ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

blank

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত ইনুর বিরুদ্ধে প্রমাণিত তিনটি অভিযোগে পৃথকভাবে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেন। তবে সাজাগুলো একসঙ্গে কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে তাকে মোট ১০ বছর কারাভোগ করতে হবে।

রায়ে বলা হয়, ইনুর বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগের মধ্যে ৩, ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এসব অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল আরও বলেন, রাইসুল হকসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীকে গুরুতর আহত করা, নির্যাতন এবং রাজনৈতিক কারণে নিপীড়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা ও সহযোগিতার দায়েও তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এ দুটি অভিযোগে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও আরোপ করা হয়েছে।

তবে ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সেসব অভিযোগ থেকে হাসানুল হক ইনুকে খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

যেসব অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে

  • তৃতীয় অভিযোগ: আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার ছবি দেখে তালিকা প্রণয়ন এবং তাদের আটক ও নির্যাতনের জন্য কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ।
  • ষষ্ঠ অভিযোগ: ১৪-দলীয় জোটের বৈঠকে উপস্থিত থেকে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ।
  • সপ্তম অভিযোগ: তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে কথিত ষড়যন্ত্রে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ।

যেসব অভিযোগে খালাস

ট্রাইব্যুনাল প্রথম, দ্বিতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ও অষ্টম অভিযোগের ক্ষেত্রে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ইনুকে খালাস দিয়েছেন। এসব অভিযোগের মধ্যে ছিল আন্দোলন দমনে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া, ‘শুট অ্যাট সাইট’ সিদ্ধান্তে সম্পৃক্ততা, মারণাস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা, গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ।

জনপ্রিয় খবর
blank

জেড. এইচ. সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশের সময় : ২ ঘন্টা আগে
blank

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত ইনুর বিরুদ্ধে প্রমাণিত তিনটি অভিযোগে পৃথকভাবে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেন। তবে সাজাগুলো একসঙ্গে কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে তাকে মোট ১০ বছর কারাভোগ করতে হবে।

রায়ে বলা হয়, ইনুর বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগের মধ্যে ৩, ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এসব অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল আরও বলেন, রাইসুল হকসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীকে গুরুতর আহত করা, নির্যাতন এবং রাজনৈতিক কারণে নিপীড়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা ও সহযোগিতার দায়েও তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এ দুটি অভিযোগে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও আরোপ করা হয়েছে।

তবে ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সেসব অভিযোগ থেকে হাসানুল হক ইনুকে খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

যেসব অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে

  • তৃতীয় অভিযোগ: আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার ছবি দেখে তালিকা প্রণয়ন এবং তাদের আটক ও নির্যাতনের জন্য কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ।
  • ষষ্ঠ অভিযোগ: ১৪-দলীয় জোটের বৈঠকে উপস্থিত থেকে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ।
  • সপ্তম অভিযোগ: তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে কথিত ষড়যন্ত্রে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ।

যেসব অভিযোগে খালাস

ট্রাইব্যুনাল প্রথম, দ্বিতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ও অষ্টম অভিযোগের ক্ষেত্রে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ইনুকে খালাস দিয়েছেন। এসব অভিযোগের মধ্যে ছিল আন্দোলন দমনে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া, ‘শুট অ্যাট সাইট’ সিদ্ধান্তে সম্পৃক্ততা, মারণাস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা, গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ।