ঢাকা শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের সঙ্গে বাবার মৃত্যুর খবর পেলেন কঙ্গোর কোচ

blank

জীবন কখনও কখনও এক দিনেই মানুষকে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড় করায়। এমনই এক বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেলেন ডিআর কঙ্গো জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ সেবাস্তিয়ান দেসাবার।

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৭৫ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ডিআর কঙ্গো। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলার কিছুক্ষণ পরই তিনি জানতে পারেন, তাঁর বাবা মারা গেছেন।

১৯৭৪ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নেয় ডিআর কঙ্গো। পর্তুগাল ও কলম্বিয়ার মতো শক্তিশালী দলের সঙ্গে একই গ্রুপে থেকেও শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেয় আফ্রিকার দলটি। নকআউট পর্বে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও দারুণ লড়াই করে তারা। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় কঙ্গো। তবে শেষ ১৫ মিনিটে হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে ম্যাচ ঘুরে যায় এবং স্বপ্নভঙ্গ হয় আফ্রিকান দলটির।

সংবাদ সম্মেলনের একেবারে শেষ মুহূর্তে কঙ্গো ফুটবল ফেডারেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা জেরি কালেমো উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের ধন্যবাদ। আমাদের কোচ তাঁর বাবাকে হারিয়েছেন। আমরা তাঁর প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”

ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগেই দলের বিশ্বকাপ অভিযান নিয়ে নিজের মূল্যায়ন শেষ করেছিলেন দেসাবার। হঠাৎ এমন সংবাদ শুনে তিনি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। কয়েক সেকেন্ড নীরবে দাঁড়িয়ে থাকার পর কক্ষ ত্যাগের আগে শুধু একটি শব্দ উচ্চারণ করেন মের্সি” (ধন্যবাদ)।

এই মর্মান্তিক খবর জানার আগে সংবাদ সম্মেলনে নিজের দলের প্রশংসা করে দেসাবার বলেছিলেন, “আমি যতটা না হতাশ, তার চেয়ে বেশি গর্বিত। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়া অবশ্যই কষ্টের। তবে আমরা এই টুর্নামেন্টে পাঁচটি গোল করেছি এবং আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকা দলগুলোর বিপক্ষে দারুণ লড়াই করেছি।”

পরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন সময়েই দেসাবার তাঁর বাবার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। ফরাসি সংবাদমাধ্যম লা দোফিনে এই ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক উল্লেখ করে জানিয়েছে, কোচকে যেভাবে এ সংবাদ জানানো হয়েছে, তা ছিল ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন ও সংবেদনশীলতাবিবর্জিত’।

জনপ্রিয় খবর
blank

জেড. এইচ. সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের সঙ্গে বাবার মৃত্যুর খবর পেলেন কঙ্গোর কোচ

প্রকাশের সময় : ১৩ ঘন্টা আগে
blank

জীবন কখনও কখনও এক দিনেই মানুষকে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড় করায়। এমনই এক বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেলেন ডিআর কঙ্গো জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ সেবাস্তিয়ান দেসাবার।

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৭৫ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ডিআর কঙ্গো। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলার কিছুক্ষণ পরই তিনি জানতে পারেন, তাঁর বাবা মারা গেছেন।

১৯৭৪ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নেয় ডিআর কঙ্গো। পর্তুগাল ও কলম্বিয়ার মতো শক্তিশালী দলের সঙ্গে একই গ্রুপে থেকেও শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেয় আফ্রিকার দলটি। নকআউট পর্বে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও দারুণ লড়াই করে তারা। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় কঙ্গো। তবে শেষ ১৫ মিনিটে হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে ম্যাচ ঘুরে যায় এবং স্বপ্নভঙ্গ হয় আফ্রিকান দলটির।

সংবাদ সম্মেলনের একেবারে শেষ মুহূর্তে কঙ্গো ফুটবল ফেডারেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা জেরি কালেমো উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের ধন্যবাদ। আমাদের কোচ তাঁর বাবাকে হারিয়েছেন। আমরা তাঁর প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”

ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগেই দলের বিশ্বকাপ অভিযান নিয়ে নিজের মূল্যায়ন শেষ করেছিলেন দেসাবার। হঠাৎ এমন সংবাদ শুনে তিনি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। কয়েক সেকেন্ড নীরবে দাঁড়িয়ে থাকার পর কক্ষ ত্যাগের আগে শুধু একটি শব্দ উচ্চারণ করেন মের্সি” (ধন্যবাদ)।

এই মর্মান্তিক খবর জানার আগে সংবাদ সম্মেলনে নিজের দলের প্রশংসা করে দেসাবার বলেছিলেন, “আমি যতটা না হতাশ, তার চেয়ে বেশি গর্বিত। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়া অবশ্যই কষ্টের। তবে আমরা এই টুর্নামেন্টে পাঁচটি গোল করেছি এবং আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকা দলগুলোর বিপক্ষে দারুণ লড়াই করেছি।”

পরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন সময়েই দেসাবার তাঁর বাবার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। ফরাসি সংবাদমাধ্যম লা দোফিনে এই ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক উল্লেখ করে জানিয়েছে, কোচকে যেভাবে এ সংবাদ জানানো হয়েছে, তা ছিল ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন ও সংবেদনশীলতাবিবর্জিত’।