ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাটোরে শিশুর আঙুল কাটার অভিযোগে পুলিশ সদস্য ও স্ত্রী কারাগারে

blank

নাটোরে দুই শিশুর বিরোধের জেরে সাত বছরের এক শিশুর ডান হাতের তর্জনী আঙুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ সদস্য ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলার পর ওই পুলিশ সদস্য শাকিল হোসেন ও তার স্ত্রী নাছরিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় নাটোর শহরের চেয়ারম্যান রোড এলাকার একটি বাসায় ভাড়াটিয়াদের উদ্যোগে পিকনিকের আয়োজন করা হয়। পিকনিক চলাকালে বাসার মালিকের ছেলে সাত বছরের বায়েজিদ বিন মাহমুদ ও ভাড়াটিয়া পুলিশ কনস্টেবল শাকিল হোসেনের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে ইবনাতের মধ্যে খেলাধুলা নিয়ে মনোমালিন্য হয়। একপর্যায়ে তারা মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি অন্য ভাড়াটিয়ারা সেদিন রাতেই মীমাংসা করে দেন।

অভিযোগ করা হয়েছে, পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে শাকিল হোসেন বায়েজিদকে জোরপূর্বক তাদের বাসায় নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে স্ত্রী নাছরিনের সহযোগিতায় তার ডান হাতের তর্জনী আঙুল কেটে দেওয়া হয়। শিশুটির চিৎকার শুনে অন্য ভাড়াটিয়ারা সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে বায়েজিদের বাবা মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে শাকিল হোসেন ও তার স্ত্রী নাছরিনকে আসামি করে নাটোর সদর থানায় মামলা করেন।

নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম জানান, শাকিল হোসেন নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের হিসাব শাখায় কর্মরত ছিলেন। তার ও তার স্ত্রী নাছরিনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা হওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে তাদের ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

blank

নাটোরে শিশুর আঙুল কাটার অভিযোগে পুলিশ সদস্য ও স্ত্রী কারাগারে

নাটোরে শিশুর আঙুল কাটার অভিযোগে পুলিশ সদস্য ও স্ত্রী কারাগারে

প্রকাশের সময় : ৪ মিনিট আগে
blank

নাটোরে দুই শিশুর বিরোধের জেরে সাত বছরের এক শিশুর ডান হাতের তর্জনী আঙুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ সদস্য ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলার পর ওই পুলিশ সদস্য শাকিল হোসেন ও তার স্ত্রী নাছরিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় নাটোর শহরের চেয়ারম্যান রোড এলাকার একটি বাসায় ভাড়াটিয়াদের উদ্যোগে পিকনিকের আয়োজন করা হয়। পিকনিক চলাকালে বাসার মালিকের ছেলে সাত বছরের বায়েজিদ বিন মাহমুদ ও ভাড়াটিয়া পুলিশ কনস্টেবল শাকিল হোসেনের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে ইবনাতের মধ্যে খেলাধুলা নিয়ে মনোমালিন্য হয়। একপর্যায়ে তারা মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি অন্য ভাড়াটিয়ারা সেদিন রাতেই মীমাংসা করে দেন।

অভিযোগ করা হয়েছে, পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে শাকিল হোসেন বায়েজিদকে জোরপূর্বক তাদের বাসায় নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে স্ত্রী নাছরিনের সহযোগিতায় তার ডান হাতের তর্জনী আঙুল কেটে দেওয়া হয়। শিশুটির চিৎকার শুনে অন্য ভাড়াটিয়ারা সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে বায়েজিদের বাবা মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে শাকিল হোসেন ও তার স্ত্রী নাছরিনকে আসামি করে নাটোর সদর থানায় মামলা করেন।

নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম জানান, শাকিল হোসেন নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের হিসাব শাখায় কর্মরত ছিলেন। তার ও তার স্ত্রী নাছরিনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা হওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে তাদের ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।