : ২ ঘন্টা আগে
blank

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছি বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে দোকানগুলোর মালামাল, ব্যবসায়িক সরঞ্জামসহ বিভিন্ন সামগ্রী পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রাথমিক হিসাবে, ক্ষতির পরিমাণ ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা হতে পারে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়লে পুরো বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও আগুনের তীব্রতার কারণে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি।

খবর পেয়ে তাড়াশ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। এতে বাজারের অন্যান্য দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা পায়।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা হলেন—সোলেমান তালুকদার, হায়দার আলী, দিগেন্দ্রনাথ সরকার, সাধন কুমার সরকার, ক্ষুদিরাম সরকার, আতাউর ও আব্দুল্লাহ।

তাড়াশ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মনজুরুল আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পাওয়ার পর দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আগুন দ্রুত কয়েকটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, আগুনে তাদের দীর্ঘদিনের ব্যবসার পুঁজি ও বিপুল পরিমাণ মালামাল পুড়ে গেছে। এতে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নিরূপণ করে দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে বাজারের ব্যবসায়ীরা অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বৈদ্যুতিক সংযোগ ও পুরোনো তার নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি জরুরি সময়ে আগুন নেভানোর প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রাখারও দাবি জানান তারা।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যাচাই-বাছাই শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।