ঢাকা সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিয়ানীবাজার মোকাম মসজিদের খতিব থেকে সিলেট-৫ আসনের এমপি আবুল হাসান নির্বাচিত

blank

বিয়ানীবাজার মোকাম মসজিদের খতিব এবং জকিগঞ্জ কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মুফতী মোহাম্মদ আবুল হাসান জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ–কানাইঘাট) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি ৯ হাজার ৫৮১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

পোস্টাল ভোটসহ মোট প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৭৯,৩৫৫। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট মনোনীত জমিয়তের প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুক খেজুর গাছ প্রতীকে ৬৯,৭৭৪ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশীদ চাকসু মামুন ফুটবল প্রতীকে ৫৭,২৫১ ভোট পান। মুসলিম লীগের প্রার্থী মোঃ বিলাল উদ্দিন হারিকেন প্রতীকে ৩৭২ ভোট পান। আসলে এই আসনে মূলত ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায়।

সিলেট-৫ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৪,২৮,৯৮৬, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২,২১,৩৫৭ এবং নারী ভোটার ২,০৭,৩৯১ জন। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৮টি—জকিগঞ্জে ৭৭টি এবং কানাইঘাটে ৮১টি।

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুফতী আবুল হাসান জানান, “সিলেট-৫ আসনের সর্বস্তরের নাগরিক, দলীয় ও জোটের নেতা-কর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক ও নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে যে আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করেছেন, তা অটুট রাখতে আমি বদ্ধপরিকর।”

তিনি নির্বাচন কমিশনকেও ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “গতকাল একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সর্ব মহলে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বল্প সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেও জনতার অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়েছি, যা সত্যিই অমূল্য। আমি জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে আগামী পাঁচ বছর সিলেট-৫ আসনের উন্নয়নে নিজেকে নিবেদিত রাখব।”

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুক ও মামুনুর রশীদ মামুনের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আমরা তিনজনই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলাম। আমাদের সবার লক্ষ্য ছিল অবহেলিত এই জনপদের উন্নয়ন। আগামী দিনের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় তাদের সহযোগিতা পাব বলে আমি আশা রাখি।”

দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “বিজয়ের আনন্দে আত্মহারা না হয়ে জনগণ প্রদত্ত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের প্রস্তুতি নিন। বিভেদ নয়, ঐক্য গড়ে তুলুন। এভাবে আমরা সিলেট-৫ কে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে পারব।”

জনপ্রিয় খবর

ভালো কাজের হোটেল

বিয়ানীবাজার মোকাম মসজিদের খতিব থেকে সিলেট-৫ আসনের এমপি আবুল হাসান নির্বাচিত

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
blank

বিয়ানীবাজার মোকাম মসজিদের খতিব এবং জকিগঞ্জ কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মুফতী মোহাম্মদ আবুল হাসান জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ–কানাইঘাট) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি ৯ হাজার ৫৮১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

পোস্টাল ভোটসহ মোট প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৭৯,৩৫৫। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট মনোনীত জমিয়তের প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুক খেজুর গাছ প্রতীকে ৬৯,৭৭৪ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশীদ চাকসু মামুন ফুটবল প্রতীকে ৫৭,২৫১ ভোট পান। মুসলিম লীগের প্রার্থী মোঃ বিলাল উদ্দিন হারিকেন প্রতীকে ৩৭২ ভোট পান। আসলে এই আসনে মূলত ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায়।

সিলেট-৫ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৪,২৮,৯৮৬, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২,২১,৩৫৭ এবং নারী ভোটার ২,০৭,৩৯১ জন। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৮টি—জকিগঞ্জে ৭৭টি এবং কানাইঘাটে ৮১টি।

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুফতী আবুল হাসান জানান, “সিলেট-৫ আসনের সর্বস্তরের নাগরিক, দলীয় ও জোটের নেতা-কর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক ও নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে যে আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করেছেন, তা অটুট রাখতে আমি বদ্ধপরিকর।”

তিনি নির্বাচন কমিশনকেও ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “গতকাল একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সর্ব মহলে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বল্প সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেও জনতার অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়েছি, যা সত্যিই অমূল্য। আমি জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে আগামী পাঁচ বছর সিলেট-৫ আসনের উন্নয়নে নিজেকে নিবেদিত রাখব।”

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুক ও মামুনুর রশীদ মামুনের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আমরা তিনজনই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলাম। আমাদের সবার লক্ষ্য ছিল অবহেলিত এই জনপদের উন্নয়ন। আগামী দিনের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় তাদের সহযোগিতা পাব বলে আমি আশা রাখি।”

দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “বিজয়ের আনন্দে আত্মহারা না হয়ে জনগণ প্রদত্ত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের প্রস্তুতি নিন। বিভেদ নয়, ঐক্য গড়ে তুলুন। এভাবে আমরা সিলেট-৫ কে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে পারব।”