<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Sharifa Akter Liza &#8211; চলনবিল প্রবাহ</title>
	<atom:link href="https://chalanbeelprobaho.com/author/liza/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chalanbeelprobaho.com</link>
	<description>মা, মাটি, মানুষের কণ্ঠ</description>
	<lastBuildDate>Tue, 25 Aug 2026 10:01:19 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>
	<item>
		<title>সুনামগঞ্জে বাস খাদে পড়ে নারী নিহত, আহত ২০</title>
		<link>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sharifa Akter Liza]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 25 Aug 2026 10:01:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[সুনামগঞ্জ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chalanbeelprobaho.com/?p=8232</guid>

					<description><![CDATA[সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের জানিগাঁও এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস উলটে খাদে পড়ে শিউলী রানি (২৫) নামে এক নারী যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে সিলেট থেকে একটি লোকাল বাস সুনামগঞ্জের উদ্দেশে যাচ্ছিল। পথে জানিগাঁও এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি উলটে সড়কের পাশের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের জানিগাঁও এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস উলটে খাদে পড়ে শিউলী রানি (২৫) নামে এক নারী যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।</p>
<p>স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে সিলেট থেকে একটি লোকাল বাস সুনামগঞ্জের উদ্দেশে যাচ্ছিল। পথে জানিগাঁও এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি উলটে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।</p>
<p>দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসের জানালার কাচ ভেঙে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অন্তত ২০ জনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।</p>
<p>তবে বাসের ভেতরে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই শিউলী রানি মারা যান। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে মরদেহ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।</p>
<p>সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন শেখ দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বর্ষায় তুলসীগঙ্গায় নৌভ্রমণ, প্রকৃতির টানে ছুটছেন ভ্রমণপিপাসুরা</title>
		<link>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%97%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a7%8c%e0%a6%ad/</link>
					<comments>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%97%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a7%8c%e0%a6%ad/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sharifa Akter Liza]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 25 Aug 2026 08:29:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[জয়পুরহাট]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chalanbeelprobaho.com/?p=8229</guid>

					<description><![CDATA[বর্ষার পানিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের তুলসীগঙ্গা নদী। টইটম্বুর নদীতে ঢেউ, দুই পাড়জুড়ে সবুজের সমারোহ। আর সেই সৌন্দর্য উপভোগ করতে নৌকা নিয়ে নদীপথে ছুটছেন ভ্রমণপিপাসুরা। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সকালে আক্কেলপুর পৌর শহরের কাঁচাবাজারসংলগ্ন তুলসীগঙ্গা নদীর ঘাট থেকে পাটুল ও চলনবিলের উদ্দেশে নৌকা ছেড়ে যায়। পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের নিয়ে বিভিন্ন বয়সী মানুষ এসব [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বর্ষার পানিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের তুলসীগঙ্গা নদী। টইটম্বুর নদীতে ঢেউ, দুই পাড়জুড়ে সবুজের সমারোহ। আর সেই সৌন্দর্য উপভোগ করতে নৌকা নিয়ে নদীপথে ছুটছেন ভ্রমণপিপাসুরা।</p>
<p>শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সকালে আক্কেলপুর পৌর শহরের কাঁচাবাজারসংলগ্ন তুলসীগঙ্গা নদীর ঘাট থেকে পাটুল ও চলনবিলের উদ্দেশে নৌকা ছেড়ে যায়। পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের নিয়ে বিভিন্ন বয়সী মানুষ এসব নৌকায় ঘুরতে বের হন।</p>
<p>নৌকা যতই এগিয়ে যায়, ততই পেছনে পড়ে থাকে শহরের ব্যস্ততা। সামনে দেখা যায় পানি, সবুজ আর গ্রামবাংলার চেনা প্রকৃতি। কেউ গল্প করছেন, কেউ গান গাইছেন, আবার কেউ মুঠোফোনে ধারণ করছেন বর্ষার সৌন্দর্য।</p>
<p>আক্কেলপুরের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম বলেন, বর্ষায় নদীর সৌন্দর্য অন্যরকম লাগে। নৌকায় বসে দুই পাশের দৃশ্য দেখতে দেখতে সময় কেটে যায়। তাই প্রতিবছর সুযোগ পেলেই বন্ধুদের নিয়ে নৌভ্রমণে বের হন তিনি।</p>
<p>বর্ষায় তুলসীগঙ্গা নদীতে পানি বাড়ায় নৌকা চলাচলও স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। পাটুলের দিকে যেতে নদীর দুই পাশে দেখা যায় পানিতে ডুবে থাকা ফসলের মাঠ, গাছপালা ও গ্রামীণ জনপদ। কোথাও জেলেরা মাছ ধরছেন, কোথাও নদীর পাড়ে গরু চরছে।</p>
<p>জয়পুরহাট আদালতের আইনজীবী শহীদুল ইসলাম বলেন, শহরের ব্যস্ততা থেকে দূরে গিয়ে প্রকৃতির কাছে সময় কাটাতে নৌভ্রমণ বেশ ভালো লাগে। নদীর বাতাস, পানির ঢেউ আর চারপাশের সবুজ মিলিয়ে অন্যরকম প্রশান্তি পাওয়া যায়।</p>
<p>তুলসীগঙ্গা পেরিয়ে ছোট যমুনা ও আত্রাই নদের পথ ধরে নৌকা এগিয়ে যায় চলনবিলের দিকে। বর্ষায় নদ-নদী পানিতে ভরে ওঠায় নৌপথে চলাচলও সহজ হয়। বিস্তীর্ণ জলরাশির মাঝে ছইয়ের নিচে বসে গল্প, আড্ডা, গান ও ছবি তোলায় সময় কাটান ভ্রমণকারীরা।</p>
<p>ভ্রমণপিপাসুদের এই আগ্রহকে কেন্দ্র করে বড় নৌকা তৈরি করে ভাড়ায় চালাচ্ছেন আক্কেলপুরের কেশবপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা প্রবীণ চৌধুরী। প্রায় ছয় লাখ টাকা ব্যয়ে তৈরি নৌকাটির নির্মাণকাজ গত জুনে শেষ হয়।</p>
<p>তিনি জানান, মানুষ নৌকা ভাড়া নিয়ে চলনবিল, আত্রাই স্লুইসগেট, ত্রিমুহনী ও নান্দাসবিলসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যাচ্ছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%97%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a7%8c%e0%a6%ad/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্মৃতির পাতায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নয় মাস</title>
		<link>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sharifa Akter Liza]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 18:14:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত/বিশ্লেষণ ও অন্যান্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chalanbeelprobaho.com/?p=8223</guid>

					<description><![CDATA[২৫ আগস্ট—বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য একটি গভীর বেদনা ও স্মরণের দিন। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের পাহাড়-সমুদ্রঘেরা এলাকায় গড়ে ওঠে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শরণার্থী বসতি। প্রতিবছর এই দিনটি স্মরণে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (RRRC) কার্যালয়ের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>২৫ আগস্ট—বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য একটি গভীর বেদনা ও স্মরণের দিন। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের পাহাড়-সমুদ্রঘেরা এলাকায় গড়ে ওঠে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শরণার্থী বসতি।<br />
প্রতিবছর এই দিনটি স্মরণে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (RRRC) কার্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি এনজিও ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় নানা কর্মসূচির আয়োজন করে। দেখতে দেখতে প্রায় নয় বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু সংকটের সমাধান হয়নি। বরং জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি, প্রত্যাবাসনের অনিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ কমে আসায় সংকটটি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে।<br />
সাম্প্রতিক সময়ে খাদ্যসহায়তার বাজেট কমে যাওয়া এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার অর্থায়ন সংকুচিত হওয়ার প্রভাবও শরণার্থী জীবনে পড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে আশ্রয়ে থাকা একটি জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, জীবিকা ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা এখন আরও বড় চ্যালেঞ্জ।</p>
