ঢাকা রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে তিন দিনব্যাপী নজরুল বর্ষ ২০২৬–২০২৭ উদ্‌যাপনের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

blank

যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং সাংস্কৃতিক আবহে কুড়িগ্রামে তিন দিনব্যাপী নজরুল বর্ষ ২০২৬–২০২৭ উদ্‌যাপনের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত, মানবতাবাদ, সাম্যচেতনা ও অসাম্প্রদায়িক আদর্শকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কুড়িগ্রাম অডিটোরিয়াম হলরুমে তিনদিন ব্যাপী নজরুল বর্ষ ২০২৬–২০২৭ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ড. সাইফুর রহমান সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজির হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ রানা, বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু, যুগ্ম আহবায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সৃষ্টিকর্ম আজও অন্যায়, অবিচার, বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সংগ্রামে মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। তাঁর আদর্শ ধারণ করেই একটি মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
তিন দিনব্যাপী আয়োজনে নজরুলের গান, আবৃত্তি, নৃত্য, আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিল্পীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। প্রতিটি পরিবেশনায় জাতীয় কবির দেশপ্রেম, বিদ্রোহ, প্রেম, সাম্য ও মানবতার বাণী তুলে ধরা হয়।
সমাপনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিল্পীরা নজরুলসংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা করতালির মাধ্যমে শিল্পীদের উৎসাহিত করেন। পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং সর্বস্তরের সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনাদর্শ, সাহিত্য ও সংগীতচর্চাকে আরও বিস্তৃত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় খবর
blank

উনাহির জোড়া গোলে কানাডাকে উড়িয়ে কোয়ার্টারে মরক্কো

কুড়িগ্রামে তিন দিনব্যাপী নজরুল বর্ষ ২০২৬–২০২৭ উদ্‌যাপনের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

প্রকাশের সময় : ৬ ঘন্টা আগে
blank

যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং সাংস্কৃতিক আবহে কুড়িগ্রামে তিন দিনব্যাপী নজরুল বর্ষ ২০২৬–২০২৭ উদ্‌যাপনের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত, মানবতাবাদ, সাম্যচেতনা ও অসাম্প্রদায়িক আদর্শকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কুড়িগ্রাম অডিটোরিয়াম হলরুমে তিনদিন ব্যাপী নজরুল বর্ষ ২০২৬–২০২৭ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ড. সাইফুর রহমান সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজির হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ রানা, বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু, যুগ্ম আহবায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সৃষ্টিকর্ম আজও অন্যায়, অবিচার, বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সংগ্রামে মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। তাঁর আদর্শ ধারণ করেই একটি মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
তিন দিনব্যাপী আয়োজনে নজরুলের গান, আবৃত্তি, নৃত্য, আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিল্পীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। প্রতিটি পরিবেশনায় জাতীয় কবির দেশপ্রেম, বিদ্রোহ, প্রেম, সাম্য ও মানবতার বাণী তুলে ধরা হয়।
সমাপনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিল্পীরা নজরুলসংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা করতালির মাধ্যমে শিল্পীদের উৎসাহিত করেন। পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং সর্বস্তরের সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনাদর্শ, সাহিত্য ও সংগীতচর্চাকে আরও বিস্তৃত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।