ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৭ বছর কোমায় থাকার পর মারা গেলেন যুব বিশ্বকাপে খেলা ক্রিকেটার

blank

শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক ক্রিকেটার আকশু ফার্নান্দো সাত বছর কোমায় থাকার পর মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) মারা গেছেন। 

 

২০১৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন তিনি। এরপর থেকে টানা সাত বছর ছিলেন লাইফ সাপোর্টে। এনডিটিভি স্পোর্টসের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

 

সেদিন দক্ষিণ কলম্বোর মাউন্ট লাভিনিয়া এলাকার সমুদ্রসৈকতে অনুশীলন শেষে ফেরার পথে অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। এর পর থেকে ৩৪ বছর বয়সী সাবেক এই ক্রিকেটার বেশির ভাগ সময় লাইফ সাপোর্টে ছিলেন বলে জানিয়েছে ইএসপিএনক্রিকইনফো।

 

শ্রীলঙ্কার ঘরোয়া ক্রিকেটে সম্ভাবনাময় এক ব্যাটসম্যান ছিলেন ফার্নান্দো। যে সময়ে তার ঘরোয়া ক্রিকেট ক্যারিয়ার গতিশীল হয়ে উঠছিল, ঠিক তখনই ট্রেনের ধাক্কায় থেমে যায় তার সবকিছু। ফার্নান্দোর বয়স তখন ২৭ বছর। দুর্ঘটনার কয়েক সপ্তাহ আগে রাগামা ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি পান ফার্নান্দো। অফ স্পিনও বেশ ভালোই করতেন। সিনিয়র পর্যায়ে তার সাতটি ৫০‍+ স্কোর ছিল। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩৯ ম্যাচে ১০৬৭ রান করেছিলেন ফার্নান্দো। লিস্ট এ ক্রিকেটে ২৫ ম্যাচে করেন ২৯৮ রান। ১৯টি টি-টোয়েন্টিও খেলেছেন ফার্নান্দো।

 

নিউজিল্যান্ডে ২০১০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা দলের প্রতিনিধিত্ব করেন ফার্নান্দো। সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২ উইকেটে হারের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেছিলেন।

 

শ্রীলঙ্কার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সেই দুর্ঘটনার পর কোমায় চলে যাওয়া ফার্নান্দোকে তাঁর প্রজন্মের লঙ্কান ক্রিকেটে অন্যতম সম্ভাবনাময় হিসেবে বিবেচনা করা হতো। শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলে খেলা দানুস্কা গুনাতিলকা, ভানুকা রাজাপাকসে অনূর্ধ্ব-১৯ দলে ফার্নান্দোর সতীর্থ ছিলেন। কলম্বোর সেন্ট পিটার কলেজ থেকে উঠে আসা ফার্নান্দো স্কুল ক্রিকেটেও সফল ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর
blank

বরিশালে ‘মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি ঘোষণা ও দায়িত্ব হস্তান্তর

৭ বছর কোমায় থাকার পর মারা গেলেন যুব বিশ্বকাপে খেলা ক্রিকেটার

প্রকাশের সময় : ০১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
blank

শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক ক্রিকেটার আকশু ফার্নান্দো সাত বছর কোমায় থাকার পর মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) মারা গেছেন। 

 

২০১৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন তিনি। এরপর থেকে টানা সাত বছর ছিলেন লাইফ সাপোর্টে। এনডিটিভি স্পোর্টসের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

 

সেদিন দক্ষিণ কলম্বোর মাউন্ট লাভিনিয়া এলাকার সমুদ্রসৈকতে অনুশীলন শেষে ফেরার পথে অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। এর পর থেকে ৩৪ বছর বয়সী সাবেক এই ক্রিকেটার বেশির ভাগ সময় লাইফ সাপোর্টে ছিলেন বলে জানিয়েছে ইএসপিএনক্রিকইনফো।

 

শ্রীলঙ্কার ঘরোয়া ক্রিকেটে সম্ভাবনাময় এক ব্যাটসম্যান ছিলেন ফার্নান্দো। যে সময়ে তার ঘরোয়া ক্রিকেট ক্যারিয়ার গতিশীল হয়ে উঠছিল, ঠিক তখনই ট্রেনের ধাক্কায় থেমে যায় তার সবকিছু। ফার্নান্দোর বয়স তখন ২৭ বছর। দুর্ঘটনার কয়েক সপ্তাহ আগে রাগামা ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি পান ফার্নান্দো। অফ স্পিনও বেশ ভালোই করতেন। সিনিয়র পর্যায়ে তার সাতটি ৫০‍+ স্কোর ছিল। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩৯ ম্যাচে ১০৬৭ রান করেছিলেন ফার্নান্দো। লিস্ট এ ক্রিকেটে ২৫ ম্যাচে করেন ২৯৮ রান। ১৯টি টি-টোয়েন্টিও খেলেছেন ফার্নান্দো।

 

নিউজিল্যান্ডে ২০১০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা দলের প্রতিনিধিত্ব করেন ফার্নান্দো। সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২ উইকেটে হারের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেছিলেন।

 

শ্রীলঙ্কার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সেই দুর্ঘটনার পর কোমায় চলে যাওয়া ফার্নান্দোকে তাঁর প্রজন্মের লঙ্কান ক্রিকেটে অন্যতম সম্ভাবনাময় হিসেবে বিবেচনা করা হতো। শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলে খেলা দানুস্কা গুনাতিলকা, ভানুকা রাজাপাকসে অনূর্ধ্ব-১৯ দলে ফার্নান্দোর সতীর্থ ছিলেন। কলম্বোর সেন্ট পিটার কলেজ থেকে উঠে আসা ফার্নান্দো স্কুল ক্রিকেটেও সফল ছিলেন।