<p>এই সংকটকে আমি শুধু দূর থেকে দেখিনি। জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় আমি খুব কাছ থেকে এর সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের আগস্ট পর্যন্ত প্রায় নয় মাস কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ক্যাম্প ইন-চার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ হয়েছিল। আমার ক্যাম্প ছিল ১ ওয়েস্ট। প্রায় পাঁচ বছর আগের সেই সময়। সময় অনেকটা পেরিয়ে গেছে, কিন্তু ক্যাম্পের অসংখ্য মুখ, ঘটনা, পথ, বৃষ্টি, পাহাড়, মানুষের কথা—অনেক কিছুই এখনো স্মৃতিতে খুব জীবন্ত।</p>
<p>কক্সবাজার শহর থেকে প্রতিদিন ক্যাম্পে যেতাম। প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার পথ। কখনো মেরিন ড্রাইভ দিয়ে, কখনো মূল সড়ক ধরে। ক্যাম্পে প্রথম যেদিন গেলাম, সবকিছুই নতুন ও অপরিচিত মনে হয়েছিল। ক্যাম্পের প্রবেশমুখেই সারি সারি সেল্টার, ছোট ছোট দোকান, এনজিওগুলোর অফিস—সব মিলিয়ে একেবারেই ভিন্ন এক জগৎ। ক্যাম্প ইন-চার্জের অফিসে প্রবেশ বা বের হওয়ার সময় অনেক শিশুকে অবাক চোখে তাকিয়ে থাকতে দেখতাম। তারা কী ভাবত, কখনো জিজ্ঞেস করা হয়নি। কিন্তু সেই তাকিয়ে থাকা চোখগুলো আজও মনে পড়ে।</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="size-medium wp-image-8225 aligncenter" src="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/bithi-3-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/bithi-3-300x225.jpg 300w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/bithi-3-768x576.jpg 768w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/bithi-3.jpg 960w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /></p>
<p>কুতুপালং বাজার হয়ে ক্যাম্পে ঢোকার পথে প্রচুর দোকানপাট থাকায় প্রায়ই যানজট হতো। ক্যাম্পের ভেতরেও জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল অনেক বেশি। অফিসের স্টাফদের নিয়ে প্রায়ই ক্যাম্পে ড্রাইভ দিতাম। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতাম। অনুমোদন ছাড়া নির্মিত বা সম্প্রসারিত সেল্টার অপসারণ করতে হতো। পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে সেল্টার নির্মাণ করা হলে তা সরিয়ে দিতে হতো। বিভিন্ন এনজিওর দেওয়া খাবার বা অন্যান্য সামগ্রী অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বাইরে বিক্রির জন্য রাখা হলে সেগুলো জব্দ করার ঘটনাও ঘটেছে।<br />
এসব কাজ করতে গিয়ে ক্যাম্পের প্রতিটি ব্লকে প্রচুর হাঁটতে হয়েছে। প্রতিটি ব্লকের মাঝি আমাদের কাজে অনেক সহযোগিতা করতেন। তারা স্থানীয় পরিস্থিতি, মানুষের সমস্যা, বিভিন্ন ঘটনা এবং প্রয়োজনীয় নানা তথ্য জানাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন। বিশেষ করে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের সময় তাদের সহযোগিতা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>ক্যাম্পে নিয়মিত শুনানি নিতাম। এসি ল্যান্ডের দায়িত্ব পালন শেষে সরাসরি ক্যাম্পে গিয়ে শুনানি নেওয়ার বিষয়টি আমার ভালো লাগত। প্রতিদিনই আসত মানুষের নানা ধরনের সমস্যা ও অভিযোগ। এর মধ্যে একাধিক বিয়ে, স্ত্রী-সন্তানের ভরণপোষণ না দিয়ে চলে যাওয়া—এ ধরনের পারিবারিক বিরোধের ঘটনা ছিল উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বা Gender-Based Violence (GBV)-এর ঘটনাও মোকাবিলা করতে হয়েছে।</p>
<p>প্রথমদিকে স্থানীয় স্টাফদের সাহায্য ছাড়া রোহিঙ্গাদের কথাবার্তা বোঝা কঠিন ছিল। কিন্তু দুই-তিন মাস পর তাদের ভাষার অনেক কথাই বুঝতে পারতাম। বলতে পারতাম না, কিন্তু শুনে অর্থ বুঝে নিতে পারতাম। মানুষের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাজ করতে করতে ভাষার বাইরেও এক ধরনের যোগাযোগ তৈরি হয়ে গিয়েছিল।</p>
<p>রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রাখাইন অঞ্চলের বিভিন্ন উৎসব ও সাংস্কৃতিক আয়োজনও হতো। এনজিওগুলো এসব আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত থাকত। বিশেষ করে বিশ্ব নারী দিবসের কথা আমার খুব মনে পড়ে। ইউএন উইমেনের উদ্যোগে ক্যাম্পে বড় আয়োজন হয়েছিল। অন্যান্য দেশি-বিদেশি সংস্থাও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছিল।</p>
<p><img decoding="async" class="size-medium wp-image-8224 aligncenter" src="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/bithi-2-300x225.jpg" alt="" width="300" height="225" srcset="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/bithi-2-300x225.jpg 300w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/bithi-2-768x576.jpg 768w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/bithi-2.jpg 960w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /><br />
সে সময় ইউএন উইমেন আমাকে নিয়ে একটি ফিচার করেছিল। পরে কক্সবাজারের হোটেল সি গালে একটি অনুষ্ঠানে আমাকে বিশেষ অতিথি হিসেবে রাখা হয়। সেখানে আমার জীবনের এ পর্যন্ত উঠে আসার গল্প বলতে বলা হয়েছিল। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এমন একটি আন্তর্জাতিক আয়োজনে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার সুযোগ পাওয়া নিঃসন্দেহে আমার জন্য স্মরণীয় হয়ে আছে।<br />
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সঙ্গে বৃষ্টির স্মৃতিও ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</p>
<p>কক্সবাজারে মে মাসের শেষ দিক থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়। জুন-জুলাইয়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। পাহাড় ধস, জলাবদ্ধতা ও বন্যার আশঙ্কা তখন নিত্যদিনের বিষয়। বর্ষাকালে ক্যাম্প ইন-চার্জদের জন্য সময়টা ছিল অত্যন্ত কঠিন। বন্যা বা পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিলে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হতো। কিন্তু অনেকেই তাদের সেল্টার ছেড়ে যেতে চাইতেন না। বারবার বোঝানোর পরও কেউ কেউ নিজের ঘর, সামান্য সম্পদ ও পরিচিত জায়গা ছেড়ে যেতে রাজি হতেন না। পাহাড় ধসে বিপদের সম্ভাবনা তৈরি হলেও তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া সহজ ছিল না। সেই সময় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে ক্যাম্প ইন-চার্জদের যে মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যেতে হতো, তা বাইরে থেকে বোঝা কঠিন।</p>
<p>ক্যাম্পের প্রধান সড়কের যানজট কমানোর জন্য একবার বিপুলসংখ্যক অবৈধভাবে সম্প্রসারিত সেল্টার উচ্ছেদ করা হয়েছিল। পরে রাস্তার দুই পাশে গাছ লাগানো হয়। কাজটি তখন হয়তো একটি প্রশাসনিক উদ্যোগ হিসেবেই মনে হয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের মার্চে বহু বছর পর আবার ক্যাম্পে গিয়ে যখন দেখলাম, সেই গাছগুলোর অনেকগুলো এখনো বেঁচে আছে—বড় হয়েছে, আর কৃষ্ণচূড়ার গাছে ফুল ফুটেছে—তখন অদ্ভুত এক ভালো লাগা কাজ করছিল।<br />
মনে হলো, সময় চলে যায়, মানুষ বদলে যায়, দায়িত্ব বদলে যায়; কিন্তু কিছু কাজ নীরবে নিজের অস্তিত্ব রেখে যায়।</p>
<p>ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের সময়টিও ছিল অত্যন্ত ব্যস্ত ও চ্যালেঞ্জিং। মানুষকে বোঝানো, মাঝিদের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা, তাদের উখিয়া ডিগ্রি কলেজে নিয়ে যাওয়া এবং সেখান থেকে বাসে করে ভাসানচরের উদ্দেশ্যে পাঠানো—প্রতিটি ধাপেই ছিল অনেক পরিশ্রম ও সমন্বয়।<br />
সেই সময় ক্যাম্পের স্টাফ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দিন-রাত কাজ করেছেন। সিপিপি—Cyclone Preparedness Programme-এর স্বেচ্ছাসেবকরাও রাত-দিন দায়িত্ব পালন করেছেন। একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর স্থানান্তরের মতো জটিল কাজ বাস্তবায়নে প্রত্যেকের সমন্বিত প্রচেষ্টা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>ক্যাম্প ইন-চার্জের অফিসে একটি দরবার হল নির্মাণের জন্যও অনেক চাপ ও পরিশ্রম করতে হয়েছিল। আমার শেষ কর্মদিবসে সেই দরবার হলের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করে ক্যাম্প থেকে বিদায় নিয়েছিলাম।<br />
২০২৬ সালের মার্চে আবার ক্যাম্পে গিয়ে দেখলাম, সেই দরবার হলে মিটিং হচ্ছে। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে দেখছিলাম। মনে হচ্ছিল, পাঁচ বছর আগে যে জায়গাটিকে নিয়ে এত ব্যস্ততা, এত আলোচনা ও এত কাজ—আজ সেখানে নিয়মিত কার্যক্রম চলছে। নিজের একটি ছোট্ট কর্মপ্রচেষ্টার বাস্তব ফলাফল চোখের সামনে দেখতে পাওয়া সত্যিই অন্যরকম অনুভূতি।</p>
<p>ক্যাম্পে দুপুরের খাবারও ছিল আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ। আমরা ক্যাম্পেই দুপুরে খেতাম। কখনো কখনো অন্যান্য সিনিয়র স্যারগণ তাদের ক্যাম্পে দাওয়াত দিতেন। ব্যস্ততার মধ্যেও সহকর্মীদের সঙ্গে সেই খাবারের সময়গুলো হয়ে উঠেছিল আনন্দ ও আন্তরিকতার মুহূর্ত।</p>
