ঢাকা বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের সাড়ে ১১ হাজার টন চাল ফেরত পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

blank

ভারত থেকে আমদানি করা নন-বাসমতি সেদ্ধ চালের একটি চালানের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় তা ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। এ ঘটনায় দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, ভারত থেকে আমদানি করা প্রায় ১১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চালের চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রাথমিক পরীক্ষায় খাওয়ার উপযোগী হিসেবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তবে পরবর্তী বিস্তারিত পরীক্ষায় চালের মান নির্ধারিত মানদণ্ডের নিচে পাওয়া যায়।

এরই মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল খালাস করা হলেও বাকি চালের মান নিয়ে আপত্তি ওঠে। পরে পুরো চালানটি ভারতে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের মজুত থেকে ভারতীয় রপ্তানিকারকদের মাধ্যমে চালগুলো বাংলাদেশে আনা হয়েছিল।

বাণিজ্যসংশ্লিষ্টদের মতে, এ ঘটনায় শুধু চালের গুণগত মান নয়, খাদ্য অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের পরিস্থিতি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

জনপ্রিয় খবর
blank

বড়াইগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালিত

ভারতের সাড়ে ১১ হাজার টন চাল ফেরত পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : ০৬:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬
blank

ভারত থেকে আমদানি করা নন-বাসমতি সেদ্ধ চালের একটি চালানের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় তা ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। এ ঘটনায় দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, ভারত থেকে আমদানি করা প্রায় ১১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চালের চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রাথমিক পরীক্ষায় খাওয়ার উপযোগী হিসেবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তবে পরবর্তী বিস্তারিত পরীক্ষায় চালের মান নির্ধারিত মানদণ্ডের নিচে পাওয়া যায়।

এরই মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল খালাস করা হলেও বাকি চালের মান নিয়ে আপত্তি ওঠে। পরে পুরো চালানটি ভারতে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের মজুত থেকে ভারতীয় রপ্তানিকারকদের মাধ্যমে চালগুলো বাংলাদেশে আনা হয়েছিল।

বাণিজ্যসংশ্লিষ্টদের মতে, এ ঘটনায় শুধু চালের গুণগত মান নয়, খাদ্য অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের পরিস্থিতি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।