ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রবল পানির স্রোতে কালভার্টসংলগ্ন সড়কে ভাঙন, ঝুঁকিতে খানসামা-জয়গঞ্জ এলজিইডির সড়ক

blank

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার খানসামা-জয়গঞ্জ এলজিইডির সড়কের মাঝিপাড়া ডারার পার এলাকায় কালভার্টসংলগ্ন সড়কে আবারও মারাত্মক ভাঙন দেখা দিয়েছে। নালার পানির প্রবল স্রোতের চাপে কালভার্টের পাশের মাটি ধসে পড়ায় সড়কটির একাংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যেকোনো সময় সড়কটি ভেঙে গিয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, খানসামা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন থেকে আনুমানিক ২০০ মিটার দূরে অবস্থিত কালভার্টের এক পাশের মাটি ও ইটের সলিং ধসে নিচে নেমে গেছে। নালার পানির তীব্র স্রোতের কারণে ভাঙন দিন দিন আরও বিস্তৃত হচ্ছে। এতে ভারী যানবাহনের পাশাপাশি মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ সাধারণ যানবাহন চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, এর আগেও একই স্থানে ভাঙনরোধে সংস্কারকাজ করা হয়েছিল। তবে সেই সংস্কার দীর্ঘস্থায়ী হয়নি এবং কোনো কার্যকর সুফলও পাওয়া যায়নি। বর্ষাকালে পানির প্রবল স্রোতের কারণে আবারও একই স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, শুধু সাময়িক মেরামত নয়, টেকসই ও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ না নেওয়ায় প্রতিবছর একই সমস্যা ফিরে আসছে।

এলাকাবাসী আরও জানান, এটি খানসামা থেকে জয়গঞ্জগামী একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এ পথ দিয়ে চলাচল করেন। বর্ষাকালে পানির স্রোত বেড়ে যাওয়ায় ভাঙনের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও স্থায়ী সংস্কার না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট এলজিইডি কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত অংশে প্রকৌশলগতভাবে টেকসই সংস্কারকাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে একই স্থানে বারবার ভাঙন না ঘটে এবং

জনপ্রিয় খবর
blank

সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায়  যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রবল পানির স্রোতে কালভার্টসংলগ্ন সড়কে ভাঙন, ঝুঁকিতে খানসামা-জয়গঞ্জ এলজিইডির সড়ক

প্রকাশের সময় : ০৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
blank

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার খানসামা-জয়গঞ্জ এলজিইডির সড়কের মাঝিপাড়া ডারার পার এলাকায় কালভার্টসংলগ্ন সড়কে আবারও মারাত্মক ভাঙন দেখা দিয়েছে। নালার পানির প্রবল স্রোতের চাপে কালভার্টের পাশের মাটি ধসে পড়ায় সড়কটির একাংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যেকোনো সময় সড়কটি ভেঙে গিয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, খানসামা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন থেকে আনুমানিক ২০০ মিটার দূরে অবস্থিত কালভার্টের এক পাশের মাটি ও ইটের সলিং ধসে নিচে নেমে গেছে। নালার পানির তীব্র স্রোতের কারণে ভাঙন দিন দিন আরও বিস্তৃত হচ্ছে। এতে ভারী যানবাহনের পাশাপাশি মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ সাধারণ যানবাহন চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, এর আগেও একই স্থানে ভাঙনরোধে সংস্কারকাজ করা হয়েছিল। তবে সেই সংস্কার দীর্ঘস্থায়ী হয়নি এবং কোনো কার্যকর সুফলও পাওয়া যায়নি। বর্ষাকালে পানির প্রবল স্রোতের কারণে আবারও একই স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, শুধু সাময়িক মেরামত নয়, টেকসই ও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ না নেওয়ায় প্রতিবছর একই সমস্যা ফিরে আসছে।

এলাকাবাসী আরও জানান, এটি খানসামা থেকে জয়গঞ্জগামী একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এ পথ দিয়ে চলাচল করেন। বর্ষাকালে পানির স্রোত বেড়ে যাওয়ায় ভাঙনের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও স্থায়ী সংস্কার না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট এলজিইডি কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত অংশে প্রকৌশলগতভাবে টেকসই সংস্কারকাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে একই স্থানে বারবার ভাঙন না ঘটে এবং