<p>রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাটানো নয় মাস ছিল একই সঙ্গে মধুর ও তিক্ত অভিজ্ঞতায় ভরা। সেখানে ছিল প্রশাসনিক দায়িত্ব, মানবিক সংকট, নারী ও শিশুর নিরাপত্তা, পারিবারিক বিরোধ, বন্যা ও পাহাড় ধসের ভয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মানবিক সহায়তা সমন্বয়—আর ছিল অসংখ্য মানুষের জীবনের গল্প।</p>
<p>আজ প্রায় নয় বছর ধরে রোহিঙ্গা সংকট চলমান। একটি প্রজন্ম শরণার্থী হিসেবে বেড়ে উঠছে। যারা ২০১৭ সালে শিশু ছিল, তাদের অনেকেই এখন কৈশোর বা তারুণ্যে পা দিয়েছে। অথচ তাদের ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত। আন্তর্জাতিক মনোযোগ কমে যাওয়া এবং মানবিক সহায়তার অর্থায়ন সংকুচিত হওয়া এই দীর্ঘস্থায়ী সংকটকে আরও কঠিন করে তুলছে।<br />
২৫ আগস্ট তাই শুধু একটি তারিখ নয়। এটি একটি জনগোষ্ঠীর বাস্তুচ্যুতির ইতিহাসের স্মারক, তাদের হারানো ঘরবাড়ি ও স্বজনদের স্মরণ করার দিন, একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি প্রশ্ন—এই দীর্ঘস্থায়ী সংকটের শেষ কোথায়?</p>
<p>আর আমার কাছে ২৫ আগস্ট মানে শুধু রোহিঙ্গা সংকটের কথা স্মরণ করা নয়। এই দিনটি আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় কক্সবাজারের সেই পাহাড়ঘেরা ক্যাম্পে, ১ ওয়েস্টের সেই অফিসে, অসংখ্য মানুষের মুখের সামনে, বর্ষার ভেজা রাস্তায়, মাঝিদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনায়, স্টাফদের নিয়ে ব্যস্ত দিনরাত্রিতে।<br />
পাঁচ বছর পর যখন আবার ক্যাম্পে গিয়ে দেখি, কোনো কোনো গাছ বড় হয়ে গেছে, কৃষ্ণচূড়ায় ফুল ফুটেছে, আমাদের তৈরি করা দরবার হলে মিটিং হচ্ছে—তখন মনে হয়, সময় শুধু মানুষকে দূরে নিয়ে যায় না; কিছু স্মৃতিকে আরও গভীর করে তোলে।<br />
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাটানো সেই নয় মাস আমার চাকরিজীবনের একটি অধ্যায় মাত্র নয়; এটি আমার অভিজ্ঞতার ঝুলিতে জমে থাকা অসংখ্য গল্পের এক অনন্য অধ্যায়।</p>
<p>&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;</p>
<p><em><strong>লেখকঃ</strong> সিনিঃসহকারি সচিব</em></p>
<p><em>merinabiam2025@gmail.com </em></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ: অনুকরণীয় এক জীবন, অনুসরণীয় এক আদর্শ</title>
		<link>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%85%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a6-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81/</link>
					<comments>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%85%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a6-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sharifa Akter Liza]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 14:05:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[চলনবিল]]></category>
		<category><![CDATA[নাটোর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chalanbeelprobaho.com/?p=8213</guid>

					<description><![CDATA[মানুষ তার জীবন গড়ে তোলে মূলত অনুকরণ ও অনুসরণের মধ্য দিয়ে। সন্তান পিতা-মাতার কাছ থেকে শেখে, শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের কাছ থেকে জ্ঞান ও জীবনবোধ অর্জন করে। একজন নেতা-নেত্রীও দেশ-জাতির ইতিহাসে যাঁরা নেতৃত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তাঁদের জীবন, কর্ম ও আদর্শ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন। যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয়ী সেনাপতিরা যেমন সফল যোদ্ধাদের রণকৌশল ও অভিজ্ঞতা অধ্যয়ন করেন, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মানুষ তার জীবন গড়ে তোলে মূলত অনুকরণ ও অনুসরণের মধ্য দিয়ে। সন্তান পিতা-মাতার কাছ থেকে শেখে, শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের কাছ থেকে জ্ঞান ও জীবনবোধ অর্জন করে। একজন নেতা-নেত্রীও দেশ-জাতির ইতিহাসে যাঁরা নেতৃত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তাঁদের জীবন, কর্ম ও আদর্শ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন। যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয়ী সেনাপতিরা যেমন সফল যোদ্ধাদের রণকৌশল ও অভিজ্ঞতা অধ্যয়ন করেন, তেমনি মানুষের কল্যাণের পথও উন্মোচিত হয় ধর্মীয় নীতিমালা, মহামানবদের জীবন ও তাঁদের প্রদর্শিত আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে।</p>
<p>যাঁরা ত্যাগ, তপস্যা ও নিরলস কর্মের মধ্য দিয়ে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন, তাঁদের রেখে যাওয়া কীর্তি যুগের পর যুগ অন্যদের অনুপ্রেরণা জোগায়। তাঁদের জীবন ও কর্ম থেকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে জন্ম নেয় ত্যাগী, আদর্শবান ও মানবকল্যাণে নিবেদিত মানুষেরা।</p>
<p>অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ সাহেব ছিলেন তেমনই একজন অনুকরণীয় ও আদর্শ মানুষ। তিনি ছিলেন এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান। কিন্তু তাঁর স্বপ্ন ছিল অসাধারণ—গরিব, অসহায় ও অশিক্ষিত মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানো। মানুষের কল্যাণ ও এলাকার উন্নয়নকে জীবনের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেই তিনি ধীরে ধীরে সমাজে একজন আদর্শ ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।</p>
<p>যখন অধিকাংশ মানুষ নিজের ভবিষ্যৎ, নিজের পরিবার ও ব্যক্তিগত স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত, তখন আব্দুল হামিদ সাহেবের চিন্তার কেন্দ্রবিন্দু ছিল অন্যের কল্যাণ। মানুষের ভালো থাকা, এলাকার উন্নয়ন এবং পিছিয়ে পড়া মানুষকে এগিয়ে নেওয়াই হয়ে উঠেছিল তাঁর জীবনের অন্যতম ব্রত।</p>
<p>পিতার কঠোর শাসন এবং লেখাপড়ার প্রতি তাঁর অসীম উৎসাহ ও সহযোগিতা আব্দুল হামিদ সাহেবকে ছাত্রজীবনেই সাফল্যের পথে এগিয়ে দেয়। তিনি নিয়মিত ভালো ফলাফল অর্জন করতেন। ফলে ছাত্রজীবন থেকেই তাঁর মেধা, অধ্যবসায় ও চরিত্রের প্রতি সহপাঠী, শিক্ষক ও এলাকার মানুষের শ্রদ্ধা ও প্রশংসা তৈরি হয়। তিনি কখনো লক্ষ্যচ্যুত হননি; বরং নিজের জীবন গড়ার পাশাপাশি অন্যদের জীবন গড়ার চিন্তাও সব সময় নিজের মধ্যে ধারণ করেছেন।</p>
<p><img decoding="async" class="size-medium wp-image-8217 aligncenter" src="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/colonbiler-itikotha--205x300.jpg" alt="" width="205" height="300" srcset="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/colonbiler-itikotha--205x300.jpg 205w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/colonbiler-itikotha--698x1024.jpg 698w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/colonbiler-itikotha--768x1126.jpg 768w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/colonbiler-itikotha-.jpg 873w" sizes="(max-width: 205px) 100vw, 205px" /></p>
<p>তিনি ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ মানুষ। তবে তাঁর ধর্মচেতনা ছিল কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি বিশ্বাস করতেন—স্রষ্টাকে ভালোবাসার পাশাপাশি তাঁর সৃষ্টিকেও ভালোবাসতে হবে। সেই বিশ্বাস থেকেই ধর্ম, বর্ণ, উঁচু-নিচু কিংবা সামাজিক অবস্থানের কোনো পার্থক্য তিনি মানুষের মধ্যে করেননি। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবাইকে তিনি সমানভাবে ভালোবাসতেন, পথ দেখাতেন এবং প্রয়োজনের সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেন।</p>
<p>স্বার্থপরতা ও আত্মকেন্দ্রিকতা মানুষের মহত্ত্বের পথে বড় বাধা। যে ব্যক্তি সব সময় শুধু নিজের কথা চিন্তা করে, সে অন্যের উপকার করতে পারে না, মানুষের দোয়া অর্জন করতে পারে না এবং স্রষ্টার সন্তুষ্টিও লাভ করতে পারে না। আব্দুল হামিদ সাহেব ছিলেন এর সম্পূর্ণ বিপরীত। নিজের সামর্থ্য, সময়, শ্রম ও সম্পদ—সবকিছু তিনি অন্যের কল্যাণে ব্যয় করেছেন।</p>
<p>বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষার্থীরা তাঁর বাড়িতে এসে থাকত। তিনি তাঁদের নিজের সন্তানের মতো আশ্রয় দিতেন এবং লেখাপড়া চালিয়ে গিয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জনে সহযোগিতা করতেন। নিজের প্রয়োজনের কথা না ভেবে অন্যের জীবন গড়ে দেওয়াকেই তিনি বড় করে দেখেছেন। তাঁর ব্যস্ততা কখনো তাঁকে মানুষের প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো থেকে বিরত রাখতে পারেনি।</p>
