ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এইচএসসিতে ৩০০ জনের ২৪৭ জন ফেল, শিক্ষকদের ফুল দিয়ে ছাত্রদলের প্রতিবাদ

blank

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে ৩০০ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ৫৩ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ২৪৭ জন। ফলাফল প্রকাশের পর উপজেলা ছাত্রদলের নেতারা কলেজে গিয়ে শিক্ষকদের ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে এক ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

জানা যায়, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে ৩০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে পাস করেছেন ৫৩ জন এবং ফেল করেছেন ২৪৭ জন। কলেজটির পাসের হার ১৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ফলাফল প্রকাশের পর বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

ফলাফল প্রকাশের পরদিন রোববার সকালে কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষ নাজমা বেগমের উপস্থিতিতে সব শিক্ষককে ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ জানান উপজেলা ছাত্রদলের নেতারা। এতে বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও শিক্ষকরা সানন্দে ফুলের তোড়া গ্রহণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ মেহেদী, সহসভাপতি সজিবুর রহমান শান্ত, নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি তারিক আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ হোসেনসহ কলেজ ছাত্রদলের নেতারা।

উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ মেহেদী বলেন, ঐতিহ্যবাহী একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল এমন হতে পারে না। কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই এর দায় এড়াতে পারেন না। ফলাফল বিপর্যয়ের প্রতিবাদে উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কলেজের অধ্যক্ষ ও সম্মানিত শিক্ষকদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. নাজমা বেগম বলেন, অধিকাংশ শিক্ষার্থী ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে খারাপ করেছে। ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীদের অপর্যাপ্ত প্রস্তুতিকে দায়ী করেন তিনি। পাঠদান কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত অংশগ্রহণ না করায় এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে ফলাফলে। তা ছাড়া সমাবেশ ডাকলেও অভিভাবকদের সাড়া পাওয়া যায় না। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জনে নজরদারিসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন ফলাফল বিপর্যয় নিয়ে বলেন, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় এ উপজেলার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের ফলাফল সন্তোষজনক নয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শক্রমে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ফলাফল পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয় খবর
blank

ফরিদপুরে চোর সন্দেহে যুবকের দুই চোখ উপড়ে ফেলার অভিযোগ

এইচএসসিতে ৩০০ জনের ২৪৭ জন ফেল, শিক্ষকদের ফুল দিয়ে ছাত্রদলের প্রতিবাদ

প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে
blank

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে ৩০০ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ৫৩ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ২৪৭ জন। ফলাফল প্রকাশের পর উপজেলা ছাত্রদলের নেতারা কলেজে গিয়ে শিক্ষকদের ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে এক ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

জানা যায়, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে ৩০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে পাস করেছেন ৫৩ জন এবং ফেল করেছেন ২৪৭ জন। কলেজটির পাসের হার ১৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ফলাফল প্রকাশের পর বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

ফলাফল প্রকাশের পরদিন রোববার সকালে কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষ নাজমা বেগমের উপস্থিতিতে সব শিক্ষককে ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ জানান উপজেলা ছাত্রদলের নেতারা। এতে বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও শিক্ষকরা সানন্দে ফুলের তোড়া গ্রহণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ মেহেদী, সহসভাপতি সজিবুর রহমান শান্ত, নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি তারিক আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ হোসেনসহ কলেজ ছাত্রদলের নেতারা।

উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ মেহেদী বলেন, ঐতিহ্যবাহী একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল এমন হতে পারে না। কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই এর দায় এড়াতে পারেন না। ফলাফল বিপর্যয়ের প্রতিবাদে উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কলেজের অধ্যক্ষ ও সম্মানিত শিক্ষকদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে নীলকান্ত সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. নাজমা বেগম বলেন, অধিকাংশ শিক্ষার্থী ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে খারাপ করেছে। ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীদের অপর্যাপ্ত প্রস্তুতিকে দায়ী করেন তিনি। পাঠদান কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত অংশগ্রহণ না করায় এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে ফলাফলে। তা ছাড়া সমাবেশ ডাকলেও অভিভাবকদের সাড়া পাওয়া যায় না। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জনে নজরদারিসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন ফলাফল বিপর্যয় নিয়ে বলেন, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় এ উপজেলার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের ফলাফল সন্তোষজনক নয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শক্রমে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ফলাফল পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।