<p>কেউ বিপদে পড়েছে, কোথাও মানুষের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে কিংবা কোনো সামাজিক কাজে তাঁর উপস্থিতি দরকার—তিনি ছুটে গেছেন সেখানে। কারও কাছ থেকে সাহায্য বা অনুদান নিয়ে নয়; বরং অনেক সময় নিজের পকেট থেকে খরচ করেছেন। অর্থের সংকট দেখা দিলে প্রয়োজনে ধার করেও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকি তাঁর সঙ্গে যারা কোনো কাজে যেতেন, তাঁদের খরচও অনেক সময় তিনি নিজেই বহন করতেন।</p>
<p>তাঁর আতিথেয়তাও ছিল অনন্য। বাড়িতে মেহমান এলে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত হতেন। ঘরে পর্যাপ্ত খাবার থাকুক বা না থাকুক, অতিথিকে তিনি সাদরে গ্রহণ করতেন। আমাদের দৈনন্দিন খাবার হয়তো ছিল ভাজি, ভর্তা, ডাল কিংবা পান্তা; কিন্তু অতিথি এলে তাঁর জন্য সাধ্য অনুযায়ী নানা ধরনের খাবারের আয়োজন করা হতো। তাঁর এই অসাধারণ আতিথেয়তার মধ্যে আমরা ইসলামের প্রাথমিক যুগের সাহাবায়ে কেরামের জীবনাদর্শের প্রতিফলন দেখতে পেতাম। তাই মাঝেমধ্যে আমরা মজা করে বলতাম—‘উনার তুলনা শুধু উনিই।’</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-8161 aligncenter" src="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/musiam-1-1-300x185.jpg" alt="" width="300" height="185" srcset="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/musiam-1-1-300x185.jpg 300w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/musiam-1-1.jpg 678w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></p>
<p>একজন বড় মানুষ হওয়ার জন্য প্রথম প্রয়োজন একটি পরিচ্ছন্ন ও উদার মন। অন্যের প্রতি বিদ্বেষ, হিংসা কিংবা খারাপ ধারণা পোষণ করে কেউ প্রকৃত অর্থে মহৎ হতে পারে না। স্রষ্টার ভালোবাসা পেতে হলে তাঁর সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ থাকা প্রয়োজন। আর সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হলে জ্ঞান অর্জনের বিকল্প নেই।</p>
<p>পৃথিবীর প্রতিটি ধর্মই স্রষ্টার উপাসনা, তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন, মানবসেবা, সৃষ্টির প্রতি দয়া এবং মানুষের প্রতি কর্তব্যবোধের শিক্ষা দেয়। কিন্তু জ্ঞান ছাড়া এসব মূল্যবোধ বাস্তব জীবনে যথাযথভাবে ধারণ ও প্রয়োগ করা কঠিন। তাই যাঁরা জ্ঞানী, উদার, মানবকল্যাণে নিবেদিত এবং ত্যাগের আদর্শে উজ্জীবিত, তাঁদের জীবন ও কর্ম পরবর্তী প্রজন্মের জন্য হয়ে ওঠে পথনির্দেশক।</p>
<p>শুধু বক্তৃতা দিয়ে মানুষ বড় হয় না। অধ্যয়ন, অধ্যবসায়, ত্যাগ, তিতিক্ষা এবং মানুষের কল্যাণে সক্রিয় অবদানই একজন মানুষকে সত্যিকার অর্থে মহৎ করে তোলে। অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ সাহেব ছিলেন জ্ঞানের এক বিশাল ভান্ডার। তাঁর বিভিন্ন লেখনীতে ছড়িয়ে আছে অগাধ জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও তথ্যের সমৃদ্ধ ভাণ্ডার।</p>
<p>আজকের মতো যখন কম্পিউটার, ইন্টারনেট কিংবা আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা ছিল না, তখন বইপত্র অধ্যয়ন, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নিরলস অনুসন্ধানের মাধ্যমেই জ্ঞান অর্জন করতে হতো। সেই সময়ে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলোকে লেখনীতে রূপ দেওয়া যে কত কঠিন ও শ্রমসাধ্য কাজ ছিল, তা সহজেই অনুমেয়। তাঁর জ্ঞানচর্চার ব্যাপকতা এবং নিরন্তর অধ্যয়ন তাঁকে জ্ঞানীদের কাতারে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান এনে দিয়েছিল। তাঁর জ্ঞান যেমন তাঁকে সমৃদ্ধ করেছে, তেমনি অসংখ্য মানুষকে পথ দেখিয়েছে।</p>
<p>প্রথমেই বলেছি, মানুষ অনুকরণ ও অনুসরণের মধ্য দিয়েই জীবনের অনেক কিছু শেখে। তবে যাকে অনুসরণ করছি, সে ব্যক্তি বা আদর্শটি সঠিক কি না—সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যারা সত্যিকার অর্থে মানুষের কল্যাণ করতে চায়, স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করতে চায় এবং সুন্দর জীবন গড়তে চায়, তাদের উচিত সফল ও সৎ মানুষের জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়া। শুধু গুণকীর্তন নয়; তাঁদের ভালো কাজ, আদর্শ ও মূল্যবোধ নিজের জীবনে প্রতিফলিত করাই হলো প্রকৃত অনুসরণ।</p>
<p>দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের নতুন প্রজন্মের একটি অংশ আজ নানা বিভ্রান্তি ও বিপথগামিতার শিকার। নেশা, হতাশা, মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার, অসামাজিক কর্মকাণ্ডের প্রচার এবং অযোগ্য ও অনুকরণীয় নয়—এমন ব্যক্তিদের অনুসরণ তাদের জীবনের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে। অনেক ক্ষেত্রে জ্ঞান ও তথ্যের ঘাটতি, অর্ধসত্যের ওপর নির্ভরতা এবং গঠনমূলক চিন্তার পরিবর্তে অকারণ সমালোচনার প্রবণতা তাদের সঠিক পথ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-8218 aligncenter" src="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/mh-college-1-1-300x126.png" alt="" width="300" height="126" srcset="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/mh-college-1-1-300x126.png 300w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/mh-college-1-1-1024x429.png 1024w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/mh-college-1-1-768x321.png 768w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/mh-college-1-1-1536x643.png 1536w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/mh-college-1-1.png 1938w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></p>
<p>এই বাস্তবতায় অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ সাহেবের জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের জন্য একটি আলোকবর্তিকা হতে পারে। তাঁর জীবন আমাদের শেখায়—মানুষের জন্য বাঁচতে হয়, জ্ঞান অর্জন করতে হয়, নিজের সামর্থ্যকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে হয় এবং ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধকে জীবনে ধারণ করতে হয়।</p>
<p>তাঁর জীবন ও অর্জন সম্পর্কে বিশেষ করে ছাত্রসমাজের জানা প্রয়োজন। কারণ একটি আদর্শ সমাজ ও উন্নত দেশ গড়ে তুলতে হলে নতুন প্রজন্মকে সঠিক মানুষ ও সঠিক আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। তাঁদের জানতে হবে, বড় হওয়ার অর্থ শুধু অর্থ-সম্পদ কিংবা পদ-পদবি অর্জন নয়; বরং মানুষের ভালোবাসা, দোয়া ও শ্রদ্ধা অর্জন করাই জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য।</p>
<p>অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ সাহেব তাঁর জীবন দিয়ে সেই সত্যই প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। তিনি নিজের জন্য যতটা না বেঁচেছেন, তার চেয়ে অনেক বেশি বেঁচেছেন মানুষের জন্য। তাঁর ত্যাগ, জ্ঞান, মানবিকতা, উদারতা, আতিথেয়তা ও সমাজসেবার আদর্শ আগামী প্রজন্মকে আলোকিত করুক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।</p>
<p>আমরা তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। মহান আল্লাহ যেন তাঁর সকল নেক আমল কবুল করেন, তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন এবং আমাদের সবাইকে তাঁর দেখানো মানবকল্যাণের পথে চলার তৌফিক দান করেন।</p>
<p>আমাদের বিশ্বাস, নতুন প্রজন্ম যদি অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদের মতো আদর্শবান মানুষের জীবন ও কর্ম থেকে শিক্ষা নেয়, তাঁদের ভালো কাজগুলো নিজের জীবনে ধারণ করে এবং মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসে, তাহলেই ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সেই পথে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন।</p>
<p>&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;</p>
<p><em><strong>লেখকঃ</strong> বিশিষ্ট  গ্যাস্ট্রোএন্টালোরজিস্ট </em></p>
<p><em>মরহুম এম এ হামিদের ছোট ভাই </em></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%85%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a6-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>টেম্পোর ধাক্কায় ভেঙে পড়ল পর্যটক এক্সপ্রেসের বগির দরজা</title>
		<link>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1/</link>
					<comments>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sharifa Akter Liza]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 13:48:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chalanbeelprobaho.com/?p=8212</guid>

					<description><![CDATA[চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার গোমদণ্ডী রেলগেট এলাকায় একটি টেম্পোর সঙ্গে ধাক্কায় কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি যাত্রীবাহী বগির দরজার অংশ ভেঙে মাটিতে পড়ে গেছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা পৌনে ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। রেলওয়ে সূত্র জানায়, গোমদণ্ডী স্টেশন ও বুড়িপুকুর পাড় এলাকার মাঝামাঝি রেললাইনের পাশে টেম্পোটি দাঁড়িয়ে ছিল। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার গোমদণ্ডী রেলগেট এলাকায় একটি টেম্পোর সঙ্গে ধাক্কায় কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি যাত্রীবাহী বগির দরজার অংশ ভেঙে মাটিতে পড়ে গেছে।</p>
<p>সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা পৌনে ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।</p>
<p>রেলওয়ে সূত্র জানায়, গোমদণ্ডী স্টেশন ও বুড়িপুকুর পাড় এলাকার মাঝামাঝি রেললাইনের পাশে টেম্পোটি দাঁড়িয়ে ছিল। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি ওই স্থান অতিক্রম করার সময় টেম্পোটির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ট্রেনের একটি বগির দরজার অংশ ভেঙে মাটিতে পড়ে যায়।</p>
<p>গোমদণ্ডী রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার কাঞ্চন ভট্টাচার্য জানান, দুর্ঘটনার পর ভেঙে যাওয়া দরজার অংশটি রেলওয়ের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। টেম্পোটিও জব্দ করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার সময় টেম্পোটিতে চালক বা কোনো যাত্রী ছিলেন না।</p>
<p>পটিয়া স্টেশনের সহকারী মাস্টার তন্ময় চৌধুরী জানান, ধাক্কার পর ট্রেনটি দুপুর ১টার দিকে পটিয়া স্টেশনে এসে থামে। সেখানে প্রায় ১৫ মিনিট দাঁড় করিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দরজাটি মেরামত করা হয়।</p>
<p>মেরামতের কাজ শেষ হলে পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি আবার কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%a1/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চলনবিলরত্ন</title>
		<link>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sharifa Akter Liza]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 13:09:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[গুরুদাসপুর]]></category>
		<category><![CDATA[চলনবিল]]></category>
		<category><![CDATA[নাটোর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chalanbeelprobaho.com/?p=8204</guid>

					<description><![CDATA[(বড় মামা এম এ হামিদ-এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে) জান্নাত থেকে নেমে আসা এক মহান পুরুষ সত্য ন্যায় আর সততার মূর্ত প্রতীক বিত্ত বৈভবের মোহ স্পর্শ করেনি কখনো নিভৃত পল্লির বুকে সৃষ্টিকর্তার অপূর্ব দান সংকীর্ণতার খোলস ভেঙে গেয়েছো মানবতার গান। বীর তুমি নির্ভীক যোদ্ধা সময়ের সাহসী সন্তান; অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ অকুতোভয়ে এগিয়ে গেছ ভেঙ্গে সকল বাধ। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>(বড় মামা এম এ হামিদ-এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে</strong>)</p>
<p>জান্নাত থেকে নেমে আসা এক মহান পুরুষ<br />
সত্য ন্যায় আর সততার মূর্ত প্রতীক<br />
বিত্ত বৈভবের মোহ স্পর্শ করেনি কখনো<br />
নিভৃত পল্লির বুকে সৃষ্টিকর্তার অপূর্ব দান<br />
সংকীর্ণতার খোলস ভেঙে গেয়েছো মানবতার গান।</p>
<p>বীর তুমি<br />
নির্ভীক যোদ্ধা<br />
সময়ের সাহসী সন্তান;<br />
অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ<br />
অকুতোভয়ে এগিয়ে গেছ<br />
ভেঙ্গে সকল বাধ।</p>
<p>পল্লি মায়ের অমূল্য রত্ন তুমি<br />
এক পরশ পাথর<br />
যার স্পর্শে সোনা হয়েছে<br />
চলনবিলের ধূলিকণা<br />
এ সবই আমাদের জানা।</p>
<p>নিজকে নিয়ে ভাববার সময় কোথায়?<br />
চলনবিলের উন্নয়ন চিন্তায় কাটিয়েছ নির্ঘুম রাত<br />
অসহায় মানুষকে বেসেছিলে ভালো<br />
তাইতো আমাদের ঘরে জ্বলছে আলো।</p>
<p>সময়ের হাত ধরে সবাই চলে যাই<br />
চলে তো যেতেই হয়<br />
শুধু কিছু সোনালি স্মৃতি অমর হয়ে রয়।</p>
<p>তুমি নেই<br />
চলে গেছ না ফেরার দেশে<br />
তাইতো বড় অসহায় আমরা<br />
তোমার স্মৃতিগুলো হাতরে ফিরি<br />
যন্ত্রণায় ছটফট করে বুক<br />
মুহূর্তেই হয়ে যাই বিমর্ষ মূক।</p>
<p>অন্ধকারাচ্ছন্ন চলনবিলের মাঝে<br />
জ্বেলেছ তুমি হাজার রঙের দীপ<br />
যার অনির্বাণ শিখা জ¦লবে যুগ যুগান্তরে<br />
আমাদের প্রতিটি ঘরে।</p>
<p>হে মহান, তোমাকে ভুলবার নয়<br />
হৃদয়ে নিরেট বিশ্বাস জাগে<br />
তোমার কীর্তিগাথা গীত হবে<br />
সোনার বাংলার সবুজ নিসর্গ ছায়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বরিশালের সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ</title>
		<link>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sharifa Akter Liza]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 13:02:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[দেশপ্রবাহ]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chalanbeelprobaho.com/?p=8205</guid>

					<description><![CDATA[মহাসড়কের বিভিন্ন বাস কাউন্টারের সামনে থেকে থ্রি-হুইলারে যাত্রী তোলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন বাস মালিক ও শ্রমিকরা। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে এ অবস্থা চলছে। এতে বরিশাল ও কুয়াকাটার সঙ্গে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকার বাস যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে দুর্ভোগে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মহাসড়কের বিভিন্ন বাস কাউন্টারের সামনে থেকে থ্রি-হুইলারে যাত্রী তোলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন বাস মালিক ও শ্রমিকরা।</p>
<p>সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে এ অবস্থা চলছে। এতে বরিশাল ও কুয়াকাটার সঙ্গে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকার বাস যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো যাত্রী।</p>
<p>সকাল ১০টার দিকে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার শিমুলতলা এলাকায় থ্রি-হুইলারের মালিক-চালকদের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ রুটের বাস শ্রমিকদের বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।</p>
<p>বাস শ্রমিকদের অভিযোগ, শিমুলতলা এলাকায় থ্রি-হুইলারের মালিক ও শ্রমিকরা প্রায় ২০টি যাত্রীবাহী বাস আটকে রাখেন। খবর পেয়ে বরিশাল বাস মালিক গ্রুপের নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও দুপুর পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি।</p>
<p>এরপর বরিশাল বাস মালিক ও শ্রমিক নেতারা নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন। এতে টার্মিনালে এসে অনেক যাত্রীকে ফিরে যেতে হয়েছে। কেউ কেউ বিকল্প যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছেন।</p>
<p>বাস মালিক ও শ্রমিকদের দাবি, মহাসড়কে নিষিদ্ধ থ্রি-হুইলার চলাচলের কারণে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বাস কাউন্টারের সামনে থ্রি-হুইলার দাঁড় করিয়ে যাত্রী তোলায় বাস চলাচলেও বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।</p>
<p>তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কে এসব যান চলাচল বন্ধের দাবি জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অবৈধভাবে চলাচলকারী থ্রি-হুইলার বন্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত বাস চলাচল স্বাভাবিক করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।</p>
<p>হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। বানারীপাড়া থেকে বরিশালগামী যাত্রী মোতালেব মিয়া বলেন, জরুরি কাজে বরিশালে যাওয়ার জন্য বের হয়েছিলেন। কিন্তু বাস বন্ধ থাকায় পথে আটকে পড়েছেন। কখন বাস চলবে, তাও তিনি জানেন না।</p>
<p>বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার বলেন, বাস চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সৌদি আরবের উপকূলে বাণিজ্যিক ট্যাংকারে হামলা</title>
		<link>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sharifa Akter Liza]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 12:22:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chalanbeelprobaho.com/?p=8198</guid>

					<description><![CDATA[সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূলের ইয়ানবু বন্দরের কাছে একটি বাণিজ্যিক ট্যাংকার জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য সংস্থা ইউকেএমটিও এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি জানায়, ইয়ানবু বন্দর থেকে প্রায় ৬৩ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে একটি অজ্ঞাত বস্তু জাহাজটিতে আঘাত করে। এতে জাহাজের মূল ডেকে আগুন ধরে যায়। ইউকেএমটিও জানায়, হামলার পর জাহাজের সব [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূলের ইয়ানবু বন্দরের কাছে একটি বাণিজ্যিক ট্যাংকার জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য সংস্থা ইউকেএমটিও এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p>সংস্থাটি জানায়, ইয়ানবু বন্দর থেকে প্রায় ৬৩ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে একটি অজ্ঞাত বস্তু জাহাজটিতে আঘাত করে। এতে জাহাজের মূল ডেকে আগুন ধরে যায়।</p>
<p>ইউকেএমটিও জানায়, হামলার পর জাহাজের সব ক্রু নিরাপদ ও অক্ষত রয়েছেন। পরিবেশের ওপরও কোনো ক্ষতিকর প্রভাব পড়েনি।</p>
<p>জাহাজটির নিরাপত্তা কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, অজ্ঞাত বস্তুটি আঘাত করার পরপরই ডেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।</p>
<p>লোহিত সাগরের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ইউকেএমটিও। একই সঙ্গে কোনো সন্দেহজনক তৎপরতা দেখা গেলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সাম্প্রতিক সময়ে লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি আরও বেড়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আমাদের হামিদ সাহেব</title>
		<link>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sharifa Akter Liza]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 12:21:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[গুরুদাসপুর]]></category>
		<category><![CDATA[চলনবিল]]></category>
		<category><![CDATA[নাটোর]]></category>
		<category><![CDATA[সিরাজগঞ্জ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chalanbeelprobaho.com/?p=8195</guid>

					<description><![CDATA[১৯৬৮ সালের কথা। বাবার কোলে চড়ে কিংবা হাত ধরে স্কুলে এসে নদীর কিনারে দাঁড়িয়ে দুটি  বিশাল আকৃতির এবং একটি ছোট্ট লঞ্চ দেখতে পেলাম।  বিশাল আকৃতির লঞ্চের একটিতে শেরওয়ানি পরিহিত,  শ্মশ্রুমণ্ডিত এবং একটি এটাচি ব্যাগ হাতে সৌম্য ক্লান্তিময় চেহারার এক ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে আছেন। বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম উনি কে.? বাবা বললেন, ইনিই আমাদের বিখ্যাত হামিদ সাহেব। তৎকালীন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>১৯৬৮ সালের কথা। বাবার কোলে চড়ে কিংবা হাত ধরে স্কুলে এসে নদীর কিনারে দাঁড়িয়ে দুটি  বিশাল আকৃতির এবং একটি ছোট্ট লঞ্চ দেখতে পেলাম।  বিশাল আকৃতির লঞ্চের একটিতে শেরওয়ানি পরিহিত,  শ্মশ্রুমণ্ডিত এবং একটি এটাচি ব্যাগ হাতে সৌম্য ক্লান্তিময় চেহারার এক ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে আছেন। বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম উনি কে.? বাবা বললেন, ইনিই আমাদের বিখ্যাত হামিদ সাহেব।</p>
<p>তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর  মোনায়েম খাঁন , খুবজীপুর হাই স্কুলে  এসেছিলেন।  সেই দিনই প্রথম আমার বাবার কাছ থেকে অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদের পরিচয় পেয়েছিলাম। তারপর তো জীবনের প্রায় ২৫ বছর কেটে গেছে, তার অনুপম সান্নিধ্যে,তখন তিনি আমার কাছে অধ্যাপক কিংবা অধ্যক্ষ  নন, পরম ভালোবাসার হামিদ ভাই। তাঁরই আপন হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান খুবজীপুর মোজ্জামেল হক কলেজে আমাকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আজীবন কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ  করেছেন।  জীবনের  পরতে পরতে  হামিদ ভাইয়ের অবদান|</p>
<p>আমি তাঁর শিক্ষকতা জীবন নিয়ে খানিকটা আলোকপাত করতে চাই। ১৯৫৩ সালের শুরু থেকে এম এসসি- পরীক্ষার ফল  প্রকাশের পূর্ব পর্যন্ত অধ্যক্ষ এম এ হামিদ ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ থানার কলাতিয়া হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেন।  তারপর রংপুর  কারমাইকেল কলেজ,  পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ, যশোর এম এম কলেজ, মহিপুর হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজ, ডেপুটেড অধ্যক্ষ,  বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ, অধ্যক্ষ মজিবুর রহমান সরকারি মহিলা কলেজে যোগদান এবং ১৯৮৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি তিনি অবসরে যান।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class=" wp-image-8199 aligncenter" src="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/mh-college--300x126.png" alt="" width="388" height="163" srcset="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/mh-college--300x126.png 300w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/mh-college--1024x429.png 1024w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/mh-college--768x321.png 768w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/mh-college--1536x643.png 1536w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/mh-college-.png 1938w" sizes="auto, (max-width: 388px) 100vw, 388px" /></p>
<p>নিজ গ্রাম এবং বিভিন্ন অঞ্চলে নানা ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ক্লাব, পাঠাগার,  পোস্ট অফিস গড়ে তোলার পিছনে তার শিক্ষকতা সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। কারণ তিনি  দেশের নামীদামী &#8211; কলেজে শিক্ষকতা করায়,  তাঁরই  ছাত্রেরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন।  সেই সুবাদে অধ্যক্ষ এমএ হামিদের পক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান  গড়ে তোলার কাজটি সহজ হয়েছিল।  A teacher is like a candle, it consumes itself to light the way for others.  এই মহান শিক্ষক  নিজে আলোকিত হয়ে অন্যকে  আলোদান করেছেন। আলোকিত করেছেন তার আশেপাশের অন্ধকার। তাঁরই জ্বালানো দ্বীপ  শিখায় আজ দেশের আনাচে কানাচে হাজারো প্রদীপ জ্বলছে ।</p>
<p>তিনি চলনবিলের ইতিকথার মত বিখ্যাত বই লেখার সাথে সাথে তাঁর প্রিয় ছাত্রদের জন্য Intermediate practical chemistry,  Degree practical chemistry,   রসায়নের তেলেসমাতী লিখেছেন।  বহুচেষ্টা করেও এই বই গুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।</p>
<p>অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদের গুরু ভক্তি অচিন্ত্যনীয়। চাঁচকৈড় নাজিমুদ্দিন  হাই স্কুলের প্রবাদ প্রতিম হেড মাস্টার জনাব রবিউল করিম ছিলেন তার প্রিয় শিক্ষক। এই প্রিয় শিক্ষকের মাথা ও হাত-পা টেপা,জামা কাপড় পরিষ্কার করা, গুরুর লেখা চিঠি গুরুদাসপুরে গিয়ে পোস্ট করা এ ছিল শিষ্যর নিত্যদিনের কাজ । আজকের দিনে এমন শিষ্য মেলা ভার।</p>
<p>সুখ -দুঃখের শেষ পরিণাম হিসেবে আমরা সবাই এক মুষ্টি ধুলো হয়ে যাব কিন্তু যার যা সৃষ্টি তা তাকে স্মরণে রাখবে যুগ যুগ ধরে।</p>
<p>অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আছে তার বিশাল কর্মযজ্ঞ। তাঁকে মনে রাখার জন্য তাই যথেষ্ট।</p>
<p>তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম&#8230;.।</p>
<p>&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-</p>
<p><em><strong>লেখকঃ</strong> অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক</em></p>
<p><em>খুবজীপুর এম হক ডিগ্রী কলেজ</em></p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রতনে রতন চেনে: অধ্যক্ষ এম এ হামিদের সান্নিধ্যে কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ</title>
		<link>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a6%8f%e0%a6%ae-%e0%a6%8f/</link>
					<comments>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a6%8f%e0%a6%ae-%e0%a6%8f/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sharifa Akter Liza]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 11:34:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[চলনবিল]]></category>
		<category><![CDATA[দেশপ্রবাহ]]></category>
		<category><![CDATA[নাটোর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chalanbeelprobaho.com/?p=8182</guid>

					<description><![CDATA[অধ্যক্ষ সরদার এম এ হামিদের সাথে আমার সান্নিধ্য শৈশবকাল থেকেই এবং সেটি পারিবারিক পর্যায় থেকে হলেও মূলতঃ সাহিত্য ও সমাজসেবার কারণেই। আমার পিতা মরহুম তোফায়েল উদ্দিন সিদ্দিকীর সাথে দেশভাগের আন্দোলনের সময় থেকে চলনবিল মুসলিম ছাত্র সমিতি (২০/০৬/১৯৪৭ খ্রিঃ), চলনবিল ডেভেলপমেন্ট কমিটি (বৃহত্তর রাজশাহী-পাবনা), গুরুদাসপুর থানা শিক্ষা সংঘ, চলনবিল পল্লী উন্নয়ন সমিতি (১৯৬৭ খ্রিঃ) প্রভৃতি সংঘ-সমিতি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>অধ্যক্ষ সরদার এম এ হামিদের সাথে আমার সান্নিধ্য শৈশবকাল থেকেই এবং সেটি পারিবারিক পর্যায় থেকে হলেও মূলতঃ সাহিত্য ও সমাজসেবার কারণেই। আমার পিতা মরহুম তোফায়েল উদ্দিন সিদ্দিকীর সাথে দেশভাগের আন্দোলনের সময় থেকে চলনবিল মুসলিম ছাত্র সমিতি (২০/০৬/১৯৪৭ খ্রিঃ), চলনবিল ডেভেলপমেন্ট কমিটি (বৃহত্তর রাজশাহী-পাবনা), গুরুদাসপুর থানা শিক্ষা সংঘ, চলনবিল পল্লী উন্নয়ন সমিতি (১৯৬৭ খ্রিঃ) প্রভৃতি সংঘ-সমিতি গঠণ এবং সেগুলির সাথে উভয়ে যুক্ত থাকায় পরষ্পরের বাড়ীতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল। সেকারণেই আমার জীবনে শিশুভূলানো নাবিস্কো চকলেট-টফি থেকে তাঁর বাসার ডাইনিং টেবিল পর্যন্ত এবং শিক্ষা ও কর্মজীবনে অনেক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সভায় আমন্ত্রণে বা কার্যোপলক্ষ্যে সফরসঙ্গী ও সান্নিধ্যের সৌভাগ্য হয়েছে। সেই সুবাদে পরিচয় হয়েছে অনেক বিশিষ্টজনের সঙ্গে।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-8192 aligncenter" src="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/abdul-hamid-1-final-1-300x166.jpg" alt="" width="300" height="166" srcset="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/abdul-hamid-1-final-1-300x166.jpg 300w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/abdul-hamid-1-final-1-1024x565.jpg 1024w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/abdul-hamid-1-final-1-768x424.jpg 768w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/abdul-hamid-1-final-1-1536x848.jpg 1536w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/abdul-hamid-1-final-1.jpg 1589w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /></p>
<p>অধ্যক্ষ এম এ হামিদ একজন সত্যিকারের জ্ঞানী এবং সমাজহিতৈষী ব্যক্তি ছিলেন। সেকারণে তিনি জ্ঞানীগুণীর কদর বুঝতেন এবং সমঝদার ছিলেন, তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং মতবিনিময় করতেন। দেশে-বিদেশে যেখানে এবং যত দূর্গম এলাকাতেই যেতেন, সেখানকার গুণিজনের সাথে তাঁর প্রতিষ্ঠানে এমনকি বাড়ীতে যেয়ে দেখা করে আসতেন, নিজের লেখা বই উপহার দিতেন। তিনি বিশেষ করে আশির দশকে যেখানে যেতেন তাঁর উদ্ভাবিত এবং বাংলা একাডেমী ও কেবিনেট অনুমোদিত ‘আধুনিক বাংলা পঞ্জিকা’ বা ‘বঙ্গাব্দ সংষ্কারের’ প্রস্তাবের সমর্থনে স্বলিখিত এবং সাইক্লোস্টাইল করা হ্যান্ডবিল বিতরণ করতেন। এখানে আমার স্মৃতির অতল থেকে তেমনি কয়েকজন ব্যক্তির সাথে পরিচয়ের কথা বলবো।</p>
<p>অধ্যক্ষ এম এ হামিদ আমাকে একদিন বগুড়া থানা রোডের প্রজাবাহিনী প্রেসে নিয়ে গেলেন। সেখানে একজন একজন অশীতিপর বৃদ্ধকে দেখে তার সাথে মোসাফা করলেন। আমাকে বললেন, ‘ইনি হচ্ছেন কবি রোস্তম আলী কর্ণপূরী। বগুড়ার অনেক বড় কবি এবং সুলেখক।’ আমি ততদিনে তার কথা শুনেছি এবং লেখা পড়েছি। ঐদিন আরো জানলাম যে, তিনি বগুড়া জেলা স্কুলের কিংবদন্তী প্রধান শিক্ষক তাজমিলুর রহমার স্যারের শ্বশুর। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফর্সা দীর্ঘদেহী প্রেসের প্রৌঢ় মালিক সামনের একটি ভাঙ্গা দাঁতে উচ্ছ্বসিত হাসিসহ প্রবেশ করেই দু’জনের সাথে মোলাকাত করলেন। আমাকে বললেন ‘উনি হলেন বাচ্চু মিয়া তরফদার।’ পরে জানলাম তৎপিতা মরহুম রজিব উদ্দিন তরফদারই ছিলেন দৈনিক ‘প্রজাবাহিনী’ প্রেস ও পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং উত্তরবঙ্গের প্রকাশনার অগ্রজ ও বিশিষ্ট লেখক। জনাব বাচ্চু মিয়া তফরফদার সেই পারিবারিক ঐতিহ্য বুকে আগলে ধরে রেখেছেন। পুরাতর ভাঙ্গাচোড়া টেবিলে সেদিন সেই ত্রিরত্নের জ্ঞানগর্ভ আলোচনা আমি অবাক বিস্ময়ে অনুধাবন করছিলাম।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-8188 aligncenter" src="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/shiblu-5-1-175x300.jpg" alt="" width="175" height="300" srcset="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/shiblu-5-1-175x300.jpg 175w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/shiblu-5-1-598x1024.jpg 598w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/shiblu-5-1-768x1314.jpg 768w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/shiblu-5-1-898x1536.jpg 898w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/shiblu-5-1.jpg 935w" sizes="auto, (max-width: 175px) 100vw, 175px" /><br />
একদিন বগুড়ার সপ্তপদী মার্কেটের করিডোরে কোনা ঝুলানো খদ্দরের পাঞ্জাবী পরিহিত নেতা গোছের কেউ ‘দোওয়া চাই, স্যার’ বলে একহাতে অধ্যক্ষ এম এ হামিদের পা’ ছুলেন । আমি বোবার মত মুখের দিকে তাকালে বললেন,‘ চেননা? এতো ফেরদৌস জামান মুকুল, কলেজের সাবার প্রিয় নেতা ছিল, এখন জননেতা’ বলে তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিতে থাকলেন। আমি আগেই মুকুল ভাইয়ের বিষয়ে শুনেছি সেদিন স্বচক্ষে দেখলাম।</p>
<p>একদিন পুলিশ বিভাগের এক আলোচনা সভায় ঢুকতেই অধ্যক্ষ এম এ হামিদ লেখিকা রোমেনা আফাজের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। গোয়েন্দা উপন্যাস বনহুর সিরিজের রোমেনা আফাজ এবং মাসুদ রানা সিরিজের কাজী আনোয়ার হোসেন আমাদের কাছে অত্যন্ত পাঠকনন্দিত ছিলেন। লাইব্রেরী থেকে বই ভাড়া নিয়ে বনহুর পড়তাম এবং পরবর্তী সংখ্যা প্রকাশের অপেক্ষা করতাম। ওনারা মঞ্চে গিয়ে বসলেন, আমি অডিয়েন্সে। পরিচিতি পর্বে রোমেনা আফাজ জানালেন যে তাঁর বাবা দারোগা (ইন্সপেক্টর) ছিলেন। তখন উপস্থিত সদর থানার ওসি তাঁর দিকে সেলুট ছুঁড়ে দিলেন। পরে খালাম্মার সাথে অনেকদিন যোগাযোগ ছিল। তাঁর পূত্র তখন বগুড়া মিনিবাস মালিক সমিতির সেক্রেটারী। আব্বার মৃত্যুসংবাদ জানার পর তাঁকে দাফনের জন্য অধ্যক্ষ এম এ হামিদ তার কাছে থেকেই একটি মাইক্রোবাস ভাড়া করে আমাকে নিয়ে শেষ বেলা রওয়ানা দিয়েছিলেন । কিন্ত সলঙ্গা নদী পর্যন্তই যেতেই রাত, মুষলধারে বৃষ্টি। খেয়া পার হয়ে আশ্রয় হলো যার বাড়ী পরে জানলাম তিনিও একজন বিশিষ্ট শিক্ষক, মরহুম আব্দুল আজিজ মাস্টার।</p>
<p>গুরুদাসপুর-তাড়াশ দুইটি উপজেলা সদর সংযুক্ত করে নাটোর-সিরাজগঞ্জ আন্তজেলা সড়ক নির্মানের জন্য প্রায় দশ বছর নিরলস পরিশ্রম করেছিলেন অধ্যক্ষ এম এ হামিদ। তাঁর নিকট আমি এ সংক্রান্ত দুইটি কোর্ট ফাইল ভর্তি চিঠিপত্র, ম্যাপ-নকশা দেখেছি। তখন চলনবিলবাসী যমুনাসেতু দিয়ে সড়কপথে সরাসরি ঢাকা যাওয়ার চিন্তাই করতে পারেননি, নাটোর থেকে পাবনা বা বগুড়া ঘুরে সিরাজগঞ্জ যেতে হতো। তখন তিনি সরকারি মজিবর রহমান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ। আমাকে কলেজ অফিসে ডেকে নিলেন, সেখানে এক মহিলা বসেছিলেন তাকে দেখিয়ে বললেন, ইনি অধ্যাপক হোসনে আরা। পরে জানালেন তিনি  প্রাকৃতিকভাবেই পুরুষ থেকে মহিলায় লিঙ্গান্তরিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি বিশিষ্ট  এনজিও ব্যক্তিত্ব এবং এখনও টিএমএসএস এর কর্ণধার। তারপর আমাকে একটি খাম দেখিয়ে বললেন, মামা! একটা ভাল খবর আছে: তাড়াশ-খুবজীপুর-গুরুদাসপুরকে সংযুক্ত করেই মহাসড়কটি নির্মাণের গ্রীণ সিগন্যাল পেয়েছি। তুমি রাজশাহী সড়কভবনে যাও,  ধামাইচ অথবা খুবজীপুর দুই ওয়েতেই সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে সম্ভাব্যতা ও যৌক্তিকতা যাচাই করে পাঠাতে হবে। আমি হাতনকশা করে দিলাম, বাকীটা টেলিফোনে আলাপ করে নেব। পরদিন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের বিপরীতে সড়কভবনে যার কাছে গেলাম তার নাম সম্ভবত: মোঃ ফজলুর রহমান, বেশ বড়সড় পদে ছিলেন। তিনি আমাকে আমার পিতৃপরিচয় সূত্রেই চিনলেন। বললেন, ‘তাড়াশের সগুনা (ধামাইচ- খুবজীপুর উভয় পথে কুন্দইল সংযোগ) সহ আটজন ইউপি ও দুইজন উপজেলা চেয়ারম্যানই ধামাইচের পক্ষে। এই দেশপ্রেমিক সমাজসেবকের স্বপ্ন শেষমেষ যে কি হবে, আল্লাহ মালুম।’</p>
<p>এরপর একদিন রাজশাহীতে অধ্যক্ষ এম এ হামিদের সফরসঙ্গী ছিলাম। নিয়ে গেলেন এক অফিসে যেখানে দুই স্তরের নিরাপত্তাবেষ্ঠিত একজন কর্মকর্তা, যিনি নিজে এগিয়ে এসে ভিতরে নিয়ে গেলেন। তিনি তখনকার রাজশাহীর সম্ভবত: ডিডিএনএসআই এবং নাম আমজাদ হোসেন। তবে আইন-শৃংখলা-নিরাপত্তা নয়, রাস্তাঘাট আর অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হলো ।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-8189 aligncenter" src="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/cb99df498b674511aca7ee648b800093-300x198.png" alt="" width="300" height="198" srcset="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/cb99df498b674511aca7ee648b800093-300x198.png 300w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/cb99df498b674511aca7ee648b800093-768x507.png 768w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/cb99df498b674511aca7ee648b800093.png 922w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /><br />
ছোটবেলা থেকেই আমার লেখালেখির প্রতি ঝোঁক, বগুড়ায় কোথাও একটু কাজ করতে চাই। তখন বগুড়া থেকে মোজাম্মেল হক লালু সম্পাদিত দৈনিক করতোয়া, মাহবুবুর রহমান ছোটন ভাইয়ের উত্তরবার্তা এবং দূর্গাদাস মূখার্জীর সম্পাদনায় দৈনিক উত্তরাঞ্চল প্রকাশিত হয়। এছাড়া, অধ্যাপক আব্দুর রউফ স্যারের সাপ্তাহিক জীবন নিয়মিত এবং অনেকটা অনিয়মিতভাবে সাপ্তাহিক কাঁকন প্রকাশিত হতো। করতোয়াকে তখন কেউ ‘মাটির ডাক’ (এরশাদের খাল খনন প্রকল্প) এর মুখপত্রও অর্থাৎ সরকারপন্থী কাগজ বলত। দৈনিক করতোয়া বেশী বেশী সরকারি বিজ্ঞাপন এবং রেশনের কাগজ পেত। অধ্যক্ষ এম এ হামিদ আমাকে দৈনিক উত্তরাঞ্চলে কাজ করার পরামর্শ দিলেন এবং একথাও বললেন, ‘দূর্গাদাস মুখার্জী একটু বামঘেঁষা হলেও অনেকটা বস্তুনিষ্ঠ।’ অমি স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে তাঁর কাগজে যোগ দিলেও রেডিওর খবর নোট করা, মফস্বল খবরের ডাক খোলা, প্রাথমিকভাবে নিউজ বাছাই এমনকি কোন কোন রাতে প্রুফও দেখতাম। দূর্গাদা মাঝে মাঝে দরদী কন্ঠে বলতেন, ‘রাঙ্গার মা, দেখতো ছেলেটা কিছু কি খেল!’ শাহ সুলতান কলেজের বাংলার অধ্যাপক তবিবুর রহমান স্যার এবং মারুফ কামাল খান সোহেল ভাই আমার ডেস্কের প্রাথমিক গুরু ছিলেন। অধ্যক্ষ এম এ হামিদ অধ্যাপক তবিবুর স্যারের সাথে পরিচয় এবং বেশ কয়েকদিন এ টি দেব এর ডিকশোনারি থেকে ও হাতেকলমে প্রুফ দেখা শিখিয়ে দিয়েছিলেন।</p>
<p>যে কারণে প্রসঙ্গটির অবতারণা : নভেম্বরের শেষের দিকে, দৈনিক উত্তরাঞ্চলের প্রতিষ্ঠাবর্ষিকীর অনুষ্ঠানে বদরুদ্দীন উমর আসবেন। অধ্যক্ষ এম এ হামিদ তখন প্রফেসর এবং সরকারি আযিযুল হক কলেজের ভাইস প্রিন্সিপ্যাল। দাওয়াতঁপত্র পেয়ে আমাকে বললেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী সাহেবকে খবর দাও। দুইজনই তখন শহরের সেউজগাড়ীতে ভাড়া থাকেন। রাষ্ট্র বিজ্ঞানের ইউসুফ স্যার ও সুফিয়া ম্যাম দম্পতি কারমাইকেল রোড সংলগ্ন আর আমি মাঝামঝি ‘মৌমাছি খেলাঘর’ সংলগ্ন একটি বাসায় বারান্দার খোপে। ইউসুফ স্যারকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কলেজে রাস্ট্রবিজ্ঞানের বর্তমান কয়জন শিক্ষক বদরুদ্দির উমরের ছাত্র অছেন?’ স্যার বললেন ‘চার জন।’ তিনি পুনরায় বললেন, ‘ছাত্ররাও তো আছে, সবাইকে নিয়ে উনার একটি বক্তৃতার ব্যবস্থা করতে পারেন। শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পরিধি বাড়বে। প্রফেসর বদরুদ্দিন উমর অনেক বড় মাপের বুদ্ধিজীবি এবং রাষ্ট্রচিন্তাবিদ। তার বাবা আবুল হাশিম বৃটিশভারতে একজন মুসলিম জাতীয়তাবাদী নেতা ছিলেন। সাতচল্লিশে ভারতবিভাগের বিরোধী থাকলেও, পঞ্চাশের পর তিনি জমিদারী ছেড়ে সপরিবারে তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তানে চলে এসেছিলেন।.. ছেলে এখন কমিউনিষ্ট পার্টির আদর্শিক গুরু.. ।’ আরও অনেক কথা বললেন। সত্যি বদরুদ্দিন উমর স্যার কলেজের দোতলার হলঘরে প্রায় দুই ঘন্টা রাষ্ট্র, দর্শন এবং সমসাময়িক বিষয়ে পান্ডিত্যপূর্ণ বক্তৃতা ও অনেগুলি প্রশ্নের তাত্বিক ব্যাখ্যা দিলেন। রাস্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ছাড়াও ছাত্র-শিক্ষক বিশেষ করে কৌতুহলী বাম-ডানপন্থী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের (তখন মওদুদীজমের নতুন পাঠকচক্র) ছাত্রনেতারা বিস্মিত হয়ে শুনলেন।</p>
<p>আমার এসএসসি সনদে পিতার নাম থেকে ‘খোন্দকার’ বাদ পড়েছিল।  প্রধান শিক্ষক আলী আকবর স্যার সেকারণে পিপলার আযাদ স্যারকে ফরম পূরণের জন্য দোষারোপ করলেন। মূল সার্টিফিকেট বের হতে হতে ততদিনে এইচএসসি পরীক্ষাও হয়ে গিয়েছে। অধ্যক্ষ এম এ হামিদ স্যার পত্র লিখে মাউশিবো, রাজশাহীর তখনকার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর তোজাম্মেল হোসেন স্যারের কাছে পাঠালেন। স্যার আমাকে চেয়ারম্যান প্রফেসর আবুল হোসেন স্যারের ( প্রাক্তন অধ্যক্ষ, সরকারি আযিযুল হক কলেজ) কক্ষে নিয়ে গেলেন। তিনি আমাকে সাথে দেখেই সাদরে বললেন, ‘আরে ওএসডি ( কলেজে অভিনিত আব্দুল্লাহ্ আল মামুনের নাটকে আমার চরিত্র) নাকি? এসো এসো।’ তখন স্যারদ্বয় গুরুত্বসহকারে আলোচনার পর ভারক্রান্ত মনে জানালেন, যেহেতু এসএসসি সনদে জন্ম তারিখ আছে, তাই ওটার পরিবর্তে এইচএসসি সনদ সংশোধন করে ‘বংশপদবী’টাই কেটে দিতে হবে এবং পড়ে নিরুপায় হয়ে তাই করা হয়েছিল।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-8190 aligncenter" src="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/444-300x251.jpg" alt="" width="300" height="251" srcset="https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/444-300x251.jpg 300w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/444-1024x856.jpg 1024w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/444-768x642.jpg 768w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/444-1536x1284.jpg 1536w, https://chalanbeelprobaho.com/wp-content/uploads/2026/08/444.jpg 1550w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /><br />
১৯৯০ সালে আমি তখন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় চাকরি করি। উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ভবাণীগঞ্জ কলেজের সত্তরের দশকের স্বনামধন্য অধ্যক্ষ আজহার আলী আমাকে ল্যান্ডফোনে ডেকে বললেন ‘দেখে যান, কে এসেছেন! নিয়ে যান।’ দ্রুত বাইক চালিয়ে গিয়ে দেখি অধ্যক্ষ এম এ হামিদ। তিনি রাজশাহী থেকে  লক্কর-ঝক্কর মার্কা বাসে বাগমারা ডিঙ্গিয়েই উপজেলা সদরে চলে গিয়েছেন। নাস্তা -গল্প শেষে আমাকে বললেন ‘তোমার বাবা এবং আমাদের একসময়ের ঘনিষ্টজন মশিন্দা শিকারপুরের মওলানা ওমর ফারুকী, এখানকার বালানগড় মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। অনেক বড় আলেম। তিনি নাকি এখানেই থাকেন।’ তাঁর বাসায় গেলাম। কুশলবিনিময় মোলাকাত কোলাকুলি হলো। তারপর বাইকে চড়ে বাগমারার ইউএনও আতাউর রহমান (আরমবাড়ীয়া, ঈশ্বরদী) এবং ওসি কাজী আতাউর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ (পরে জানলাম ওসিভাবী প্রিন্সিপ্যাল ইব্রাহীম খাঁ’র বিশিষ্ট পরিবারের সদস্যা) এবং সবার অনুরোধ উপেক্ষা করে তিনি আমাদের ডক্টরস ডরমে ডালভাতে লাঞ্চ সারলেন। তারপর বাগমারা ও মোহনপুরের সর্বজন শ্রদ্ধেয় দুই প্রধান শিক্ষক যাঁরা এলাকায় শুধু ‘হেড স্যার’ নামে খ্যাত যথাক্রমে নূরুল ইসলাম এবং রাখাল চন্দ্র দাসের সাথে স্বাক্ষাৎ করলেন। সবার জন্য হাদিয়া ছিল স্বলিখিত বই এবং খুবজীপুর এম হক কলেজের সাহায্যের জন্য এক টাকা শুভেচ্ছামূল্যের টিকেট। বিকেলে মোহনপুর থেকে তাঁকে মান্দার প্রসাধপুরের উদেশ্যে নওগাঁগামী বাসে তুলে দিলাম।</p>
<p>অধ্যক্ষ এম এ হামিদের সৌজন্যে আমার বাংলা একাডেমীর দুইজন মহাপরিচালক ড. আশরাফ সিদ্দিকী, কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলা, পাবনার ভাষা সৈনিক ও সাংবাদিক রণেশ মৈত্র, কবি বন্দে আলী মিয়া, অধ্যাপক আবুল কাশেম, সমাজসেবার উপপরিচালক মমতাজ উদ্দিন ঢালীসহ অনেক প্রথিতযশা লেখক, বুদ্ধিজীবি শিক্ষক, সাংবাদিক, আলেম, পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং সমাজসেবীর সাথে সাক্ষাতের সুযোগ হয়েছে, সেসব বিস্তারিত লিখলে কলেবর অনেক বড় হয়ে যাবে। তাঁদের সাথে আমার মত নগণ্য ব্যক্তির নিজস্ব অবস্থান থেকে যোগাযোগের সামর্থ বা উপলক্ষ্য খুবই কম ছিল। অন্যদিকে অধ্যক্ষ এম এ হামিদকেও তাঁর মহান ব্যক্তিত্ব ও কর্মকান্ডের যৎকিঞ্চিৎ নিকট থেকে দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। হয়তোবা সেকাণেই আমার মরহুম পিতা আমাকে তাঁর শেষ কর্মস্থল বগুড়ার কলেজে পড়তে উৎসাহিত করেছিলেন।</p>
<p>ছোটবেলায় অধ্যক্ষ এম এ হামিদের পাবনার পৈলানপুরের বাড়ী থেকে শুরু করে আমার নিজের বাড়ী, বগুড়া, রাজশাহী ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন পারিবারিক সামাজিক, সাংষ্কৃতিক, ধর্মীয় ও দাপ্তরিক কার্যক্রমের সূত্র ধরে বিভিন্ন বরেণ্য ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎলাভ ও পরিচিতির সুযোগ হয়েছে যাঁদের অনেকের সাথে পরবর্তীতেও যোগাযোগ অব্যহত ছিল।</p>
<p>পরিশেষে বলতে চাই   অধ্যক্ষ এম এ হামিদ একজন সত্যিকারের সমাজ সংস্কারক, মহৎপ্রাণ, আলোকিত ব্যক্তি ছিলেন; তাই তাঁর মহৎকর্ম ও বিচরণ ক্ষেত্রের ঘনিষ্ট সহচরগণের বেশীর ভাগই ছিলেন স্ব স্ব প্রতিভা ও মহিমা আলোকবর্তীকায় ভাস্বর ব্যক্তি। সেই মহাজনদের মাত্র কয়েকজনের সাথে সাক্ষাতের সুযোগে আমি অনেক উপকৃত এবং অনুপ্রাণিত হয়েছি। তাই কবির ভাষায় বলতে চাই-<br />
“মহাজ্ঞাণী মহাজন, যে পথে করে গমন হয়েছেন প্রাতঃস্মরণীয়,<br />
সেই পথ লক্ষ্য করে, স্বীয় কীর্তি ধ্বজা ধরে আমরাও হব বরণীয়।”</p>
<p>&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;</p>
<p><em><strong>লেখকঃ</strong> প্রাবন্ধিক ও লেখক</em></p>
<p><em>অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা</em></p>
<p><em> shamsulchalonbil@gmail.com </em></p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chalanbeelprobaho.com/%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a6%8f%e0%a6%ae-%e0%a6%8f/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
